টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারি : নির্বাচন কমিশনের পরিচালকের বিরুদ্ধে দুপুরে মামলা, বিকালে দুদক কর্মকর্তা বদলি সড়কের কাজ শেষ হতে না হতেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং! আপনি বুদ্ধিমান কি না জেনে নিন ৫ লক্ষণে ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি ভোটার: নিবন্ধিত রোহিঙ্গাও ভোটার! ইসি পরিচালকসহ ১১ জন আসামি হ’ত্যার পর মায়ের মাংস খায় ছেলে ব্যাংকে লেনদেন এখন সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন বাড়ল মডেল মসজিদগুলোয় যোগ্য আলেম নিয়োগের পরামর্শ র্যাবের জালে ধরা পড়লেন টেকনাফ সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার রোহিঙ্গাদের তথ্য মিয়ানমারে পাচার করছে জাতিসংঘ: এইচআরডব্লিউ

উখিয়ার নিদানিয়া ফুটের ঝিরির আগায় পাহাড় কাটা অব্যাহত

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৪৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম বশর চৌধুরী, উখিয়া:::::উখিয়ার ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তা ম্যানেজ নিদানিয়া ফুটের ঝিরির আগা এলাকায় সরকারী বনভুমি উজাড় ও পাহাড় কেটে বনভূমি দখল করছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। দখলকৃত বনভুমিতে পানের বরজ রোপন করে দখল স্থায়ীত্ব করছে ভূমি দস্যুরা। আর কাজে সার্বিক সহযোগীতা করে যাচ্ছে ইনানী রেঞ্জ ও জালিয়া পালং বন বিটের কতিপয় হ্যাডম্যান। এ নিয়ে এলাকাবাসী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কে লিখিত অভিযোগ করে কোন কাজ হয়নি। গুরতর অভিযোগ উঠেছে, কক্সবাজার দণি বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশ যোগদানের পর থেকে সরকারী বনভুমি দখল, কাঠ পাচার ও অবৈধ সমিল চালুতে সহায়তা করায় সরকারী বনভূমি ও বনাঞ্চল রা করা যাচ্ছেনা। অভিযোগে প্রকাশ, সাম্প্রতিক সময়ে উখিয়ার সমুদ্র উপকুলীয় এলাকায় জমির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এক শ্রেনীর ভুমি দস্যু সরকারী বনভুমি জবর দখল করার মিশন নিয়ে মাঠে নামে। ভূমি দস্যুরা গত কয়েক বছর ধরে জালিয়া পালং, সমিতি ঘোনা, মাইজ্জা খোলা, গর্ঝন ভাজার ঝিরি, মোহাম্মদ শফির বিল, নিদানিয়া, ইনানী, চোয়াংখালী, বাইলাখালী, রূপপতি, মনখালী সহ বিস্তৃীর্ণ এলাকার সরকারী বনভুমি ও পাহাড় কেটে জমি দখলে নিচ্ছে। পাহাড় কাটা ও বনভুমি দখলে রোহিঙ্গা শ্রমিক ব্যবহার করা হয়। কেউ কেউ বনভূমির দখল স্থায়ীত্ব করার জন্য ছোট ছোট কুড়ে ঘর ও পানের বরজ নির্মান করে থাকে। মধ্যম নিদানিয়া গ্রামের মৃত হাজী এবাদুল্লাহর ছেলে আবুল কালাম অভিযোগ করে জানান, মধ্যম নিদানিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আব্দুল খালেক এবং ঐ এলাকার ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তা ম্যানেজ নিদানিয়া ফুটের ঝিরির আগা এলাকার ছৈয়দ কাছিম, নুর আলম নুরাইয়া সহ একটি সিন্ডিকেট গত কয়েকমাস ধরে পাহাড় কেটে কমপে ২০ একর বনভুমি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তারা পাহাড় কাটার পাশাপাশী সমানতালে সরকারী বনভুমির কাঠ কেটে পাচার অব্যাহত রেখেছে। এ নিয়ে এলাকাবাসী ১ নভেম্বর বিভাগীয় বনকর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ করে কাজ হয়নি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ইনানী রেঞ্জের হ্যেডম্যান জাফর, জকির আহম্মদ ভূমি দস্যুদের নিকট হইতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুনিল কুমার দেবরায়, বিট কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন এলাহী ও জালিয়া পালং বিট কর্মকতাকে দিয়ে ভুমি দস্যুদের পাহাড় কাটা ও বনাঞ্চল উজাড়ে সহায়তা করে আসছে। ইনানী বিট কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন এলাহী জানান, নিদানিয়া ফুটের ঝিরির আগা এলাকায় পাহাড় কাটার বিষয়টি শুনেছেন। তবে ওই এলাকাটি জালিয়া পালং বিটের অধীনে হওয়ায় বিষয়টি জালিয়া পালং বিট কর্মকর্তাকে বার বার অবগত করার পরও রহস্য জনক কারনে তিনি ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি বিষয়টি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও এসিএফ কে জানানোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে জানার জন্য জালিয়া পালং বিট কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নাই। জানা যায়, উখিয়ায় ৩৪ হাজার ৪ শত ৫০ একর সরকারী বনভুমি কাগজে কলমে থাকলেও বিপুল পরিমান সরকারী বনভুমি ও বনাঞ্চল বে-দখল হয়ে গেছে। কক্সবাজার দণি বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বিপুল কৃষ্ণ দাশ যোগদানের পর বেশির ভাগ বনভুমি ও বনাঞ্চল লোটপাট হয়ে গেছে। বেশ কিছু বনভুমিতে তৈরী করা হয়েছে স্থায়ী দালান কৌটা। এছাড়াও উখিয়ায় অবৈধভাবে চলছে ২৫টি করাত কল। তৎমধ্যে টাই পালং এলাকার একটি অবৈধ সমিল দীর্ঘ দিন ধরে উচ্ছেদ না করায় ওয়ালা পালং বনবিটের বিশাল বনাঞ্চল লোটপাট হয়ে গেছে। এ ব্যপারে অচিরেই কার্যকর পদপে নেয়া জরুরী।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT