টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদ মৌসুমের সুযোগে প্রবাসীর স্ত্রীদের দৌরাত্ব ঈদগাঁও’র ঈদ বাজারে নিম্নবিত্ত পরিবারের আসল ঠিকানা ‘ফুটপাত’

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

51fa4b69e9039-10কক্সবাজার লেখক সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখ-০৪-০৮-২০১৩ইং জেলার একঝাক মেধাবী লেখকদের সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠন কক্সবাজার লেখক সোসাইটি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাবের সদস্য, আজকের সূর্যদয়ের ঈদগাঁও প্রতিনিধি ও দৈনিক আজকের কক্সবাজারের ঈদগাঁও প্রতিনিধি এম.আবু হেনা সাগরের উদ্দ্যোগে বিগত দু’বছরের ন্যায় এ বছরও ঈদগাঁও ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড তথা মধ্যম মাইজ পাড়ার একাংশে ৪ আগষ্ট সকালে অসহায়, গরীব ও দুস্থ একাধিক পরিবারের মাঝে সেমাই, চিনি ও চনা বিতরণ করা হয়। এদিকে আসন্ন ঈদ মৌসুমে এলাকার অসহায়, গরীব ও দুস্থ পরিবারের লোকজন এবারও ঈদ সামগ্রী পেয়ে মহা খুশিতে উৎফুল্ল হতে দেখা যায়। ঈদ সামগ্রী বিতরণ কালে দলীয় ও শুভাকাঙ্খিগণ উপস্থিত ছিলেন। ————————————-

কোমলমতি শিার্থীরা নষ্টের পথে ধাবিত হচ্ছে: অভিভাবক মহল দিশেহারা জেলাব্যাপী কবিরাজী ঔষুধি চিকিৎসার নামে চলছে নয়া প্রতারণার ফাঁদ!

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখ-০৪-০৮-২০১৩ইং চলতি রমজান ও আসন্ন ঈদ মৌসুমকে ঘিরে জেলা ব্যাপী কবিরাজী লতাপাতা ঔষুধি চিকিৎসার নামে চলছে নয়া প্রতারণার ফাঁদ! এসব প্রতারণা ব্যবসার প্রচার প্রসার ঘটাতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার গেইট, জনসমাগম এলাকায়, বিভিন্ন ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দেয়াল সহ নানা প্রচার মাধ্যম হিসেবে কুরুচিপূর্ণ পোষ্টার ও হ্যান্ডবিল প্রচার থেমে নেই নানা স্থানে। শিার্থী সহ অনেক অভিভাবক এসব প্রচারপত্র দেখে নানা করুন পরিস্থিতিতে পড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের শীঘ্রই এসব লতাপাতা ঔষুধি চিকিৎসালয়ের বিরুদ্ধে অভিযানও দাবী করেছেন। নিরীহ মানুষ এসব কবিরাজী ঔষুধি লতাপাতার নামে  ভেজাল ঔষুধ খেয়ে নানান কঠিন  রোগে ভোগছেন বলে জানান অনেকে। এমনকি-গ্রামগঞ্জের অসহায় মানুষই সব চেয়ে বেশী প্রতারণার শিকার হচ্ছে। জেলায় যত্রতত্র স্থানে এসব কতিপয় লতাপাতার নামে চিকিৎসা কেন্দ্র গুলোকে নিয়ে সচেতন মহলের মাঝে নানান প্রশ্নের ঘুরপাক খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসব অপ-চিকিৎসা থেকে কবে মুক্তি পাবে নিরীহ সমাজ? আরো জানা যায়, নানা অখ্যাত-কুখ্যাত লতাপাতার নামে ঔষুধি কেন্দ্র গুলোর পরিচিতির স্বার্থে প্রতি হাট বাজারের দিন তাদের নিজস্ব লোক দিয়ে পোষ্টার, রংবেরঙ্গের হ্যান্ডবিল বিতরণ করে চলেছে নানা যানবাহন ও জেলার বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানের সামনে এবং বাজার কিংবা জনবহুল এলাকায়। আবার, জেলা শহর সহ উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হরেক রকম প্রচারপত্রে এসব কতিপয় চিকিৎসক যৌন দূর্বলতার চিকিৎসার নামে পুরুষ-মহিলা কিংবা তরুণ-তরুণীদের নানা উপায়ে লোভে ফেলার প্রাণপর চেষ্টা অব্যাহত থাকে। অন্যদিকে, হরেক রকম লতাপাতা ও ভেষজ ঔষুধের নামে মেশানো হচ্ছে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট। শহরসহ জেলা জুড়ে নানা স্থানে এই লতাপাতা ঔষুধি কেন্দ্রের অপতৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। তাছাড়া  জেলার বিভিন্ন স্থানে এধরণের হীন ব্যবসার আড়ালে চলছে রমরমা বাণিজ্য। উল্লেখ্য, এসব কতিপয় প্রতিষ্ঠান গুলো বিভিন্ন পত্রিকায় নানা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকার বিজ্ঞাপন প্রচার-প্রসারের প্রতিদ্বন্দিতায় নেমে পড়ছে। অপর দিকে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাজারবার কিংবা হাটবাজারে যত্রতত্র স্থানে মাইকে নানা অঙ্গ-বঙ্গি দেখিয়ে ক্যাম্পাসের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের সহজ-সরল লোকজনদেরকে বিপদ মুখী করে তোলছে বলে সচেতন মহল সহ শিার্থী সমাজের অভিভাবক মহলের অভিযোগ। ———————————

ছবি আছে

ঈদ মৌসুমের সুযোগে প্রবাসীর স্ত্রীদের দৌরাত্ব ঈদগাঁও’র ঈদ বাজারে নিম্নবিত্ত পরিবারের আসল ঠিকানা ‘ফুটপাত’

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখ-০৪-০৮-২০১৩ইং ঈদগাঁও’র ঈদ বাজারে আসন্ন ঈদ মৌসুমকে সামনে রেখে উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন নামী-দামী মার্কেটগুলোতে কেনাকাটা করলেও নিম্নবিত্ত পরিবারের আসল ঠিকানা এখন ফুটপাতে। সেখানেও নারী পুরুষের ভিড় আর ভিড় ল্য করা গেছে। এই চলতি মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে কৌশলে প্রবাসীর স্ত্রীদের ঈদ বাজারের অজুহাতে দৌরাত্ব চরম আকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি, ঈদবাজারে হুন্ডি ব্যবসার আড়ালে পরকিয়া প্রেমের কাহিনী। প্রবাসীরা তাদের স্ত্রী ও পরিবারের জন্য টাকা পাঠালে এই ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কক্সবাজার সদর সহ জেলার বিভিন্ন স্পটে স্বামী-স্ত্রী ন্যায় অবস্থান করে কিস্তি আকারে টাকা পরিশোধ করে সন্ধ্যার পূর্বেই বাড়িতে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। এদিকে প্রবাসিদের সুন্দরী স্ত্রীরাও শ্বশুর-শাশুড়ী কিংবা পরিবারের আত্মীয় স্বজনদেরকেও নিজের বাড়ীতে বা ছেলে, মেয়েদের অসুস্থতার কথা বলে কৌশলে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে, অভিভাবকদের উদাষীনতায় এ টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রবাসী পরিবারের সুন্দরী রমনিরা জড়িয়ে পড়ছে নানা অসামাজিক কার্যকলাপে। প্রতিনিয়ত জেলা-উপজেলার কোন না কোন স্থানে প্রবাসী পরিবারের নারীদের নিয়ে ঘটছে নানা ঘটনা রটনা। এছাড়া স্থানীয়, বিভাগীয় ও জাতীয় পত্র-পত্রিকা চোখ ভোলালেই দেখা যায় এসব চিত্র। এতে অনেকের ভাংছে সংসার, বিপন্ন হচ্ছে জীবন। পরিবারে নামছে অশান্তির কালো ছাঁয়া। বিভিন্ন প্রবাসী পরিবারের সদস্য ও এলাকার সচেতন লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী পরিবারগুলোতে আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা সংগ্রহ করতে যাওয়া নারী সদস্যদের সংখ্যা। এ সুযোগে এলাকার বখাটে, বেকার শ্রেণির যুবক ও হুন্ডি চক্রের সদস্যরা কৌশলে প্রবাসীদের সুন্দরী স্ত্রী-কন্যাদের কৌশলে আয়ত্বে আনতে নানা শক্তি প্রয়োগ করে। ঘর থেকে বের হওয়ার গ্রামীণ এ মহিলারা এ ফাঁদে বুঝতে না পেরে ক্রমান্বয়ে বহিরাগত এসব পর পুরুষের সাথে সময়ে অসময়ে কথাবার্তা ও দেখা সাাৎ করে। বিশেষ করে অবাধ মোবাইল ব্যবহার এবং বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির এ সময়ে উক্ত চক্রটি এসব নারীদের মোবাইলে কৌশলে বিভিন্ন পর্নো ভিডিও ও ছবিসহ নানা অশ্লীল আচার অনুষ্ঠান প্রবেশ করিয়ে দেয়াতে মহিলারা তা দেখে নিজেদের আর ধরে রাখতে পারে না। ক্রমে তারা বহিরাগত পুরুষের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোন আলাপ, সাাৎ এবং বিভিন্ন মনোরম স্থানে বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। এ বিষয়ে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র একাধিক সচেতন মহল জানান, বিদেশ গেলেই প্রথমে প্রবাসীরা পরিবারের পুরুষ সদস্যদের নামে টাকা পাঠাতে শুরু করে। এতেই গা জ্বালা শুরু হয় স্ত্রীদের। তারা বিভিন্ন সময় কৌশলে বাড়িতে ঝগড়া সৃষ্টি করে স্বামীকে নানা ভাবে ভুল বুঝিয়ে পুরুষ সদস্যদের প্রতি বৈরী মনোভাব তৈরী করে। এছাড়া ঈদগাঁও’র ঈদ বাজারে স্বচ্ছল পরিবারে সদস্যদের সাথে সমানতালে ঈদ আনন্দ কাটানোর স্বার্থে নিম্নবিত্ত পরিবারের লোকজনও অনায়াসে ফুটপাতে তাদের প্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী ক্রয় করতে ভিড় জমান। এসব ফুটপাতের দোকান গুলোতে মহিলা ক্রেতাদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে পুুরুষ ক্রেতারা। এদিকে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাবের পার্শ্ববর্তী রাইসমিল সংলগ্ন স্থানে গড়ে উঠা ফুটপাতের দোকান গুলোতে সকাল-সন্ধ্যা ক্রেতা সাধারনের সমাগম থাকে। ফুটপাত ব্যবসায়ী কুমিল্লার আল-আমিন জানান, আমাদের এ ব্যবসা অসহায় ও দুস্থ পরিবারের লোকজনদের সস্তা দামের জন্য। মোটামোটি এই বছরের ঈদ বাজারে বেশ ভাল চলছে ফুটপাত ব্যবসা। অপরদিকে মাছ বাজার এলাকার থ্রি-পিচ মেলার সত্ত্বাধিকারী আবদুর রহমান জানান, ক্রেতারা দাম নিয়ে শংকাবোধ করলেও তবুও ব্যবসা থেমেনেই। সবমিলিয়ে ঈদগাঁও’র মার্কেটগুলো চেয়ে দামে অনেকগুণ এগিয়ে ফুটপাত ব্যবসা।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT