টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁওয়ে হরেক রকমের ফলে ফরমালিন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৩
  • ৯৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম , আরমান জাহান , ঈদগাঁও প্রতিনিধি- কক্সবাজারের সদরের ঈদগাঁও বাজারের হরেক রকমের ফলে ফরমালিন ছেয়ে গেছে । এতে স্বাস্থ্য সমস্যা চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে। অত্র বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আম , কলা , আঙ্গুর , আপেল ইত্যাদি ফলকে অনেক দিন পর্যন্ত টাটকা রাখতে ফরমালিন মিশিয়ে ক্রেতাসাধারনের কাছে দিব্যি বিক্রি করছে। এতে জনসাধারনের আন্সার ও ক্যান্সার সহ নানাবিধ কঠিন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। সরে জমিনে লক্ষণীয় , ইসলামপুর , ইসলামাবাদ ্, জালালাবাদ, চৌফলদন্ডী, পোকখালী , ঈদগাঁও পার্র্শ্ববর্তী ভারুয়াখালী ও খুটাখালী ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের মানুষ তাজা ও টাটকা ইত্যাদি পণ্য কিনতে ঈদগাঁওমুখী হওয়ায় অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য বহুদিনের পড়ে থাকা ফলকে ফরমালিন মিশিয়ে ,সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে আনা পণ্য বলে অসাধু ব্যবসায়ীরা চালিয়ে দেয়। এছাড়া বর্ষার মওসুমে এসব ফল বিক্রি কম হওয়ায় ব্যবসায়ীরা পণ্যগুলো যাতে নষ্ট হয়ে না যায় সেজন্য এসব ফল-ফলাদিতে ফরমালিন মিশিয়ে অনেকদিন যাবত টাটকা অবস্থায় রেখে দেয়। এতে ফলের উপরের অংশ টাটকা মনে হলেও ভিতরের অংশ নরম হয়ে যায়। ফলে অত্র ফল-ফলাদিগুলোর আসল স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। এরকম ফরমালিন যুক্ত ফল-ফলাদিগুলো খেয়ে ঈদগাঁওয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষগুলো প্রতিনিয়ত ডায়রিয়া , কলেরা ,আমাশয় ও বেদহজম ইত্যাদি রোগ সহ নানা কঠিন ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। বিভিন্ন ফল-ফলাদিতে যাতে ফরমালিন মিশাতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টকে কর্তৃপক্ষকের আশু হস্তপক্ষেপ জরুরী বলে দাবী করেছে এলাকার সচেতন মহল। প্রশাসনের হস্তেপক্ষেপ জরুরী।                  আন্ডার ওয়াল্ডের ডন আরিফের অপ্রতিরোধ্য ইয়াবা ব্যবসা। নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ (এম  আরমান জাহান , ঈদগাঁও প্রতিনিধি) কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও বার্মাইয়া আরিফ সমপ্রতি আন্ডার ওয়ার্ডের ডন হিসেবে আবির্ভূত হয়ে ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড প্রশাসনের অগোচরে চালিয়ে দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় , বর্ণিত আরিফ ২০০০সালের দিকে বার্মা হতে বাংলাদেশে স্ব পরিবারে চলে এসে অত্র এলাকার গরু বাজারের এক ভাডাটি বাসায় উঠে। এর পর পরই সে ধীরে ধীরে এলাকাসহ সদরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সাথে সক্রতা গডে তুলে নিজস্ব বাহিনী তৈরি করে প্রশাসনের আড়ালে হিরোইন , গাজা ও মদ বিক্রি শুরু করে। এগুলো বিক্রি করে তত লাভবান হতে না পারায় গত কয়েক বছর ধরে তার সৃষ্ট বিশাল বাহিনীর মাধ্যমে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি শুরু করলে সে ও তার বাহিনীর সদস্যরা দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হতে শুরু করে। তার পিতা ছলিম (৩৮) ও ভাই রিকশা চালালেও একসময় তার রাইট ও লেপ্ট হেন্ড হিসেবে কাজ শুরু করলে তাদের চাল- চলনে সন্দেহ হলে সচেতন মহল তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ সৃষ্টি করলে আবাসন পরিবর্তন করে ভাদীতলা ব্রিজের পাশের কলোনীতে বাসা ভাড়া নিয়ে আবারো ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে সে লাখপতি থেকে কোটিপতি বনে যায়। পুলিশ চলতি মাসে তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করলে রহস্যজনক কারণে সে পুলিশের হাত থেকে নিস্তার নিয়ে নুতন কৌশল অবলম্বন করে ভাইকে বিদেশ পাঠিয়ে নিজে বিক্রি না করে ভাইয়ের স্থলে আরেকজনকে দায়িত্ব অর্পন করে। এর পর সে গাঁ ঢাকা দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ইয়াবা ব্যবসা ফের আবার শুরু করে নতুন আঙ্গীকে হোন্ডা  , মোল্লা ও ছাত্র বাহিনীর গঠনপূর্বক এ  ত্রি বাহিনীর ছত্রছায়ায় সদর , কুতুবদিয়া , মহেশখালী , চকরিয়া ও পেকুয়ার  প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ মাদক দ্্রব্য সরবরাহ করছে বলে জানায় নাম প্রকাশে অনিশ্চুক অনেক ব্যবসায়ী , শিক্ষক ও এলাকার সচেতন লোক। হোন্ডা বাহিনীর দ্বারা দূরবর্তী জায়গায় , মোল্লা বাহিনীর দ্বারা সদরের ভিতরের বিভিন্ন স্থানে অন্যদিকে ছাত্রদের দ্বারা প্রশাসনিক অফিসের প্শ্বাবর্তী এলাকায় ইয়াবা পাঠানোর  কাজ সম্পন্ন করে। এ বাহিনীদ্বয় স্থানীয় হওয়ায় সহজে প্রশাসনকে বোকা বানিয়ে  জমজমাট ইয়াবা ব্যবসা চাালিয়ে যাচ্ছে। এ বাহিনীর সদস্যরা সম্প্রতি সুন্দরী পতিতাদের দিয়ে বিদেশ হতে আসা মানুষদেরকে পঠিয়ে একপর্যায়ে দেহ লোভের শিকার করে ঈদগাঁও বাজার এলাকার বিভিন্ন ভাড়াটি বাসায় আনে। এরপর অশালীন অবস্থায় ছবি ধারণ করে ফেইস বুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভোক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ ,লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানায় নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এলাকাবাসী। শুধু তাই নয় এ বাহিনীর সদস্যরা বড় বড় চুরি , ছিনতাই সহ ডাকাতির মত কাজে ও পিছিয়ে নেই বলে জানান এলাকাবাসী। চলতি মাসে তার বাহিনীর লিডাররা প্রতিবেশির থেকে হোন্ডা চুরি করে। পরে জানতে পেরে প্রতিবেশি বাইক মালিকের সাথে তাদের সংঘর্ষ হলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে ডন সদস্যরা আহতবস্থায় পালিয়ে যায়। শুধু তাই নয় বিভিন্ন এলাকার খারাপ মেয়েদেরকে গরুবাজর সংলগ্ন ভাড়া বাসাগুলোতে এনে মদ্যপবস্থায় আমোদ প্রমোদ করতে পিছপা হয়না আরিফ বাহিনীর সদস্যরা।এতে কেউ বাধা দিলে তাকে বিভিন্ন সময় শারিরিক ও মানসিক নাজেহালের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আস্তে আস্তে গড়ে উঠা ইয়াবা ডন আরিফকে শ্রীগ্রই গ্রেফতার করে যথাপোযুক্ত শাস্তি না দিলে দক্ষিণ চট্টলায় জন্ম নেবে যুব সমাজ ধ্বংসের ভয়ংকর এক সন্ত্রাস।

ঈদগাঁওতে টানা বর্ষনেও জমজমাট ঈদ কেনাকাটা এম , আরমান জাহান ,ঈদগাঁও প্রতিনিধি- কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওয়ে ৪ দিনের লাগাতার প্রবল বর্ষনে জনজীবনে স্থবিরতা নামার কথা থাকলেও আসন্ন ঈদ উপলক্ষে জমজমাট ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতির কারণে অত্র বাজারের শফিং মলের চিত্র ব্যতিক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরে জমিনে লক্ষণীয় , ১৮ রোজার অতিক্রমে ঈদের মাত্র আর ১১/১২ দিন অবশিষ্ট থাকায় বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের জালালাবাদ ,ইসলামাবাদ , ইসলামপুর , পোকখালী , ঈদগাঁও , খুটাখালী, ভারুয়াখালী ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঈদমুখী মানুষেরা অত্র সময়ে ঈদকেনাকাটা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমপ্রতি লাগার বর্ষনে প্রত্যেক শফিং মলে ক্রেতা সাধারনের ভিড় কম হতে পারার সম্ভাবনা থাকলে ও বাস্তবে তার উল্টো চিত্রটা দেখা যাচ্ছে।বৃষ্টি যতই বাড়ছে সমানুপাতিক হারে ততবেশি গ্রাহক ভিড়ে শফিং মল হয়ে উঠেছে জমজমাট । মজার বিষয় লক্ষণীয় বৃষ্টির কারণে গ্রাহকরা এক শফিং মল হতে অন্য শফিং মলে গিয়ে পণ্য যাচাই করতে না পারায় প্রত্যেক শফিং মলে দেদারচে কাপড়া চোপড় বিক্রি হচ্ছে। একারণে এ বৃৃষ্টি প্রত্যেক শফিং মলের জন্য আশির্বাদ রূপে গণ্য হচ্ছে। বাণিজ্যিক এ বাজার বৃষ্টির মাঝে ও রাত -দিন উপচে পড়া ক্রেতাসাধারণের ভিড়ে জমজমাট রয়েছে। অত্র অঘোষিত উপজেলা সদৃশ বিরাট অঞ্চলের বিশেষ করে হাজার হাজার প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা রাত দিন সারাক্ষণ ঈদ পণ্য কেনায় অত্র বাজার হয়ে উঠেছে ব্যস্তময় এক বাজার। অন্যদিকে মধ্যবিত্ত ও দিনমজুর পরিবারের সদস্যরা হকার মার্কেট ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় করায় ফুটপাতের দোকানে উপচে পড়া ক্রেতা ভীড় । বৃষ্টির পশলা কোন মতে প্রভাব ফেলতে পারছেনা ঈদমুখী মানুষের জমজমাট কেনাকাটার এ ধুমে।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT