টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

উখিয়ায় প্রধানমন্ত্রী আগমলে উখিয়া-টেকনাফের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এমপি আব্দুর রহমান বদীর বিকল্প নেই

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

01 (2)মোঃ আশেক উলাহ ফারুকী, টেকনাফ::::কক্সবাজার জেলার যে ক’টি সংসদীয় আসন রয়েছে, তার মধ্যে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে উপজেলা গুরুত্ব ও মাহাতœ অপরিসীম। এ আসনটি বাংলাদেশের সর্বদণি নাফ-নদী ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায়। ভৌগলিক দিক থেকে এর পূর্বে মিয়ানমার দণি পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে কক্সবাজার জেলা। টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন থেকে কক্সবাজার জেলাপ্রশাসনের দুরুত্ব ৮৮ কিঃ মিটার। কক্সবাজার-৪ আসনের উখিয়া-টেকনাফ আসনটিতে আছেন, সরকার দলীয় এমপি আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদী (সি,আইপি)। অবশিষ্ঠ ৩ আসনে আছেন চারদলীয় জোটের এমপিরা।  উখিয়া-টেকনাফ সংসদীয় আসন নির্বাচনী এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য ভরপুর। এখানে মৎস্য, পান, সুপারী, বনজসম্পদ ও লবণের জন্য বিখ্যাত। এসব সম্পদ থেকে সরকার প্রচুর পরিমান রাজস্ব পেয়ে আসছে। এ দুই উপজেলার প্রায় শ্রমজীবি মানুষ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী এবং বিদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিভ্ন্নি সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স আসছে। এ জেলার ৪ আসনে দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষন করার জন্য রয়েছে পর্যটন স্পট। ইনানী, নাফ-নদী, মাথিনের কূপ, খুদোমগোহা, সমূদ্র সৈকত ও সেন্টমার্টিনদ্বীপ। প্রতিবছর প্রায় ৫৫ হাজার পর্যটক এসব দৃশ্য উপভোগ করার জন্য চলে আসে। টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-সড়কে চারটি অত্যাধুনিক জাহাজ চালু রয়েছে। সরকার পর্যটন খাত থেকে প্রচুর পরিমান রাজস্ব পেলে ও সে তুলনায় তেমন অবকাঠামো গড়ে উঠেনি। এছাড়া টেকনাফের কেরুনতলী নামক স্থানে বাংলাদেশ মিয়ানমার পর্যায়ে স্থলবন্দর চালু রয়েছে। ১৯৯৫ সালে ৫ সেপ্টম্বর দুদেশের সীমান্ত বাণিজ্য চালু হবার পর সরকার প্রতিমাসে আমদানীপণ্য হতে গড়ে প্রতি মাসে ৭ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে আসছে। দেশ স্বাধীন হবার পর ৩৬ বছরে উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকায় তেমন কাংখিত উন্নয়নের ছোয়া লাগনী। এ সময় সরকার আছে সরকার যায়, তার পরও এ ৪ আসনের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটেনী। উখিয়া-টেকনাফ আসনটি পর্যটন সীমান্ত এলাকা হিসাবে এর গুরুত্ব অপরিসীম। এ আসনে যে সব সমস্যা আজ বিরাজ করছে, তার মধ্যে শিা, ইয়াবা, মহাসড়ক, রোহিঙ্গা ও টেকসহ বেড়ীবাধ। উখিয়া-টেকনাফ নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরে অবস্থান করছে। এছাড়া ও এ দু’টি সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিনিয়তই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। রোহিঙ্গারা এখানে বাংলাদেশী নাগরিকের মত স্বাধীনভাবে বসবাস করে আসছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাদের আশ্রয় ও পশ্রিয় দেয়ার ফলে রোহিঙ্গা সমস্যা স্থায়ীভাবে রূপ নিয়েছে রোহিঙ্গারা চুরি, ডাকাতী, চোরাচালানী সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজে রোহিঙ্গারা জড়িত হয়ে আইন শৃংখলা পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে রেখেছে। এ আসনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কোন প্রতিষ্টান জাতীয়করণ করা হয়নি। এ দু’সীমান্ত উপজেলার মেধাবী গরীব শিার্থীরা সরকারী প্রতিষ্টানের মূখ দেখছেনা আদৌ এবং প্রতিভা বিকাশ গঠছেনা তাদের। মাঝপথেই তারা বিয়ের পিড়িতে বসতে  বাধ্য হচ্ছে। জেলার কুতুবদিয়া, চকরিয়া, মহেশখালী এ তিন উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করন করা হলে ও রামু, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়নি। এ েেত্র নারী শিার্থীরা বৈশম্য এবং বিমতা সূলব আচরণের শিকার হচ্ছে। শিার েেত্র জেলাায় এ আসনটি পেছনে থাকাতে উন্নয়ন তরান্নিত হচ্ছেনা। টেকনাফ  কক্সবাজার মহাসড়কঃ এ আসনের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম মহাসড়কটি অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। দেশ স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তন হলে ও এ জন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি উন্নয়নের কোন পরির্বতন ঘটেনী। টেকনাফে স্থল বন্দর এবং পর্যটন এলাকা হিসাবে মহাসড়কটি উন্নয়ন নিতান্ত প্রয়োজন। ইয়াবাঃ এ সীমান্ত অঞ্চলে ইয়াবা সমস্যা প্রকট। এটি এখন মহামারীর ন্যায় ধারণ করছে। ইয়াবা শিার জন্য একটি মারাতœক হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। ছাত্র ও যুবসমাজ এর পেছনে ছুটছে। ইয়াবার কারনে শিার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, মেধাবী শিার্থীরা। এর প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এমন ধারনা করছেন সমাজে সচেতন মহল। আগামী ৩ সেপ্টম্বর উখিয়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসছেন। এ উপলে তার প্রতি একরাশ শুভেচ্ছা রইল। এ আসনে সরকার দলীয় এমপি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদী (সি,আইপি) বিগত ৫ বছরে অভাবনীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শিা প্রতিষ্ঠান ভবন অবকাঠামো, রাস্তা, কাপেটিং সড়ক, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন, ২টি গাড়ী, থানার ২টি গাড়ী, মোটর সাইকেল, বেড়ীবাঁধ, জেটি, ব্রীজ গেট বাউন্ডারী মন্দির ও কিয়াং।  এছাড়া এমপি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদী (সি,আইপি) নিজস্ব তহবিল থেকে হতদরিদ্রের মাঝে চাউল, কম্বল, ইফতার সামগ্রী, লুঙ্গী, জায়নামাজ, শাড়ী, মশারী বিতরন অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য গত ৫ বছরে উখিয়া টেকনাফ নির্বাচনী এলাকায় ৮শত কোটি টাকার চেয়ে বেশী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। আরো ৫শত কোটি টাকার চেয়ে বেশী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে এমপি আব্দুর রহমান বদীর বিকল্প নেই।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT