টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
হ্নীলার বিশিষ্ট সমাজসেবক মৌলভী ফরিদ আহমদ আর নেই, বাদে আছর জানাযা রোহিঙ্গার ঘরে মিলল ৫৭ লাখ দেশি-বিদেশি টাকা ও ৭০ ভরি সোনা রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদগড়ে এনজিওর ঋণে দরিদ্র জনগোষ্টী আরো দরিদ্র হচ্ছ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০১৩
  • ১৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ আবুল কাশেম, ঈদগড়::এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গরীব জনগোষ্টী আরো দরিদ্র হচ্ছে। একাধিক এনজিওর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে দারিদ্র বিমোচনের নামে একচেটিয়া চড়া সুদের ব্যবসা করে যাচ্ছে। এরা ুদ্র ঋণ দানের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টীর ভাগ্য উন্নয়নের কথা বললেও ঋণের  বোঝা মাথায় নিয়ে এখনো ঈদগড়ে হাজার হাজার জনগোষ্টী তাদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে অনাহারে,অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। এসব এনজিও নামধারী প্রতিষ্ঠানের কারণে এমনকি এনজিও ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরেই অনেকই আত্মহত্যার পথও বেছে নেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,অর্থনীতিবিদদের মতে এনজিও গুলো দরিদ্র মানুষের সেবার অন্তরালে অবাধে ব্যবসা করে চলেছে। বেশির ভাগ এনজিওর প্রতিষ্ঠাতারা সংশ্লিষ্ট এনজিওর টাকায় বিলাস বহুল জীবন যাপন করছেন বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। এরা পাশাপাশি লাভজনক প্রতিষ্ঠান খুলে অথবা দেশের বাইরে বিভিন্ন ভাবে পাচার করছেন কোটি কোটি টাকা। এনজিও ব্যুরো,সমাজসেবা অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়টি সঠিক ভাবে দেখভাল না করায় প্রতিষ্ঠাতারা লাভের বড় অংশই আত্মসাৎ করছেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশের প্রধান তিনটি এনজিওর নামে বেনামে বিভিন্ন বছরে মাঠ পর্যায়ে বিতরণের পরিমাণ প্রায় ১লাখ ৬০হাজার কোটি টাকা। যা জাতীয় বাজেটের প্রায় সমান। এমনকি চারটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের দেওয়া মোটা ঋণের চেয়ে অন্তত তিন গুণ বেশি এই সব এনজিও ঋণ। দৃশ্যত ঈদগড়ে এনজিও গুলো সাড়ে ১২শতাংশ থেকে ১৫শতাংশ হার সুদে ঋণ দেয়। কিন্তু বাস্তবে আদায় করে ৩০শতাংশ থেকে ৩৫শতাংশেরও বেশি। এছাড়া ঋণের বিপরীতে প্রতি হাজারে বীমার নামে ১০টাকা হারে অতিরিক্ত অর্থ নেয় তারা। অথচ এনজিও গুলো পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন থেকে মাত্র ৪শতাংশ হার সুদে ঋণ নিয়ে থাকে। প্রতিটি এনজিওর বিরুদ্ধেই ঋণ আদায়ে ঋণ গ্রহীতাদের উপর নানা জুলুম নির্যাতন এমনকি গুরুতর আহত করার ও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনজিও গুলো যে ভাবে ঋণ আদায় করে তা সভ্য সমাজে একান্তই অমানবিক। এনজিও বা সমবায় সমিতি গুলো ঈদগড়ে হাজার হাজার মানুষকে ঋণ দিচ্ছে। এরা প্রথমে পাড়া মহল্লায় সমিতি গঠন করে সমিতিতে ৫/১০জনের গ্র“প করা হয়। গ্র“প সদস্য হতে হলে সংশ্লিষ্ট এনজিওকে ভর্তি বাবদ ৩০ থেকে ১০০টাকা দিতে হয়। ভর্তির পর কমপে ৪ থেকে ৫ সপ্তাহ ৫০ থেকে ১০০টাকা হারে সঞ্চয় নেওয়া হয়। পরবর্তী ৫ম ও ৬ষ্ঠ সপ্তাহ থেকে ঋণ বিতরণ করা হয়। কোন সদস্যকে ২০ হাজার টাকা অথবা যে কোন পরিমাণের ঋণ দেওয়া হলে পরবর্তী সপ্তাহ থেকেই সাপ্তাহিক কিস্তি হিসাবে টাকা আদায় করা হয়। ২০ হাজারে ১৫শতাংশ সুদ অর্থাৎ ২৩হাজার টাকা হিসাব করে ৪৫কিস্তিতে ভাগ করে ঋণ বিতরণের দ্বিতীয় সাপ্তাহ থেকেই আদায় করা হয় সুদ সহ আসল টাকা। বছর শেষে হিসাব করলে যার সুদ দাড়ায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ। ঋণের টাকা আদায়ের জন্য এমন কোন পন্থা নেই যা তারা অবলম্বন করেনা। ঋণ গ্রহীতার উপর জুলুম,অত্যাচার,মামলা,জায়গা জমি ঘর বাড়ী বিক্রি এমনকি ঘরের টিন খুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে। অনেক সময় আজের্›ট ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে হালের বলদ,স্বর্ণলংকার বিক্রি করতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে। মাসে মাসে টাকা দিয়েও শেষ হয়না ঋণের টাকা। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেকেরই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ অনেক পরিবারের লোকজন পরিবার পরিজন ফেলে পালিয়ে জীবন যাপন করছে। ঈদগড়ের দরিদ্র পিড়ীত এলাকা গুলোতে সরকারের যথাযথ তদারকী ও পদেেপর অভাবে এ ধরনের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে এনজিও সংস্থা গুলো।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT