টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে ব্যাংকে লেনদেন এখন সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ল মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ

উখিয়ায় ডিগ্রী কলেজে ব্যাপক দুর্নীতিঃ সুশীল সমাজের উদ্বেগ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আবদুর রহিম সেলিম, উখিয়া ::::::কক্সবাজারের উখিয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ডিগ্রী কলেজটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আগত ছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। আওযামীলীগ-বিএনপির মধ্যকার কোন্দল কলেজে প্রবেশ ঘটেছে। ফলে শিার্থীরা পড়া লেখার েেত্র রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার শিকার হচ্ছে। এসবের নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছে খোদ অধ্য ফজলুল করিম। জানা গেছে, ৯১ সালে কলেজ প্রতিষ্টা লগ্নে দায়িত্ব পালনকারী এই ব্যক্তি করণীক থেকে শুরু করে অধ্য পর্যন্ত অফিসিয়াল যে কাজকর্ম ছিল তিনি নিজেই করতেন। এই তার জোরে কলেজের জন্য ইউএনসিএইচআর কর্তৃক প্রাপ্ত কলেজ অধ্যরে ভবনটি নিজেই দখল করে নিয়েছেন। বলে বেড়াচ্ছেন এটা কলেজের জমি নয়,আমার নিজের জমি। সেখানে তিনি প্রতিষ্টান থেকে অসাধু উপায়ে সংগৃহিত অর্থ নিজের জন্য বাংলো বানিয়েছেন। প্রকৃত পে ঐ জমিতে ১৯৯১ সালে বন বিভাগের সৃজিত আকাশ মনি বাগান ছিল। বাগানের এসব গাছ কেটে রাতারাতি বিক্রি করে দিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। একই এলাকার জনৈক কালা মিয়া ও মেম্বারের ছেলে জানান, দরগাহ বিল এলাকার স্থানীয় আলীচান মেম্বারের ৯০/৯১ সালের সৃজিত বাগানটি থেকে ৪০ শতক জমি কেড়ে নেয়। সেখানে তিনি টিনশেড দোকান নির্মাণ করেছেন। কলেজ ক্যাম্পাসে দাড়িয়ে থাকা বিশালাকারের বৃরাজী থেকে প্রতিবছর গাছ কেটে ল ল টাকার লাকড়ী বিক্রি করে থাকেন। সম্প্রতি দুণীতিবাজ অধ্যরে গোমর ফাঁস হওয়ার আশংকায় তিনি রীতিমত মানসিক টেনশনে রয়েছে। কথিত দুণীতিবাজ অধ্য ফজলুল করিম কলেজ প্রতিষ্টার পর থেকে প্রতিষ্টানটির বিভিন্ন খাত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরোদ্ধে। স্থানীয় লম্বা ঘোনা গ্রামের এক ছাত্রের অভিভাবক জালাল বলেন, একজন অকৃতজ্ঞ, বেইমান,মোনাফেক, নির্দয় ও দুণীতিবাজ, চরিত্রহীন অযোগ্য ব্যক্তিকে অধ্যকের মত গুরুত্বপুর্ণ পদে বসিয়ে প্রতিষ্টানটির কোন ভবিষ্যত আশা করা যায় না। তার মতে, কথিত অধ্য ঢাকার বিভিন্ন নামী দামি হোটেলে মেয়ে নিয়ে সমাকামিতার মত গুরুতর অপরাধে লিপ্ত ছিল।  কলেজ গর্ভনিং বডি নাম ধারী কতিপয় দুর্নীতিবাজ সহযোগীদের নিয়ে কলেজের অর্থ আতœসাতের পাশাপাশি বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়াও দুর্ণীতিবাজ অধ্যরে লালিত ও পোষ্য কর্মচারী সাধন বড়ূয়া ও এম এল এস এস শামশুল আলম প্রতিষ্টানটির যাবতীয় টাকার হিসাব তাদের হাতে থাকে। তাদের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়। কারণ অধ্যরে পোষ্য কর্মচারী হিসাবে যখন, যে কোন সময় টাকা চাইলে তারা অধ্যরে নিকট দিয়ে আসে। অবশ্যই এ কাজের জন্য তাদেরকেও পার্সেন্টিস দেওয়া হয়। অধ্যরে এ দুই জন কর্মচারীর দাপট একটু বেশী। মুলত তারা দুইজন অধ্যরে খাস লোক হওয়ায় কলেজের অভ্যান্তরে বেশী লাফা-লাফি করে। সমপ্রতি গত ১ অক্টোবর প্রতিষ্টানটি ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের েেত্র যথাযথ নিয়োগ বিধি অনুসরণ না করে উৎকোচের আশ্রয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। যার ফলে শতাধিক আবেদনকারীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সুশীল সমাজের অভিযোগ, সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে এই দুর্ণীতি পরায়ন ব্যক্তিকে কিভাবে অধ্যরে মত পদে পুনঃবহাল কারায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এলাকার অভিভাবকেরা অভিযোগ করে বলেন, উচ্চ শিার এই প্রতিষ্টানটিকে দুর্ণীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করা হোক। ## আবদুর রহিম সেলিম উখিয়া-কক্সবাজার ০১৭৩৪৪৩৭৬৭২ ধৎংবষরসঁশ@মসধরষ.পড়স

 

উখিয়ায় ডিগ্রী কলেজে ব্যাপক দুর্নীতিঃ সুশীল সমাজের উদ্বেগ আবদুর রহিম সেলিম, উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়ার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ডিগ্রী কলেজটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আগত ছাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। আওযামীলীগ-বিএনপির মধ্যকার কোন্দল কলেজে প্রবেশ ঘটেছে। ফলে শিার্থীরা পড়া লেখার েেত্র রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার শিকার হচ্ছে। এসবের নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছে খোদ অধ্য ফজলুল করিম। জানা গেছে, ৯১ সালে কলেজ প্রতিষ্টা লগ্নে দায়িত্ব পালনকারী এই ব্যক্তি করণীক থেকে শুরু করে অধ্য পর্যন্ত অফিসিয়াল যে কাজকর্ম ছিল তিনি নিজেই করতেন। এই তার জোরে কলেজের জন্য ইউএনসিএইচআর কর্তৃক প্রাপ্ত কলেজ অধ্যরে ভবনটি নিজেই দখল করে নিয়েছেন। বলে বেড়াচ্ছেন এটা কলেজের জমি নয়,আমার নিজের জমি। সেখানে তিনি প্রতিষ্টান থেকে অসাধু উপায়ে সংগৃহিত অর্থ নিজের জন্য বাংলো বানিয়েছেন। প্রকৃত পে ঐ জমিতে ১৯৯১ সালে বন বিভাগের সৃজিত আকাশ মনি বাগান ছিল। বাগানের এসব গাছ কেটে রাতারাতি বিক্রি করে দিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়। একই এলাকার জনৈক কালা মিয়া ও মেম্বারের ছেলে জানান, দরগাহ বিল এলাকার স্থানীয় আলীচান মেম্বারের ৯০/৯১ সালের সৃজিত বাগানটি থেকে ৪০ শতক জমি কেড়ে নেয়। সেখানে তিনি টিনশেড দোকান নির্মাণ করেছেন। কলেজ ক্যাম্পাসে দাড়িয়ে থাকা বিশালাকারের বৃরাজী থেকে প্রতিবছর গাছ কেটে ল ল টাকার লাকড়ী বিক্রি করে থাকেন। সম্প্রতি দুণীতিবাজ অধ্যরে গোমর ফাঁস হওয়ার আশংকায় তিনি রীতিমত মানসিক টেনশনে রয়েছে। কথিত দুণীতিবাজ অধ্য ফজলুল করিম কলেজ প্রতিষ্টার পর থেকে প্রতিষ্টানটির বিভিন্ন খাত থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরোদ্ধে। স্থানীয় লম্বা ঘোনা গ্রামের এক ছাত্রের অভিভাবক জালাল বলেন, একজন অকৃতজ্ঞ, বেইমান,মোনাফেক, নির্দয় ও দুণীতিবাজ, চরিত্রহীন অযোগ্য ব্যক্তিকে অধ্যকের মত গুরুত্বপুর্ণ পদে বসিয়ে প্রতিষ্টানটির কোন ভবিষ্যত আশা করা যায় না। তার মতে, কথিত অধ্য ঢাকার বিভিন্ন নামী দামি হোটেলে মেয়ে নিয়ে সমাকামিতার মত গুরুতর অপরাধে লিপ্ত ছিল।  কলেজ গর্ভনিং বডি নাম ধারী কতিপয় দুর্নীতিবাজ সহযোগীদের নিয়ে কলেজের অর্থ আতœসাতের পাশাপাশি বিভিন্ন ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ছাড়াও দুর্ণীতিবাজ অধ্যরে লালিত ও পোষ্য কর্মচারী সাধন বড়ূয়া ও এম এল এস এস শামশুল আলম প্রতিষ্টানটির যাবতীয় টাকার হিসাব তাদের হাতে থাকে। তাদের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়। কারণ অধ্যরে পোষ্য কর্মচারী হিসাবে যখন, যে কোন সময় টাকা চাইলে তারা অধ্যরে নিকট দিয়ে আসে। অবশ্যই এ কাজের জন্য তাদেরকেও পার্সেন্টিস দেওয়া হয়। অধ্যরে এ দুই জন কর্মচারীর দাপট একটু বেশী। মুলত তারা দুইজন অধ্যরে খাস লোক হওয়ায় কলেজের অভ্যান্তরে বেশী লাফা-লাফি করে। সমপ্রতি গত ১ অক্টোবর প্রতিষ্টানটি ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের েেত্র যথাযথ নিয়োগ বিধি অনুসরণ না করে উৎকোচের আশ্রয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। যার ফলে শতাধিক আবেদনকারীর মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সুশীল সমাজের অভিযোগ, সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে এই দুর্ণীতি পরায়ন ব্যক্তিকে কিভাবে অধ্যরে মত পদে পুনঃবহাল কারায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এলাকার অভিভাবকেরা অভিযোগ করে বলেন, উচ্চ শিার এই প্রতিষ্টানটিকে দুর্ণীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করা হোক। ## আবদুর রহিম সেলিম উখিয়া-কক্সবাজার ০১৭৩৪৪৩৭৬৭২ ধৎংবষরসঁশ@মসধরষ.পড়স

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT