টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁওয়ে উৎকোচ দাবী করতে গিয়ে উত্তম মধ্যমের শিকার মেহেরঘোনা হেডম্যান

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১৩৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও::::নির্মানাধীন স্থাপনায় উৎকোাচ দাবী করতে গিয়ে উত্তম মধ্যমের শিকার হলেন কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও মেহেরঘোনা বিটের হেডম্যান মোস্তাক আহমদ। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে ১১ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যার দিকে মহাসড়কের ঈদগাঁও কলেজ গেইট সংলগ্ন এলাকায়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সম্প্রতি মহাসড়ক সংলগ্ন বসবাসকারী এক ব্যক্তি তার দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জায়গার উপর স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। এর পর থেকে উক্ত হেডম্যানের নেতৃত্বে কিছু চাঁদাবাজ শ্রেণীর লোক বন বিভাগের ভয় দেখিয়ে জায়গা মালিক  পক্ষের কাছ থেকে কয়েক দফায় উৎকোাচ দাবী শুরু করে। ব্যার্থ হয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আবারও উৎকোচ দাাবী করতে গিয়ে মালিক পক্ষের লোকজনের মারধরের শিকার হয়ে উক্ত হেডম্যান উপস্থিত লোক জনের সহযোগীতায় কোন রকম পালিয়ে রক্ষা পায়। এ ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দীর্ঘদিন ধরে ঐ হেডম্যানের চাঁদাবাজীর বিভিন্ন তথ্য লোকজনদের ফাঁস করতে শুরু করে। অনেকেই তার মারধরের সংবাদে উচ্ছাস প্রকাশ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ উক্ত রেঞ্জ ও বিটে কর্মরত কর্মকর্তাদের আসকারায় এ হেডম্যান একের পর এক এ জাতীয় অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। রসিক শ্রেণীর কতিপয় লোকজনকে বলতে শুনা যায় ফাঁন্দে পড়ে এবার বগা কাঁন্দে।

==================================

কাবিন-গায়ে হলুদ সবই হলো ঈদগাঁওয়ে যৌতুক লোভী স্বামীর কারণে বউ সেজে শ্বশুর বাড়ি যাওয়া হলোনা ষোড়শী তরুনীর

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি কাবিন, গায়ে হলুদ ও বিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনসহ সবই হলেও যৌতুক লোভী প্রবাসী স্বামীর ঘরে বউ সেজে যাওয়া হলোনা এক তরুনীর। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, উক্ত এলাকার ছৈয়দুল হকের সুন্দরী কন্যা ডেজী (ছদ্ম নাম) এর সাথে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঈদগাঁও কাজী অফিসে ৬ লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য্য মূলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে কাবিন নামা সম্পন্ন হয় একই উপজেলা ভারুয়াখালী ইউনিয়নের নানা মিয়া পাড়া গ্রামের হাজী সিকান্দরের পুত্র দিদারুল ইসলামের। ওই দিনই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্নের দিনক্ষণ ধার্য্য করে ১২ সেপ্টেম্বর। স্বাভাবিক ভাবে উভয় পরিবার বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্নের প্রস্তুতিও নিতে শুরু করে। অনুষ্ঠানের পূর্বের দিন ১১ সেপ্টেম্বর কনে পক্ষ মেয়ের সুখ-শান্তির কথা চিন্তা করে তাদের সাদ্য মত কিছু উপহার সামগ্রী বরের বাড়িতে পৌছে দেয়। কিন্তু লোভী স্বামীর তা মনপুত না হওয়ায় বিয়ের পূর্বের দিন রাতেই বেঁকে বসে। তার চাহিদা না মেঠালে কোন ভাবেই পরদিন বউ ঘরে তুলবে না বলে জানিয়ে দেয়। কিন্তু কনে পক্ষের লোকজন অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। এমনকি তরুনীও গায়ে হলুদ সহ বউ সাজার প্রতিক্ষায় মিনিট ঘন্টার প্রহর গুনলেও শেষ পর্যন্ত বউ নিতে আসেনি বর পক্ষ। এতেই কনে ও তার পরিবারের মাথায় আসমান ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়। তার পরও তারা দফায় দফায় বর পক্ষের সাথে আপৌষ মিমাংসার চেষ্টা করে কোন রকম মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়। সব চেষ্ঠা বিফলে যায় যখন বর পক্ষ উল্টো মডেল থানায় মেয়ে পক্ষের বিরুদ্ধে সাজানো অভিযোগ তুলে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এদিকে কনে পক্ষ তার পরও মেয়েকে বউ সাজিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠানোর আশা ছেড়ে না দেয়ায় রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বর পক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত কোন অভিযোগ করে নি। এ ব্যাপারে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ টু-এসআই নাছির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি থানায় বর পক্ষ কর্তৃক অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন, মেয়ে পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। এ ঘটনার সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজনের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়। ঈদগাঁও অনলাইন প্রেসকাবের উদ্যোগে সাংবাদিক আড্ডা সম্পন্ন

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ১২-০৯-২০১৩ ইং। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে বিভিন্ন স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্র-পত্রিকার সাংবাদিকদের নিয়ে ব্যতিক্রমী এক “সাংবাদিক আড্ডা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদগাঁও অনলাইন প্রেসকাবের উদ্যোগে ঈদগাঁও বাজারের হোটেল পূর্বানীর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘অবহেলিত ও উন্নয়নবঞ্চিত ঈদগাঁও জনপদের উন্নয়ন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক উক্ত অনুষ্ঠান ১২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫ টায় শুরু হয়। ২০/২৫ জন সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আরম্ভ হওয়া অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন দৈনিক কর্ণফুলীর প্রতিনিধি এনামুল হক ইসলামাবাদী। ৬/৭ টি প্রশাসনিক ইউনিয়ন ও বিপুল জনগোষ্টী অধ্যুষিত বৃহত্তর ঈদগাঁও জন পদের উন্œয়ন ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় অংশ গ্রহন করে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন, মো. শাহজাহান সিরাজ (আজকের দেশ বিদেশ), এস. এম. তারেক (রূপসী গ্রাম/পূর্বকোণ), নুরুল আমিন হেলালী (কক্সবাজার বাণী), এম. আরমান জাহান (বাঁকখালী/জাতীয় অর্থনীতি), ইত্যাদি খ্যাত শিক্ষক ও কলামিষ্ট মো. নুরুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন (আপন কন্ঠ), এম. আবু হেনা সাগর (আজকের কক্সবাজার), মোজাম্মেল হক (আপন কন্ঠ), কামাল শিশির (দৈনিক সাঙ্গু), আজাদ মনছুর (আপন কন্ঠ), মোহাম্মদ আলম বিশাল (সমুদ্র কন্ঠ), ফিরোজ আহমদ (কক্সবাজার বার্তা) প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন ঈদগাঁও নিউজ ডট কম’র ক্রীড়া প্রতিবেদক সাকলাইন মোস্তাক। অনুষ্ঠান আয়োজন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ঈদগাঁও অনলাই প্রেস কাব সভাপতি কাফি আনোয়ার, সাধারণ সম্পাদক রোমেনুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক। কক্সবাজার জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদ ও লবণ, চিংড়ি এবং অপরাপর প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ বৃহত্তর ঈদগাঁওকে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক উপজেলায় উন্নীতকরণসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তম বাণিজ্য কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও এতদাঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ কল্পে লেখনির মাধ্যমে জোরালো ভূমিকা রাখার ব্যাপারে উপস্থিত সাংবাদিকরা একমত হন।

সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের ল্েয চৌফলদন্ডী- মহেশখালী নৌ-পথে ফেরী সার্ভিস চালুর দাবী এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ১২-০৯-২০১৩ইং পর্যটক, স্থানীয়দের ভীতিমুক্ত ও সময়-অর্থ সাশ্রয়ের লে  চৌফলদন্ডী- মহেশখালী নৌ পথে ফেরী সার্ভিস চালুর দাবী জানিয়েছেন  এলাকাবাসী। ঐ নৌ পথে ফেরী চালু করলে নিরাপদে দীপাঞ্চলে  যাতায়াত করতে পারবে লোকজন। তাছাড়া পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুবিধা জনক মাধ্যাম হবে। অন্যদিকে,চৌফলদন্ডী- খুরুশকুল- কক্সবাজারের গ্রামীন যোগাযোগ সড়কটির আমুল পরিবর্তন ঘটবে বলে জানান অনেকে। জানা যায়, বিগত ৩ সেপ্টেম্বর  মহাজোট সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকূল বাসির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন চৌফলদন্ডী যোগাযোগ সেতু উদ্ভোধনের মধ্যে দিয়ে ঈদগাঁও- কক্সবাজার আঞ্চলিক সড়কের যাত্রা শুরু হয়েছে। এদিকে চৌফলদন্ডী সেতু সংলগ্ন হতে দ্বীপ উপজেলা খ্যাত মহেশখালী – গোরকঘাটা খুবই কাছাকাছি। এ নৌ পথে কোন মোহনা কিংবা উত্তাল ঢেউ নেই। তাই উক্ত স্থানে ফেরী সার্ভিস চালু করলে, সর্বশ্রেণীর লোকজনের যাতায়াত, ব্যবসা বানিজ্য সহ ব্যাপক েেত্র উপকার হবে এমন মন্তব্য পথচারী সহ স্থানীয় জনদের। অন্যদিকে, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বিভিন্ন দেশের লোকজন ভ্রমনে আসে। পর্যটকেরা বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের আনন্দ উপভোগের পরপরই মহেশখালী আদিনাথ দর্শন করতে যায়। কিন্তু তাদের কে চকরিয়া হয়ে বহুদূর অতিক্রম করে বহু টাকা ব্যয়ের মাধ্যমে মহেশখালীতে যেতে হয়। যদি চৌফলদন্ডী- মহেশখালী নৌ পথে ফেরী সার্ভিস চালু হয়, তাহলে অল্প সময়ে নদীর মাঝ পথে ভ্রমনের মধ্যে দিয়ে পর্যটকেরা মহেশখালীতে অনায়াশে ঘুরে আসতে পারবে। ঠিক একই মত পোষণ করে দৈনিক আজকের কক্সবাজারকে চৌফলদন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম জানান, ফেরী চালু হলে সর্বধিকে উপকৃত হবে এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে যথাযত কতৃপরে সুনজর কামনা করেছেন বিশাল এলাকার জনগোষ্ঠি। ———————————- ঈদগাঁওতে রেবতী মাষ্টার মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি হেল্থ ক্যাম্পের জরুরী সভা আজ এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ১২/০৯/২০১৩ইং। কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে রেবতী মাষ্টার মেমোরিয়াল ফউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি হেল্থ ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ উপল্েয আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) জরুরী সভা। প্রথমবারের মত প্রয়াত রেবতী মাষ্টারের পুত্র চট্টগ্রামস্থ পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ম্যানেজার রঞ্জন প্রসাদ দাশ গুপ্তের মহা আন্তরিক প্রচেষ্টায় নিজ গ্রাম ঈদগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম ভোমরিয়াঘোনাস্থ মাষ্টার বাড়িতে আগামী ১০ অক্টোবর দিনব্যাপী চট্টগ্রামের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসদের তত্তাবধানের বৃহত্তর ঈদগাঁও’র অসহায় গরীব রোগীদের জন্য ফ্রি হেলথ্ ক্যাম্প ও ঔষুধ বিতরণ কার্যক্রমে মত মহতী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এই ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদান করবেন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ- ডাঃ নূর মোহাম্মদ, পরিপাক তন্ত্র ও লিভারব্যাধি বিশেষজ্ঞ- ডাঃ বিনয় পাল, ট্রমা, হাঁড়জোড়া ও পঙ্গুরোগ বিশেষজ্ঞ- ডাঃ হারুণ অর রশিদ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ- ডাঃ অনুপম বড়–য়া, নাক,কান ও গলারোগ বিশেষজ্ঞ- ডাঃ কে খিন উ (চ.চ), প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ- ডাঃ ফাহমিদা রশিদ (স্বাতী) ও অ্যাজমা, যা ও বব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডাঃ সরোজ কান্তি চৌধুরী। এই নান্দনিক অগ্রযাত্রাকে সফল করতে আজকের জরুরী সভা সকাল ১০টায় ঈদগাঁও পশ্চিম ভোমরিয়াঘোনাস্থ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান, ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডাঃ সনজিত দাশ। উল্লেখ্য, প্রয়াত রেবতী ইসলামবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোমরিয়াঘোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক ছিলেন।    ——————————————- ঈদগাঁওতে কম্পিউটার দোকানে ভেজাল সনদ সহ আই.ডি কার্ড তৈরীর হিড়িক এম.আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও তাং- ১২/০৯/২০১৩ইং সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে কম্পিউটার দোকানগুলোতে ভেজাল সনদ সহ আই.ডি কার্ড তৈরীর গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে সচেতন মহলের প থেকে। নাফ-নদী দিয়ে পালিয়ে আসা মায়ামারের নাগরিক (রোহিঙ্গা)দের ভূঁয়া আই.ডি কার্ড সহ ভেজাল সনদ তৈরী চলছে। এতে করে, অবৈধ নাগরিকেরা নানা প্রকার সুযোগ-সুবিধা হাছিল করছে। জানা যায়, ঈদগাঁও বাজার- বাসষ্টেশন কেন্দ্রীক বাণিজ্যিক কম্পিউটার গুলোতে কালো টাকার বিনিময়ে আসল জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম ঠিকানা ও নাম্বার পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে প্রিন্ট করার হিড়িক চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বিদেশ পাড়ি জমানোর লে বয়স কম হওয়ার অযুহাত দেখিয়ে আত্মীয় স্বজনেরা কম বয়সী যুবককে বেশি বয়স দেখানোর স্বার্থে পরিচয় পত্র কিংবা জন্ম নিবন্ধনটি স্ক্যানার করে নাম ঠিকানা ও বয়স পরিবর্তন পূর্বক পাসপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। ঐ কতিপয় বাণিজ্যিক কম্পিউটার ব্যবসায়ীরা আদৌ কি চিন্তা করছে- এরা প্রকৃত দেশীয় না রোহিঙ্গা। এনিয়ে সচেতন মহলের মাঝে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নাফ নদী দিয়ে এ দেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারাও জাতীয় পরিচয় (নকল) পত্র তৈরি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এছাড়া বৃহত্তর ঈদগাঁও ৬ ইউনিয়নের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের অসহায় ও অশিতি লোকজন নানা মাধ্যমে আদম শিকার করে এদেরকে জাতীয় পরিচয় পত্রের মত হুবুহু পরিচয় পত্র, জন্ম নিবন্ধনসহ নানা সনদ তৈরি করে দিচ্ছে কালো টাকার বিনিময়ে। আর এই প্রতারক চক্রকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজে উঠা কম্পিউটারের দোকানসহ ডিজিটাল ফটো প্রিন্টের দোকানীরা। এই নকল জাতীয় পরিচয় ব্যবহার করে স্থানীয় জনগণের তি করার আশংকা দেখা দিয়েছে বলে অনেকের অভিমত। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন সহ গোয়েন্দা সংস্থার সু-নজর দাবী করছে সচেতন মহল। ——————————–

ঈদগাঁও পুলিশের অভিযানে ৬ জুয়াড়ি আটক, পরে মুছলেখায় ছাড়! এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ১২/০৯/২০১৩ইং। সদর উপজেলার ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অভিযানের ৬ জুয়াড়িকে আটক করলেও পরে অভিভাবকদের কাছে মুছলেখায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। জানা যায়, ১১ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তারা মেহেরঘোনাস্থ নূর-এ কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছয় জুয়াড়িকে  আটক করা হয়। আটককৃতরা, ঈদগাঁও ইউনিয়নের সাতঘরিয়া পাড়ার সুরুত আলমের পুত্র টিপু কামাল, একই এলাকার মোস্তাক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ কালু, মৃত মতলবের পুত্র আনু মিয়া, মোহাম্মদ জুয়েল এবং দণি মাইজ পাড়ার ছগির আহমদের পুত্র নুরুল ইসলাম সহ ছয়জন। এব্যাপারে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস.আই নাছিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি, ঐ ধৃত জুয়াড়িদেরকে অভিভাবকদের কাছে মুছলেখার ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ————————————

বৃহত্তর ঈদগাঁওতে মাদকের ছড়াছড়ি, বাড়ছে অপরাধ

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ১২-০৯-২০১৩ ইং। কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে মাদক স¤্রাটরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। জেলার ব্যাস্ততম বাণিজ্যকেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন মাদকস্পটসহ অপরাপর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায়ও বিস্তার লাভ করেছে রকমারী মাদক ও নেশাজাত দ্রব্যের অবাধ সরবরাহ ও বিকিকিনি। বাংলা মদ, গাঁজা, হিরোইন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন প্রকারের মাদক দ্রব্যের ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে ঈদগাঁও এলাকা। সন্ধ্যার পরেই মাদক সেবী ও মাদক স¤্রাটদের অবাধ বিচরণে সচকিত হয়ে উঠে ঈদগাঁও বাজারের চিহ্নিত মাদকস্পট গুলো। বিভিন্ন বয়সী নেশাখোর ও ক্ষেত্রবিশেষে বিপথগামী শিক্ষার্থীরাও নেশা ও মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। আর এ নেশার টাকা যোগাতে নেশাখোররা জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধে। ফলে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে দিনের পর দিন। প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকায় সংঘটিত হচ্ছে নানা রকম অপরাধ। স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্র-পত্রিকাসহ অনলাইন মিডিয়ায় এসব অপরাধের খবর এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। মাদকের উৎস অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাহাড়ি জনপদ ঈদগড় ও বাইশারীর বনজঙ্গল আকীর্ণ বিভিন্ন এলাকার পেশাদার মদ ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতকৃত বাংলা মদ ও চোলাইমদ ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়ক হয়ে ঈদগাঁও বাসষ্টেশন থেকে সড়ক পথে কলাকৌশলে আমিরাবাদ-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও উপকূলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডীর রাখাইন পাড়ায় উৎপাদিত বাংলা মদ চৌফলদন্ডী-ঈদগাঁও সড়ক দিয়ে সরবরাহ করা হয় বিভিন্ন এলাকায়। ঈদগাঁও বাজারের মাদক স্পট হিসেবে পরিচিত বাঁশঘাটা, বাসষ্টেশনের লালব্রীজ এলাকাসহ অপরাপর স্থানে নিয়মিত মদবিক্রেতা ও মাদক সেবীদের আড্ডা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। গাঁজা, হিরোইন ও ফেনসিডিল আসক্তরাও মাদক নিচ্ছে নিয়মিত। গাঁজা ও হিরোইনের চালান প্রধানত চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কুমিল্লার ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে আসে বলে জানা গেছে। কয়েকদিন আগে এরকম এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ঈদগাঁও মেহেরঘোনা থেকে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক করে স্থানীয় জনগণ। মদ, গাঁজা, হিরোইন ও ফেনসিডিল ছাড়াও নেশাদ্রব্যের তালিকায় সম্প্রতি যোগ হয়েছে বিভিন্ন নাম ও লেভেলের এনার্জি ড্রিংক। সম্প্রতি ঈদগাঁও বংকিম বাজারে এরকম উত্তেজক পানীয়ের গুদাম ধরা পড়ে। এভাবে মাদকের অবাধ প্রবাহে বাড়ছে রকমারী অপরাধ। আর এসব অপরাধে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির ফলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। ৬/৭ টি প্রশাসনিক ইউনিয়ন ও বিপুল জনগোষ্ঠী সমৃদ্ধ বিশালায়তনের বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন পুলিশী অভিযান পরিচালিত হয়নি। বিভিন্ন সময়ে মদ ব্যবসায়ীরা আটক হলেও দূর্বল ধারায় চালান দেয়ায় আটকের কয়েকদিন পরে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসে ও দ্বিগুণ উদ্যমে শুরু করে মাদকের বেচা-কেনা। বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে  জেলা পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সুশীল সমাজ। ঈদগাঁওয়ে মেহেরঘোনা হেডম্যান উত্তম মধ্যমের শিকার

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫। নির্মানাধীন স্থাপনায় উৎকোাচ দাবী করতে গিয়ে উত্তম মধ্যমের শিকার হলেন কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও মেহেরঘোনা বিটের হেডম্যান মোস্তাক আহমদ। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে ১১ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যার দিকে মহাসড়কের ঈদগাঁও কলেজ গেইট সংলগ্ন এলাকায়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সম্প্রতি মহাসড়ক সংলগ্ন বসবাসকারী এক ব্যক্তি তার দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জায়গার উপর স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। এর পর থেকে উক্ত হেডম্যানের নেতৃত্বে কিছু চাঁদাবাজ শ্রেণীর লোক বন বিভাগের ভয় দেখিয়ে জায়গা মালিক  পক্ষের কাছ থেকে কয়েক দফায় উৎকোাচ দাবী শুরু করে। ব্যার্থ হয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আবারও উৎকোচ দাাবী করতে গিয়ে মালিক পক্ষের লোকজনের মারধরের শিকার হয়ে উক্ত হেডম্যান উপস্থিত লোক জনের সহযোগীতায় কোন রকম পালিয়ে রক্ষা পায়। এ ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন দীর্ঘদিন ধরে ঐ হেডম্যানের চাঁদাবাজীর বিভিন্ন তথ্য লোকজনদের ফাঁস করতে শুরু করে। অনেকেই তার মারধরের সংবাদে উচ্ছাস প্রকাশ করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ উক্ত রেঞ্জ ও বিটে কর্মরত কর্মকর্তাদের আসকারায় এ হেডম্যান একের পর এক এ জাতীয় অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। রসিক শ্রেণীর কতিপয় লোকজনকে বলতে শুনা যায় ফাঁন্দে পড়ে এবার বগা কাঁন্দে।

==================================

ঈদগাঁওয়ে যৌতুক লোভী স্বামীর কারণে বউ সেজে শ্বশুর বাড়ি যাওয়া হলোনা তরুনীর

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫। কাবিন, গায়ে হলুদ ও বিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনসহ সবই হলেও যৌতুক লোভী প্রবাসী স্বামীর ঘরে বউ সেজে যাওয়া হলোনা এক তরুনীর। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, উক্ত এলাকার ছৈয়দুল হকের সুন্দরী কন্যা ডেজী (ছদ্ম নাম) এর সাথে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঈদগাঁও কাজী অফিসে ৬ লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য্য মূলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে কাবিন নামা সম্পন্ন হয় একই উপজেলা ভারুয়াখালী ইউনিয়নের নানা মিয়া পাড়া গ্রামের হাজী সিকান্দরের পুত্র দিদারুল ইসলামের। ওই দিনই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্নের দিনক্ষণ ধার্য্য করে ১২ সেপ্টেম্বর। স্বাভাবিক ভাবে উভয় পরিবার বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্নের প্রস্তুতিও নিতে শুরু করে। অনুষ্ঠানের পূর্বের দিন ১১ সেপ্টেম্বর কনে পক্ষ মেয়ের সুখ-শান্তির কথা চিন্তা করে তাদের সাদ্য মত কিছু উপহার সামগ্রী বরের বাড়িতে পৌছে দেয়। কিন্তু লোভী স্বামীর তা মনপুত না হওয়ায় বিয়ের পূর্বের দিন রাতেই বেঁকে বসে। তার চাহিদা না মেঠালে কোন ভাবেই পরদিন বউ ঘরে তুলবে না বলে জানিয়ে দেয়। কিন্তু কনে পক্ষের লোকজন অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। এমনকি তরুনীও গায়ে হলুদ সহ বউ সাজার প্রতিক্ষায় মিনিট ঘন্টার প্রহর গুনলেও শেষ পর্যন্ত বউ নিতে আসেনি বর পক্ষ। এতেই কনে ও তার পরিবারের মাথায় আসমান ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়। তার পরও তারা দফায় দফায় বর পক্ষের সাথে আপৌষ মিমাংসার চেষ্টা করে কোন রকম মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠানোর চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়। সব চেষ্ঠা বিফলে যায় যখন বর পক্ষ উল্টো মডেল থানায় মেয়ে পক্ষের বিরুদ্ধে সাজানো অভিযোগ তুলে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এদিকে কনে পক্ষ তার পরও মেয়েকে বউ সাজিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠানোর আশা ছেড়ে না দেয়ায় রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বর পক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত কোন অভিযোগ করে নি। এ ব্যাপারে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ টু-এসআই নাছির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি থানায় বর পক্ষ কর্তৃক অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন, মেয়ে পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। এ ঘটনার সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজনের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

============================== বৃহত্তর ঈদগাঁওতে সার সংকটে কৃষকরা হতাশ

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫। কক্সবাজার সদরে বৃহত্তর ঈদগাঁও চলতি আমন মৌসুমে তীব্র সার সংকট দেখা দিয়েছে। কৃষকরা পড়েছে বিপাকে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ডিলারদের কাছে বরাদ্দকৃত সার সঠিক সময়ে কৃষকদের মাাঝে বিতরাণ না করে পার্শ্ববর্তী ঈদগড়-বাইশালীর রাবার প্লটে বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সার পাচার করে যাচ্ছে কিছু অসাধু ডিলারর মালিককরা। সদরের চৌফলদন্ডী, ঈদগাঁও পোকখালী, জালালাবাদ, ইসলামপুর, ইসলামাবাদসহ পার্শ্ববর্তী খুটাখালীতেও সারের প্রচুর সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে অনেক ডিলার মালিকরা সার মজুদ রেখেও দাম বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন অযুহাত সৃষ্টি করেছে। এরমধ্যে কিছু কিছু ডিলাররা সরকারী পরিদর্শনার্থীদেরকে দেখানোর জন্য নিজস্ব ডিলারে কিছু পরিমাণ সার থাকা সত্বেও দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। আমন মৌসুমের জন্য সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী জুলাই-আাগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে সার বরাদ্ধ দেয় হয়ে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় চাষীরা প্রয়োজনীয় সময়ে সার না পেয়ে চলতি বছরের আমন মৌসুমে প্রতি কানিতে ৪০ আরি ধানও আহরণ করতে পারবে না। অনেকে আমন ধানে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার দিতে না পারায় কৃষকরা সংকটে দিনাতিপাত করে যাচ্ছে। তাই অচিরেই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ডিলারদে তদারকি করার জন্য চাষী মহলরা ন্যায্য দাবী জানান।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT