টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

ঈদগাঁওয়ের সব খবর জানতে কিক করুন…

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বকলমের দু’কলম: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট  আসন্ন ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ বিষয়ক একটি ঘোষণা চাই। যা ‘কক্সবাজার ঘোষণা’ হিসেবে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকার (জাভাস) গঠন করা হোক ডা.সৈয়দ আবদুর রহমান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ (৩ সেপ্টেম্বর,২০১৩) কক্সবাজার সফরে আসছেন। এই খবর আমরা কক্সবাজারবাসির নিকট অত্যন্ত আনন্দের। কারণ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বারসহ গত একবছরের ভেতর দুইবার কক্সবাজার সফর করছেন। কক্সবাজারের মানুষকে ভালোবাসেন বলেই যে তিনি কক্সবাজার সফরে আসতে চান, এই কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসন্ন নির্বাচন বিষয়ে ‘জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকার’ (জাভাস) গঠন করার ঘোষণা দিয়ে ৩ সেপ্টেম্বরের এই কক্সবাজার সফরকে ইতিহাসের পাতায় রের্কড করে রাখবেন। আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকারিদল, বিরোধীদল, সুশীলসমাজ, বুদ্ধিজীবীসমাজ, পেশাজীবীমহল এবং দেশের সর্বস্তরের সচেতন সকল মানুষের মধ্যে এখন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এই আলোচনার সূত্রপাত করেছেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে। আসন্ন নির্বাচনে তত্ত্বাবধায় সরকার না দেয়ার সিদ্ধান্তে সাংবিধানিক পদ্ধতি ছাড়া নির্বাচন বিষয়ে ‘একচুলও নড়ব না’ বা ‘এবার তত্ত্বাবধায়ক আসলে কেয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতা ছাড়বে না’ অথবা ‘সংবিধান অনুযায়ী গণতান্ত্রিকভাবে বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে সারাদেশের সচেতন মহলের নিকট দারুন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। আর সাধারণ মানুষের মাঝে বয়ে যাচ্ছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। এই বিষয়ে এমন তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ার কারণ হলো বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আদালত কর্তৃক তত্তা¡বধায়ক সরকার পদ্ধতি বিলুপ্ত করে দেয়া হয়। যদিও মহামান্য আদালত ‘আগামীতে আরো দু’য়েক টার্ম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখা যেতে পারে’ বলে মত দিয়েছিলো বলে জানা গিয়েছিলো। ‘আগামী দু’য়েক টার্ম এই তত্তা¡¡বধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে  নির্বাচন কার্যক্রম চালাতে পারা যাবে’  আদালতের এই কথাটি সরকার কর্ণপাত না করে সংবিধান সংশোধন করে ওই ব্যবস্থাটা একেবারে বিলুপ্ত করে দিয়েছে । আদালতের শেষ কথাটি (আরো দু’য়েক টার্ম তত্তা¡বধায়ক সরকার ব্যবস্থা যেতে পারে) এখানে  বিবেচনায় আনলে এমন জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না দেশে। ওই আদালতের ‘আরো দু’য়েক টার্ম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখা যায়’ কথাটি মনে হয় দেশের সাধারণ মানুষের মনের কথা। ওই কথাটি  মানা হয়নি বলে এ নিয়ে তখন থেকে এখন পর্যন্ত ১৮ দলীয় জাতীয় ঐক্যজোটের সাথে নানা বিতর্ক চলে আসছে। ওই সময় থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারী দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এবং বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা  তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে-বিপক্ষে নানা কথাবার্তা বলে আসছেন। এই ইস্যুতে অনেক আন্দোলন হয়েছে , ঝরেছে অনেক রক্তও।  গত বছর খানেক আগে লন্ডনে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন নির্বাচকালীন দলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করার কথা ঘোষণা দেন, তখনই সাথে সাথে এ নিয়ে দেশের সাধারণ ও অসাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে থাকে। তখন থেকেই এখন পর্যন্ত পত্র-পত্রিকা, টক-শো, নগর-বন্দর ও হাট-বাজার, চায়ের দোকানসহ সবখানে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা চলতেই আছে। নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে কেমন সরকার হবে বা ওই সরকারের নিয়মাবলী ও ধরন-ধারণ বা সরকারের রূপরেখা নিয়ে নানা জনে নানা প্রস্তাব-ফর্মুলা দিয়ে যাচ্ছেন। আর গণমাধ্যমের সৌজন্যে এসব জানতে পারছে দেশের জনগণ। এই অধম বকলমও নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে একটি ‘ফর্মুলা’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য পেশ  করতে চাই। বিশেষ করে আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার একটি ফমূলা এখানে পেশ করতে চাই। যেহেতু মাননীয় প্রধামন্ত্রী আজ (৩ সেপ্টেম্বর,২০১৩) আমাদের কক্সবাজরে আগমন করেছেন। সুতরাং তিনি আজ আমাদের মেহমান। কারণ, আমাদের মাননীয় প্রধামন্ত্রী যদি আজ জনসভায় – ‘হ্যা,ঁ আগামী নির্বাচন নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হবে’ বলে ঘোষণা দেন, তাহলে এই ঘোষণা ‘কক্সবাজার ঘোষণা’ হিসেবে ইতিহাসে রেকর্ড হয়ে থাকবে।  এই সময়ে মাননীয় প্রধামন্ত্রীর এই একটি ঘোষণা দেশের জন্য অনেক কল্যাণ বয়ে আনবে বলে আমরা মনে করি। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি ঘোষণা শুনতে দেশের কোটি কোটি মানুষ অপেক্ষা করছে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে আগামী নির্বাচনকালী সময়ের জন্য ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ হোক ‘অন্তর্ববর্তি সরকার’ হোক বা ‘জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকার হোক’ যে সরকার হাক না কেন এই বিষয়ে একটি ঘোষণা শুনার দাবী জানাই আজ। এই সুযোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আজ  পেশ করতে চাই নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য আমার প্রণয়ন করা একটি ফর্মূলা । আমার এই  ফর্মুলাটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি বিবেচনায় এনে একটি ইতিবাচক ঘোষণা দেন তাহলে আমার মনে হয় সারাদেশে কোটি কোটি মানুষের কাছে আনেন্দের বন্যা বয়ে যাবে। আমার এই ফর্মুলা বা প্রস্তাটি  সবার যে গ্রহণযোগ্য হবে সে আশা করি না। আর একেবারে যে অগ্রহণযোগ্য হবে তাও মনে করি না। যা হোক আমি আমার এই ফর্মূলা বা প্রস্তাবখানা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নি¤েœ পেশ করা হলো।  মননীয় প্রধাননন্ত্রী, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষে ৯০ দিন আগে বর্তমান মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দিতে হবে এবং নিমে¥াক্ত ‘ সরকার’-এর কাছে নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করতে হবে। তিন মাস সময়ের মধ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও সবার গ্রহণযোগ্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সবাই এখন অধীর অপেক্ষা করে বসে আছেন। আমরা জানি অত্যন্ত অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত বিগত তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান তিন উপদেষ্টা সাবেক বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ, বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও বিচারপতি লতিফুর রহমান। তাঁরা দেশের সাধারণ মানুষ ও সব রাজনৈতিক দলের কাছেও অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ও সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে অবস্থান করছেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারে তাঁদের নেতৃত্বাধীন যে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো যথাক্রমে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে, তা দেশ-বিদেশে সবার নিকট অত্যন্ত প্রসংশিত ও গ্রহণযোগ্য হয়েছিলো। ২০০৯ সালের মইন-ফখরুদ্দীন আমলে যে সরকার গঠন করা হয়েছিলো এবং যে নির্বাচন হয়েছিলো সে নির্বাচন নিয়ে দেশের মানুষের মুখে  অনেক বিতর্কিত কথাবার্তা শুনা যায়।  কারণ তারা তিন মাসের জায়গায় দুই বছর জেঁকে বসে ছিলো দেশের ক্ষমতার চেয়ারে। এ ছাড়াও বর্তমান মহাজোট সরকারের প্রধান ও আমাদের মাননীয় পধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশের অনেক ব্যবসায়ী ও জাতীয় নেতাদের গ্রেফতার করে দিনের পর দিন জেলে নিয়েছিলেন সেই মইন-ফখরুদ্দিন সরকার। সেনাসমর্থিত ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এমন কিছু বিতর্কর্তি কর্মকান্ড দেশের সাধারণ মানুষ তখন মেনে নিতে পারেনি। তাই তাদের ভূমিকাকে দেশের মানুষ ভলোভাবে নেয়নি। কিন্তু এর আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যারা ছিলেন এবং যেভাবে নির্বাচন পরিচালনা করেছেন তাঁদের ভূমিকার প্রতি মানুষের তেমন কোন অভিযোগ ছিলো না এখনো নেই। সবার জানা আছে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও লতিফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সংসদ নির্বাচন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সবার গ্রহণযোগ্য ও প্রশংসিত হয়েছিলো। আর এতে সে সময়ের নির্বাচন কমিশনারাও সবার প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। সেই সময়ে যে সব সাবেক সিইসি নির্বাচনে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সাবেক বিচারপতি ও সাবেক সিইসি আব্দুর রউফ, এম এ সাঈদ, আবুহেনা ও আব্দুল আজিজ ।  যে তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো এই তিনটি নির্বাচন শুধু যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিলেন তা নয়. বিজয়ী ও বিজিত সব দল সেসব নির্বাচন মেনেও নিয়েছিলো। এই জন্য  এখনো তাঁরা দেশের সাধারণ মানুষ ও সকল রাজনৈতিক দলের কাছে  নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ, বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন, বিচারিক বুদ্ধিসম্পন্ন ও বিচক্ষন, মর্যাদাবান ও ব্যক্তিত্বপূণর্, অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও পরিক্ষিত এবং দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও সম্মানীত ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান দখল করে বেঁচে আছেন। এখন যেহেতু তাঁদের মত এমন বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন মানুষ পাওয়া কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে, তাই উপরোক্ত তিন ব্যক্তিত্ব  সাহাবুদ্দিন আহমদ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও লতিফুর রহমানকে আগামী তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকার কিংবা অন্তর্বর্তিকালীন সরকার যে নামের সরকার হোক কেন দুই জোটের সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্ব পালন ও সরকার পরিচালনা জন্য তাদেরকে নিম্মোক্ত কায়দায় দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।  ফর্মূলা : দেশের রাজনীতি ও ক্ষমতার পালাবদল যেহেতু আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জাতীয় ঐক্যজোটের মধ্যে ঘূরপাক খাচ্ছে, তাই দুই রাজনৈতিক জোটের প্রতিনিধিত্ব ও গুরুত্ব বিবেচনা করে দুই জোটভিত্তিক এই ফর্মূলা প্রণয়ণ করা হয়েছে। এই ফর্মূলার নাম অনুসারে ওই সরকারের নাম হতে পারে জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকার (জাভাস)। সাবেক বিচারপতি ও ১৯৯১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সাহাবুদ্দিন আহমদ যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সর্বপ্রথম প্রধান উপদেষ্টা এবং সবার আস্থাভাজন ও পরিক্ষীত মুরুব্বী, তাই তাঁকে করা যেতে পারে জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকারের (জাভাস) প্রধান উপদেষ্টা। এরপর আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের ৩ জন নির্বাচিত এমপি সদস্য হিসেবে এবং  দুইজন নির্দলীয়-নিরপেক্ষ ব্যক্তিসহ মোট ৫ জন থাকবেন জাভাস-এর মহাজোটের টিম হিসেবে। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের মধ্যে ১ জন সাবেক সিইসি ও ১ জন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে রাখা যায়। ওই জোটের প্রধান হিসেবে টিমের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা। মহাজোটের যে টিমের কথা এখানে বলা হয়েছে সে টিমের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে রাখা যেতে পারে সাবেক বিচারপতি ও ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে। মহাজোটের টিমের মতো করে ১৮ দলীয় জাতীয় ঐক্যজোটেও তাদের ৩ জন নির্বাচিত এমপি সদস্য,  দুইজন  নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ ব্যাক্তিকে রাখা যেতে পারে। এতেও ১ জন সাবেক সিইসি ও  ১ জন সাবেক বিচারপতি ও সাবেক তত্তা¡বধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে রাখা যায়। ১৮ দলীয় জাতীয় ঐক্যজোটের টিমের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে রাখা যেতে পারে সাবেক বিচারপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাকে। এখানেও সাবেক বিচারপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানকে ১৮ দলীয় জাতীয় ঐক্যজোটের টিমের প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে রাখা যেতে পারে। মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের প্রতিনিধিত্বে মহাজোটের টিমে ৫ জন ও লতিফুর রহমানের প্রতিনিধিত্বে ১৮ দলীয় জাতীয় ঐক্যজোটের টিমে ৫ জন মোট ১০ জন সদস্য ও সাহাবুদ্দিনকে  প্রধান উপদেষ্টা করলে  সর্বমোট ১১ জন সদস্য নিয়ে উপরোক্ত ফর্মূলার ভিত্তিতে একটি জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সরকার (জাভাস) গঠন করা যেতে পারে।  লেখক: ডা.সৈয়দ আবদুর রহমান প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও মানবাধিকার কর্মী ঈদগাঁও,কক্সবাজার।

ঈদগাঁওতে ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোছাইনের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক এস. এম. তারেক, ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং ঈদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকা সাহেদা আক্তারের  পিতা-মৌলানা মোহাম্মদ হোছাইন (৫৫) আর নেই। মরহুম মৌলানা মোহাম্মদ হোছাইন ওই এলাকার মৃত এজাহার আহমদের পুত্র। ৩১ আগস্ট  ভোর ৬ টা’য় ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে ————-রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে ও ৩ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। ৩১ আগস্ট বাদ আছর স্থানীয় মেহেরঘোনা কবরস্থানে নামাজের জানাজা শেষে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হয়। এদিকে মরহুম মৌলানা মোহাম্মদ হোছাইনের  মৃত্যুতে বিভিন্ন সংগঠন শোক জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন। ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাব ঃ মরহুম মৌলানা মোহাম্মদ হোছাইনের  মৃত্যুতে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেস কাবের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন সভাপতি এস. এম.তারেক, সহ-সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মোঃ রাশেদুল করিম, নির্বাহী সদস্য শাহজাহান সিরাজ, এম. আবু হেনা সাগর, এবং মোঃ আলম বিশাল। প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদঃ বৃহত্তর ঈদগাঁও প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের  পক্ষ থেকেও সভাপতি ফরিদুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক বদিউর রহমান স্বাক্ষরিত অনুরুপ শোক জ্ঞাপন করে এক বিবৃতি প্রেরণ করা হয়। বৃহত্তর ঈদগাঁও সরকারী কর্মজীবি সংস্থা ঃ বৃহত্তর ঈদগাঁও সরকারী কর্মজীবি সংস্থার পক্ষ থেকেও সংস্থার সদস্য এবং এলাকার প্রবীণ মুরব্বী সেলিম উল্লাহর মৃত্যুতে অনুরুপ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে। বিবৃতিদাতারা হলেন-পরিচালক আতা উল্লাহ, মামুন অর রশীদ, মোস্তফা হেলালী, আরফাতুর রহমান, প্রভাষক সোলতান আহমদ, মোঃ শফিউল আলম, জসিম উদ্দিন এবং সমীর রুদ্র সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা মরহুমের বিদেহী আতœার মাগেফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ৩১ আগস্ট’১৩

দালাল ও দালালীর স্বর্গরাজ্য ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র দালাল ও টাউটদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। জীবন ধারণের জন্য চাকরী-ব্যবসা অথবা অন্য কোন বৈধ উপায়হীন কতিপয় ব্যক্তি ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে দালালীকে জীবিকার একমাত্র হাল-কোদাল বানিয়ে জনগণের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তদন্ত কেন্দ্রের কয়েকজন পুলিশ অফিসারের আসকারায় এদের উপদ্রব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। থানা অথবা আদালত থেকে প্রেরিত যে কোন মামলা, অভিযোগ, জিডি তদন্তের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাগণ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দালালদের কথা মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এছাড়া গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট তামিল করা-না করা, মামলার তদন্ত রিপোর্ট পক্ষে/বিপক্ষে নিয়ে দেয়া, মামলার চার্জশীটে নাম তোলা অথবা বাদ দেয়াসহ রকমারী ছলছুতায় এসব দালাল জনগণ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। চিহ্নিত দালালরা প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আশপাশে ঘোরাফেরা করে ও অনেক সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আড্ডা দেয়। কোন কোন অফিসার বাজারে বের হলেও কয়েকজন দালাল সার্বক্ষনিক তাদের সাথে থাকে। মামলা/অভিযোগ/জিডি তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে না গিয়ে দালালদের কথা মতো বাদী-বিবাদীকে তদন্ত কেন্দ্রে ডেকে এনে রীতি মত শালিস দরবারের আয়োজন করে অফিসারগণ। এসব দরবারে রথি-মহারথী থাকে দালাল চক্র। তাদের কথা মতোই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা তথাকথিত “বিচার ও রায়” প্রদান করেন। আর তা মানলেই সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এতে অনেক অপরাধী যেমন অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে তেমনি নিরপরাধ অনেকেই ফেঁসে যাচ্ছে মিথ্যা মামলায়। বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তদন্তকৃত ব্যক্তির প্রতিবেদন। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আাদালতের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবি বলেন, কোন মামলার বিচার করার এখতিয়ার পুলিশের নেই। পুলিশের দায়িত্ব হলো মামলা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা। মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা বিচার করতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থপক্ষ আইনের আশ্রয় নিতে পারবে। কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী, চৌফলদন্ডী, পোকখালী, ইসলামপুর, ইসলামাবাদ, জালালাবাদ ও ঈদগাঁও ইউনিয়নসহ ৭/৮টি প্রশাসনিক ইউনিয়নের বিশাল জনগোষ্টি ও এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এ ভাবে দালালদের আঁখড়ায় পরিণত হওয়ার ফলে সেবা বঞ্চিত হচ্ছে বৃহত্তর ঈদগাঁও’র জনগণ। আর এ সুযোগে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে দালালরা। এসব দালালদেরকে আশ্রয়পশ্রয় দিয়ে প্রতিপালন করতেছেন তদন্ত কেন্দ্রের অফিসাররা। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে দালালমুক্ত করতে পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা  করেছেন বৃহত্তর ঈদগাঁও’র সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলে ঈদগাঁওতে ছাত্রলীগের ক্যাম্পইন অনুষ্ঠিত

এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ৩১/০৮/২০১৩ইং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার রামু-উখিয়ায় আগমন উপলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিবুল হক রিকুর নেতৃত্বে ৩১আগষ্ট সকাল সাড়ে এগারটায় মোটর সাইকেল শুভাযাত্রা সহকারে ঈদগাঁও কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিার্থীদের সাথে ক্যাম্পইন অনুষ্টিত হয়। উক্ত ক্যাম্পইন অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারের সফলতার দিক গুলো তুলে ধরেন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দরা। এ সময় উপস্থিত কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের প থেকে অভূতপূর্ণ সাড়া মিলে এবং এ ক্যাম্পইন যাত্রাকে সাদরে বরণ করে নেন। ক্যাম্পইন কালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ছাত্রলীগ নেতা এহছানুল হক, ঈদগাঁও কলেজ সভাপতি আবুহেনা, সাধারন সম্পাদক সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান,ফাহিম, ঈদগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক ইরফানুল করিম, নেজাম উদ্দিন, জিকন, জালাল, পিয়ারু, আব্দুলাহ, আতিক, কালাম, ইমরান, জসিম, সোহেল, আনোয়ার, নছিম, ইলিয়াছ ও শাহাব উদ্দিন সহ অর্ধশতাধিক ছাত্রলীগ কর্মীরা। ক্যাম্পইন শেষে অত্র কলেজের অধ্য উমর ফারুক, ইতিহাস বিভাগের শিক শফি ও ইংরেজি বিভাগের শিক (খন্ডকালীন) মিজানুর রহমান সহ অপরাপর শিকদের সাথে এক সৌজন্য সাাতে মিলিত হয়।

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT