টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :

ঈদ কেনাকাটায় মেয়েদের আগ্রহ শাড়ি-কামিজে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৩
  • ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

bg120130কয়দিন পরেই ঈদ। আর ঈদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সেরে নিতে বিভিন্ন পেশার মানুষ ছুটছেন নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে। এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বন্দরনগরীর ষোলশহরে অবস্থিত চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সও। পছন্দের পোশাক কিনতে ক্রেতারা মধ্যরাত পর্যন্ত ভিড় করছেন এখানে। দম ফেলার ফুরসত পাচ্ছেন না দোকানীরাও।

বিক্রেতারা বলছেন,‘এবছর দেশি-বিদেশি শাড়ির সঙ্গে সলোয়ার-কামিজ বেশি বিক্রি হচ্ছে। রোজার শেষ মুহূর্তে ঈদের কেনাকাটা বেশ জমে উঠেছে। ঈদের আগমুহূর্তে আরও বাড়বে।’

বৃহস্পতিবার ইফতারের পর নগরীর চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সে কথা হয় প্রবাসীর স্ত্রী সানোয়রা রহমানের সঙ্গে। তিনি রাউজানের গহিরা থেকে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে কেনাকাটা করতে এসেছেন শপিং কমপ্লেক্সে।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন,‘খোলা মেলা পরিবেশ ও বাহারি পণ্যের সমাহার থেকেই ছেলে-মেয়ে ও নিজের জন্য পোশাক কিনবো। সাধ ও সাধ্যের বিষয়টি বিবেচনা করেই এই মার্কেটে এসেছি।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে নগরীর অন্যান্য মার্কেটের মত শপিং কমপ্লেক্সেও নিত্যনতুন পোশাকের সমাহার ঘটানো হয়েছে। আয়োজন করা হয়েছে হাল আমলের পশ্চিমা ধাচের ফ্যাশন সহ নিত্য-নতুন কালেকশনের। এখানকার বিভিন্ন দোকানে দেশি-বিদেশি ডিজাইনের শাড়ি, থান কাপড়, থ্রি-পিচ, বাচ্চাদের পোশাক, জুতো, ছেলেদের শার্ট ও জিন্স প্যাণ্টের প্রতি ক্রেতারা আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

আনুকা ফ্যাশনের বিক্রয়কর্মী সফিকুল ইসলাম জানালেন, তাদের এখানে ভারত থেকে আমদানি করা শাড়ি ও থ্রি-পিচ পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন ডিজাইনের এসব থ্রিপিচ বার’শ টাকা থেকে শুরু করে বিশ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন।

তিনি বলেন,‘বেশি বিক্রি হচ্ছে আশিকি-২, চেন্নাই-২সহ ভারতীয় বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও সিরিয়ালের নামের বাহারি পোশাক। বিক্রি পুরোপুরি ভাবে জমে উঠেছে। চাঁদ রাতে আরও জমে উঠবে।’

পাঞ্জাবী ছাড়া কী ঈদ হয়! এপ্রশ্নের সমাধান দিতে আছে দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের নজর কাড়া ডিজাইনের হরেক রকমের পাঞ্জাবি। কলেজ পড়ুয়া হাসান ফারুক বললেন,‘ঈদের দিন পাঞ্জাবী পড়বো। এজন্য দেখে শুনে সাশ্রয়ী দামে দু’টি পাঞ্জাবী কিনেছি। একটি আমার আর একটি বাবার জন্য।’

ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের কেনাকাটা থেকে বাদ যাচ্ছে না কসমেটিকস ও পারফিউমসহ পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে জুয়েলারি ও ইমিটেশন গয়না।

অক্সিজেন এলাকা থেকে মার্কেটের আলমাস শপিং মলে কেনাকাটা করতে আসা গৃহিনী আম্বিয়া খাতুন বলেন,‘কাছাকাছি ও সুলভে এবং এক জায়গায় সব পণ্য কেনার সুবিধা থাকায় এখানে সপরিবারে মার্কেটে আসা। ঈদের দিন পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে পড়ার জন্য গয়নাও কিনেছি।’

তবে তিনি অভিযোগ করেন,এবার জিনিস পত্রের নাম অনেক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বিক্রেতারা।

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় আলমাস শপিং মল’র সেলসম্যান মো. রাশেদ বলেন,‘বেচা কেনা বেশ ভালই হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে আনা বিভিন্ন পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য জিনিসপত্রও নিচ্ছেন ক্রেতারা।’

এদিকে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নিতে প্রিয়জনের জন্য পছন্দের উপহার কিনতে পরিবারের বড়দের সঙ্গে আনন্দের কেনাকাটায় মার্কেটে আসছে একেবারে ছোট্ট সদস্যটিও। ইনিয়ে বিনিয়ে দেখছে পছন্দের পোশাকটি।

প্রসূণ আলম নামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্র বলে,‘মা-বাবার সঙ্গে ঈদের পাঞ্জাবী কিনতে এসেছি। খুবই খুশি লাগছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন ২ দশমিক ১৭ একর বিশিষ্ট এমার্কেটে ৩৭৩ টি দোকান রয়েছে। এরমধ্যে নীচতলায় ২১৬টি এবং দ্বিতীয় তলায় ১৫৭টি।

চিটাগং শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা বলেন,‘ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিকিকিনির পরিমাণও বাড়ছে। সব শ্রেণির ক্রেতার জন্য মার্কেটে কেনাকাটা ব্যবস্থা আছে।’

পার্কিংসহ ক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তার ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT