টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁও : শওকত এখন ওমানের কারাগারে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১২১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও::::: কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওর এক ব্যবসায়ী যুবক দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে ওমানের কারাগারে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। স্বজনরা এখনো যানতে পারেননি ঐ ব্যবসায়ী কি কারণে এবং সেখানকার কোন কারাগারে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, ঈদগাঁও জাগির পাড়ার মৃত ফজল করিমের পুত্র ব্যবসায়ী যুবক শওকতুল ইসলাম প্রায় আড়াই বছর পূর্বে আয়-উপর্জনের আশায় ওমান যায়। কবিলের সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়াই সে এ দীর্ঘদিন ব্যক্তিগত ভাবে আয়-উপার্জন করে কোনমতে চলে। দেশটির বিদিয়া নামক এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় সে থাকত। দূর্ভাগ্যক্রমে প্রায় আড়াই মাস আগে এক রাতে স্থানীয় পুলিশ তাকে বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায়। তার পাশাপাশি সেখানে অবস্থানরত কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী নতুন মহালের এক হিন্দু লোক তার আটকের খবরটি বাংলাদেশে অবস্থানরত শওকতের বড় ভাই রফিকুল ইসলামকে জানায়। কিন্তু ওমানের কোন কারাগারে তার অবস্থান তা স্বাজনদের নিশ্চিত করতে পারেন নি ঐ হিন্দু লোক। এদিকে আটকের ঘটনায় শওকতের স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে চরম হতাশা। তারা পরে ঐ হিন্দু লোকের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তার সঠিক অবস্থান জানতে চেষ্টা অব্যাহত রাখে। অনেক খোঁজা-খুঁজির পর হিন্দু লোকটি শওকতের প্রাথমিক অবস্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হন। পরে সে কারাগার থেকে বের করে তাকে দেশে স্বজনদের নিকট পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু করেন বলে মোবাইল মারফত জানায়। শওকতের ভাই রফিক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে তাকে স্বদেশে ফেরত আনতে বিমান ভাড়া বাবদ ১৮ হাজার টাকা হিন্দু পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে বলে এ প্রতিনিধিকে জানান।

রুবেল সভাপতি, ফারুক সাধারন সম্পাদক ঈদগাঁও লেখক সোসাইটি (ইএলএস)’র কমিটি গঠন এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৬/১০/২০১৩ইং একঝাঁক লেখকদের সংগঠন ঈদগাঁও লেখক সোসাইটি (ইএলএস)’র পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন উপলে ৬ অক্টোবর বিকালে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাব প্রাঙ্গনে এসএম রুবেল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার লেখক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি সাংবাদিক এম আবু হেনা সাগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার লেখক সোসাইটির নেতা জসিম উদ্দিন জয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন- ঈদগাঁও লেখক সোসাইটির সদস্য নুরুল কবির, ফয়সাল আল ফিরোজ, মোহাম্মদ নুর, আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ মোবিন, রায়হানুর কবির, ইব্রাহিম ও ফারুক। সভা শেষে উপস্থিত সকলের সর্ব সম্মতিক্রমে রামু কলেজের ছাত্র এসএম রুবেল উদ্দিনকে সভাপতি, কক্সবাজার সরকারী কলেজের ছাত্র মোহাম্মদ ওমর ফারুককে সাধারণ সম্পাদক, কক্সবাজার হাশেমিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ছাত্র মিজানুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং এম ইব্রাহিম ভুট্টোকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোনিত করা হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা আসছে ঈদগাঁওতে রেবতী মাষ্টার মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরন ১০ অক্টোবর এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৬/১০/২০১৩ইং। কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে রেবতী মাষ্টার মেমোরিয়াল ফউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মত প্রয়াত রেবতী মাষ্টারের পুত্র চট্টগ্রামস্থ পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ম্যানেজার রঞ্জন প্রসাদ দাশ গুপ্তের মহা আন্তরিক প্রচেষ্টায় তারই নিজ গ্রাম ঈদগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম ভোমরিয়াঘোনাস্থ মাষ্টার বাড়িতে আগামী ১০ অক্টোবর দিনব্যাপী চট্টগ্রামের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসদের তত্তাবধানের বৃহত্তর ঈদগাঁও’র অসহায় গরীব রোগীদের জন্য ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প ও ঔষুধ বিতরণ কার্যক্রমে মত মহতী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এই ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদান করবেন, সুদুর চট্টগ্রাম থেকে আগত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ- ডাঃ নূর মোহাম্মদ, পরিপাক তন্ত্র ও লিভারব্যাধি বিশেষজ্ঞ- ডাঃ বিনয় পাল, ট্রমা, হাঁড়জোড়া ও পঙ্গুরোগ বিশেষজ্ঞ- ডাঃ হারুণ অর রশিদ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ- ডাঃ অনুপম বড়–য়া, নাক,কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ- ডাঃ কে খিন উ (চ.চ), প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ- ডাঃ ফাহমিদা রশিদ (স্বাতী) ও অ্যাজমা, যা ও বব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডাঃ সরোজ কান্তি চৌধুরী। উল্লেখ্য, প্রয়াত রেবতী ইসলামবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোমরিয়াঘোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক ছিলেন। পিতার স্মরণে পুত্রের এই মানব সেবা। এ চিকিৎসা ক্যাম্পে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছেন দৈনিক আজকের কক্সবাজার। ====================== জেলাব্যাপী কবিরাজী ঔষুধি চিকিৎসার নামে চলছে নয়া প্রতারণার ফাঁদ!

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখ-০৬-১০-২০১৩ইং জেলা ব্যাপী কবিরাজী লতাপাতা ঔষুধি চিকিৎসার নামে চলছে নয়া প্রতারণার ফাঁদ! এসব প্রতারণা ব্যবসার প্রচার প্রসার ঘটাতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার গেইট, জনসমাগম এলাকায়, বিভিন্ন ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের দেয়াল সহ নানা প্রচার মাধ্যম হিসেবে কুরুচিপূর্ণ পোষ্টার ও হ্যান্ডবিল প্রচার থেমে নেই নানা স্থানে। শিার্থী সহ অনেক অভিভাবক এসব প্রচারপত্র দেখে নানা করুন পরিস্থিতিতে পড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের শীঘ্রই এসব লতাপাতা ঔষুধি চিকিৎসালয়ের বিরুদ্ধে অভিযানও দাবী করেছেন। নিরীহ মানুষ এসব কবিরাজী ঔষুধি লতাপাতার নামে  ভেজাল ঔষুধ খেয়ে নানান কঠিন  রোগে ভোগছেন বলে জানান অনেকে। এমনকি-গ্রামগঞ্জের অসহায় মানুষই সব চেয়ে বেশী প্রতারণার শিকার হচ্ছে। জেলায় যত্রতত্র স্থানে এসব কতিপয় লতাপাতার নামে চিকিৎসা কেন্দ্র গুলোকে নিয়ে সচেতন মহলের মাঝে নানান প্রশ্নের ঘুরপাক খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসব অপ-চিকিৎসা থেকে কবে মুক্তি পাবে নিরীহ সমাজ? আরো জানা যায়, নানা অখ্যাত-কুখ্যাত লতাপাতার নামে ঔষুধি কেন্দ্র গুলোর পরিচিতির স্বার্থে প্রতি হাট বাজারের দিন তাদের নিজস্ব লোক দিয়ে পোষ্টার, রংবেরঙ্গের হ্যান্ডবিল বিতরণ করে চলেছে নানা যানবাহন ও জেলার বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানের সামনে এবং বাজার কিংবা জনবহুল এলাকায়। আবার, জেলা শহর সহ উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হরেক রকম প্রচারপত্রে এসব কতিপয় চিকিৎসক যৌন দূর্বলতার চিকিৎসার নামে পুরুষ-মহিলা কিংবা তরুণ-তরুণীদের নানা উপায়ে লোভে ফেলার প্রাণপর চেষ্টা অব্যাহত থাকে। অন্যদিকে, হরেক রকম লতাপাতা ও ভেষজ ঔষুধের নামে মেশানো হচ্ছে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট। শহরসহ জেলা জুড়ে নানা স্থানে এই লতাপাতা ঔষুধি কেন্দ্রের অপতৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। তাছাড়া  জেলার বিভিন্ন স্থানে এধরণের হীন ব্যবসার আড়ালে চলছে রমরমা বাণিজ্য। উল্লেখ্য, এসব কতিপয় প্রতিষ্ঠান গুলো বিভিন্ন পত্রিকায় নানা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকার বিজ্ঞাপন প্রচার-প্রসারের প্রতিদ্বন্দিতায় নেমে পড়ছে। অপর দিকে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বাজারবার কিংবা হাটবাজারে যত্রতত্র স্থানে মাইকে নানা অঙ্গ-বঙ্গি দেখিয়ে ক্যাম্পাসের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের সহজ-সরল লোকজনদেরকে বিপদ মুখী করে তোলছে বলে সচেতন মহল সহ শিার্থী সমাজের অভিভাবক মহলের অভিযোগ। =============

ঈদগাঁওতে আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে গরু চোর সিন্ডিকেট সক্রিয় এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৬/১০/২০১৩ইং।  কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন পয়েন্টে গরু চোর সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে করে এলাকা বাসী পাহারা দিয়েও রেহায় পাচ্ছেনা কোনমতেই। আর এসব দুর্বৃত্বরা নিরাপদ হিসেবে ব্যবহার করছে ইউছুপেরখীল- ডুলাফকির মাজার সড়ক, বোয়াল খালী সড়ক, কবি নুরুল হুদা সড়ক নাপিত খালী- চৌফলদন্ডী সড়ক। সা¯প্রতিক সময়ে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় গরু চুরির ঘটনা আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা যায়, বিগত ৩০ দিনের ব্যবধানে একাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। আসন্ন ঈদুর আযহাকে টাগের্ট করে সংঘবদ্ধ আধুুনিক ষ্টাইলের এসব দুর্বৃত্বেও দল আরো বেশি সক্রিয় হচ্ছে । পাল্লা দিয়ে গরু মালিকরা রাত জেগে পাহারা বসালেও চুরি ঠেকাতে পারছেনা। সাম্প্রতিক সময়ের ভিন্ন ষ্টাইলের একটি ঘটনা সচেতন মহলের বিবেককে নাড়া করছে। এসবের কারনে আতংকের মাত্রা তীব্রকর হয়ে উঠছে। সূত্রগুলো মতে, একটি পিকআপ, ২টি সিএনজি ও ২টি মোটর সাইকেলের একটি বহর বেশ কয়েক বছর ধরে ঈদগাঁও ইসলামাবাদ পোকখালী ইসলামপুর ও চৌফলদন্ডী সহ ইউনিয়নসমূহের প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চলে দিবাগত মধ্যরাতে আকস্মিক হানা দিয়ে গৃহপালিত গবাদি পশু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। গত ১ মাসে বিভিন্ন স্থান হতে হালেল বলদ, দুগ্ধ গাভী, কোরবানী হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে পোষ্য দেশী বিদেশী জাতের বলদ মিলে প্রায় একাধিক টি পশু চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। জালালাবাদ ও ইসলামাবাদ ইঊনিয়নের দু’জন জানান, তাদের গোয়াল ঘর থেকে পৃথক পৃথক ভাবে ৪টি গরু চুরি হয়েছে। টেকপাড়ার পুতন আলী জানান, বানিজ্যিকভাবে লালন পালন করা তার ২ টি গরু উক্ত গাড়ির বহরের কবলে পড়ে চুরি হয়। গরুগুলোর মূল্য প্রায় অর্ধ লাধিক টাকা। একই এলাকার আরেকজন জানান, প্রায় ৩৫ হাজার টাকা মূল্যমানের তার ১টি বলদ চুরি হয়েছে। এছাড়া সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার রাতে। দুর্বূত্বেও দল পোকখালী ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার শফি আলমকে তারই গোয়াল ঘরে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে ৩টি গরু নিয়ে যায়। যার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা হবে বলে তার ধারনা। এর পূর্বে মিয়াজী পাড়া, মাইজ পাড়া চৌফলদন্ডী সহ বিভিন্ন স্থানে চুরির ঘটনা ঘটে। এলাকার সচেতন ব্যক্তিবর্গের মতে, চুরি রোধে বাস্তবধর্মী পদপে গ্রহন জরুরী হয়ে দাড়িয়েছে। এ ব্যাপাওে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসির মতে, পুুলিশ জনগনের বন্ধু। পুলিশকে সহায়তা করলে জনগনেরই লাভ। আর টহল পুলিশ এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছে বলেও জানান। ================    ঈদগাঁওতে একাধিক করাতকলের দৌরাতœ বৃদ্ধি

এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০৬/১০/২০১৩ইং কক্সবাজার সদর উপজেলা ঈদগাঁও বাজার সহ আশপাশ্বের বাজার গুলোতে ডজনাধিকেরও বেশি অনুমোদনহীন করাতকলের দৌরাতœ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে রেহায় পাচ্ছেনা সরকারের সংরতি সামাজিক বনায়নের গাছপালা। বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ৬ ইউনিয়নের বাজারসহ প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে ডজনাধিকের ও বেশি সংখ্যক করাতকলে দিবারাত্রি প্রকাশ্যে চলছে সরকারী বনাঞ্চল ও সামাজিক বনায়নের গাছপালা চিরাই। সংঘবদ্ধ কাঠচোর সিন্ডিকেট চক্র দিনের পর দিন এসব অবৈধ স‘মিল(করাতকল) দেদারছে চালু রেখে সরকারী বনাঞ্চলের অপূরণীয় তি সাধন সহ পরিবেশের ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করে যাচ্ছে। বনাঞ্চল নিধনের েেত্র ভয়াবহ তির কারণ হচ্ছে অনুমোদনহীন এসব স‘মিল। বিশাল এলাকার যত্রতত্র স্থান জুড়ে একাধিক স‘মিল স্থাপিত হওয়ায় কাঠ চোরেরা সরকারের সংরতি বাগানের মূল্যবান গাছ কেটে করাত কলে সাইজ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জনস্বার্থে এসব সরকারী সম্পদ রায় এই হীন করাতকলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান জরুরী হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন সচেতন মহল। অন্যথায় বৃহত্তর ঈদগাঁও‘র বনভূমি বিরান ভুমিতে পরিণত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এছাড়া ঈদগাঁও এলাকার বিভিন্ন সড়ক দিয়ে দিন রাত্রীতে নানা যানবাহনের মাধ্যমে মূল্যবান কাঠ সহ ছোট বড় গাছের লজ্জ্যা বন থেকে কেটে নিয়ে আসতে দেখা যায়। এ বিষয়ে ঈদগাঁও ভোমারিয়া ঘোনা  বনবিটের রেঞ্জ কর্মকর্তা এ.কে.এম আজাহারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ঈদগাঁও সহ সদরে অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান।

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT