টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ঈদগাঁও::ভাদীতলা সড়কের ভাঙ্গণ অংশে কাঠের সেতু নির্মাণ শুরু

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Image- Eidgah-Hআতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ ও ভাদীতলার ভাঙ্গনকৃত সড়কে অবশেষে কাঠের সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্ঠায় ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্থায়নে উক্ত সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ভাদীতলা, শিয়াপাড়া, দরগাহ পাড়া ও হাসিনা পাহাড়সহ ৫/৬টি পাহাড়ী গ্রামের ৬/৭ হাজার জনগণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম উক্ত সড়ক। সড়কের দরগাহ পাড়া পয়েন্টে বিগত বর্ষায় ঈদগাঁও নদীর প্রলয়ংকরী বণ্যায় প্রায় ১’শ গজ অংশ ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যায়। সে থেকাই দেশ ও জাতির স্বার্থে দেশকে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে এসব অবৈধ মরণ নেশা তামাকজাত দ্রব্যের বিরুদ্ধে ও অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই সম্ভব হবে জাতির ভাগ্যের পরিবর্তনের।

ঈদগাঁও::ভাদীতলা সড়কের ভাঙ্গণ অংশে কাঠের সেতু নির্মাণ শুরু

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ ও ভাদীতলার ভাঙ্গনকৃত সড়কে অবশেষে কাঠের সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্ঠায় ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্থায়নে উক্ত সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ভাদীতলা, শিয়াপাড়া, দরগাহ পাড়া ও হাসিনা পাহাড়সহ ৫/৬টি পাহাড়ী গ্রামের ৬/৭ হাজার জনগণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম উক্ত সড়ক। সড়কের দরগাহ পাড়া পয়েন্টে বিগত বর্ষায় ঈদগাঁও নদীর প্রলয়ংকরী বণ্যায় প্রায় ১’শ গজ অংশ ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যায়। সে থেকে উক্ত স্থানে জল-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করে আসছিল হাজারো পথচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। জনদূর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী উক্ত সড়কের ভাঙ্গন অংশে অস্থায়ী কাঠের সেতু নির্মানের জন্য জেলা পরিষদের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্ধ করেন। ৭ অক্টোবর সকাল ৯ টায় সেতু নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী। এসময় স্থানীয় জনগণ, সংবাদকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ঈদগাঁওতে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে পাম বড়ি খাইয়ে  মোটাতাজা করা হচ্ছে গরু।

এস.এম.তারেক, ঈদগাঁও ,কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে পাম বড়ি খাইয়ে গরু মোটা তাজা করনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক শ্রেনীর অসাধু লোক এ কাজের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ , মানুষ এবং পশু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর এসব পাম বড়ি গবাদি পশুকে খাওয়ালে পশুর চেহারা কয়েকদিনের মধ্যেই পাল্টে গিয়ে  গরুকে  নাদুস নুদুশ দেখায়। ফলে ক্রেতারা না জেনে এসব পশুর প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। শুধু পাম বড়ি নয়, অনেক ক্ষেত্রে পশুকে পানির সাথে গুলিয়ে ইউরিয়া সারও  খাওয়ানো হয়। গরুকে পাম বড়ি খাওয়ানোর ফলে কয়েক সপ্তাহ যাবৎ গরুর চেহারায় লক্ষনীয়  পরিবর্তন দেখা গেলেও মাস খানেকের মধ্যেই  পশুর  শরীরে পানি জমে যাওয়ায়  বড়ি খাওয়া পশুটি দুরারোগ্য ব্যাধিতে  আক্রান্ত হয়ে পড়ে এবং রোগে ভূগতে ভূগতে একসময়  মারা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, রোগাক্রান্ত এসব পশুর মাংস ভক্ষনের ফলে মানব দেহে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে যেমন-  ক্যান্সার,কীডনি অকেজো হয়ে পড়া, শরীরে ফোস্কা পড়া সহ নানাবিধ রোগের সৃষ্টি হতে পারে এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে রোগীর মত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়বে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল। পাশাপাশি প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির দাবীও জানান তারা।

ঈদগাহ্ জাহানারা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি কাজল ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। । কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাহ্ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে লুৎফুর রহমান কাজল এমপি বলেন, জাতির ভাবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়া-লেখার পাশাপশি ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। তিনি ৭ অক্টোবর দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  উপরোক্ত মন্তব্য করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঈদগাহ্ ফরিদ আহমদ ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ মো. উমর ফারুক, ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা জামায়াত আমীর ডা. আলহাজ্ব আমীর সোলতান, ঈদগাঁও সেন্ট্রাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম। মান্যগণ্যদের মধ্যে ছিলেন মেম্বার রশিদ আহমদ, মেম্বার ওমর আলী, সাবেক মেম্বার আবদুর রশিদ, লিয়াকত নূর চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদুল আলম, প্রধান শিক্ষক জাকের হোছাইন, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আবদু ছালাম, এমবিএ মডেল স্কুল অধ্যক্ষ বোরহান উদ্দিন মাহমুদ, অভিভাবক মোস্তাক আহমদ, মেম্বার মোজাম্মেল হক, মোস্তাক আহমদ মুন্সী, যুবদল নেতা মামুন সিরাজুল মজীদ, ছাত্রদল আহবায়ক আজমগীর, ঈদগাঁও নিউজ চেয়ারম্যান মো. রেজউল করিম, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেসকাব সভাপতি মো. মিজানুর রহমান আজাদ, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোছাইন, দৈনিক বাঁকখালী ও জাতীয় অর্থনীতি প্রতিনিধি এম. আরমান জাহান প্রমুখ। এতে পবিত্র কোরআন ও গীতা পাঠ, ইসলামী সঙ্গীত, বাংলা ও ইংরেজী বক্তব্য, আধুনিক ও দেশাত্ববোধক গান এবং নৃত্য পরিবেশন করা হয়। রাইসা ইসলাম রিসা, মাহিয়াত সুবাহ মুমু, জান্নাতুল ফেরদৌস, সুমাইয়া সিলমা ঐশী, রাফিজা তাজমী, ছেনুয়ারা পারভীন, ঐশী পাল, ইনা পাল, উচবিন, জিহান এবং প্রিয়ংকা আচার্য্য প্রমুখ শিক্ষার্থী পারফর্ম্যান্সে অংশ নেয়। ক্রীড়া শিক্ষক আহমদ কবিরের সঞ্চালনায় আরো ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সাঈদা মমতাজ আজিম, সিনিয়র শিক্ষক মোস্তাক আহমদ, মিনুন্নাহার মিনু, ছালেহা আক্তার বিউটি, পারভীন আক্তার, নাছিমা পারভীন, ছানা উল্লাহ প্রমুখ। বক্তারা মরহুম নজরুল ইসলাম প্রকাশ লেদু মিয়া প্রতিষ্ঠিত এলাকার নারী শিক্ষার এ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির সেবায় নেতৃত্ব দেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, নারীদের বসে থাকলে চলবে না, তাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। নারী শিক্ষার বিরোধীতাকারীদের ভাবার সময় এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করে বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সকলের নজর দেয়া উচিত। শেষে অতিথিদের মধ্যাহ্ন ভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

===================================

শিবিরের রশিদ নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠিত

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। ইসলামী ছাত্র শিবির ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার তত্ত্বাবধানে রশিদ নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠিত হয়েছে। ৭ অক্টোবর বিকাল ৩ টায় পানিরছড়া বাসষ্টেশন সংলগ্ন আইডিয়াল কেজি স্কুল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে উক্ত কমিটি গঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার সভাপতি লায়েক ইবনে ফাজেল। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রামু উপজেলা শাখার কর্ম পরিষদ সদস্য এনামুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখা সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী লুৎফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোছাইন, রশিদ নগর জামায়াত আমীর মো. শাহাব উদ্দিন, মোকতার আহমদ ও জিয়াউর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাজারো জুলুম নির্যাতন করেও শিবিরকে দমানো যাবে না। বরং জেল জুলুমের মাধ্যমে শিবিরের কার্যক্রম দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। ============================ ছবি আছে ঈদগাঁও-ভাদীতলা সড়কে কাঠের সেতু নির্মাণ কাজ উদ্বোধনে চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ ও ভাদীতলার ভাঙ্গনকৃত সড়কে অবশেষে কাঠের সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্ঠায় ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্থায়নে উক্ত সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ভাদীতলা, শিয়াপাড়া, দরগাহ পাড়া ও হাসিনা পাহাড়সহ ৫/৬টি পাহাড়ী গ্রামের ৬/৭ হাজার জনগণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম উক্ত সড়ক। সড়কের দরগাহ পাড়া পয়েন্টে বিগত বর্ষায় ঈদগাঁও নদীর প্রলয়ংকরী বণ্যায় প্রায় ১’শ গজ অংশ ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যায়। সে থেকে উক্ত স্থানে জল-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করে আসছিল হাজারো পথচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। জনদূর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী উক্ত সড়কের ভাঙ্গন অংশে অস্থায়ী কাঠের সেতু নির্মানের জন্য জেলা পরিষদের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্ধ করেন। ৭ অক্টোবর সকাল ৯ টায় সেতু নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী। এসময় স্থানীয় জনগণ, সংবাদকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

 

ঈদগাঁও পুলিশের সাথে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে শারদীয় দূর্গোৎসব উপল্েয স্থানীয় প্রশাসনের সাথে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা ৭ অক্টোবর বিকেলে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে প্রাঙ্গণে ইনচার্জ মনজুরুল কাদের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটি সদস্য সচিব ডাঃ সনজিৎ দাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার আমান উল্লাহ ফরাজী, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক, ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এস.আই নাছির উদ্দীন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- এড. অশোক আচার্য্য, মেম্বার আবদুল হাই, শামশুল আলম, মোজাম্মেল হক, সাবেক মেম্বার বাবুল, তদন্ত কেন্দ্রে এ.এস.আই নাজমুল, রুপন চৌধুরী ও সাংবাদিক এম.আবু হেনা সাগর, নাছির উদ্দীন পিন্টু সহ অধ শতাধিক পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দরা। সভায় আসন্ন দূর্গোৎসব উপল্েয আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন।  তরুণ প্রজন্মকে বিপদমূখী করে তুলছে “মোবাইল” জেলায় শিার্থীদের অনাগত ভবিষ্যৎ জীবনকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছে দিচ্ছে

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও বর্তমানে দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে মোবাইল ফোন যেমনি কার্যকরী ভুমিকা রাখছে, ঠিক তেমনি তার বিপরীতে কারো কারো জীবনে তিও বয়ে আনছে। মোবাইল ফোন প্রতিটি শ্রেণী পেশার লোকজনের উপকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে প্রতিণে প্রতিমুহুর্তে । কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্কুল কলেজ পড়–য়া শিার্থীরা মোবাইল ব্যবহার প্রয়োজনীতা মনে করলেও অনেক েেত্র তা অভিভাবকদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইল ফোনে অল্প বয়সেই প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এতে পিতা-মাতার সোনার সন্তান-সন্তানীদের জীবনে সর্বনাশ ডেকে নিয়ে আসে। মোবাইল আলাপে কথোপকথনের পর একে অপরকে একান্ত সান্নিধ্যে পেতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কোচিং সেন্টার ফাকি দিয়ে বেরিয়ে পড়ে নির্জন স্থান কিংবা বিভিন্ন মার্কেটে। নিরাপত্তা প্রেম আলাপের জন্য বেচে নিচ্ছে পার্ক, হোটেল, রেস্তোরা সহ বিভিন্ন পয়েন্টে কিংবা বহু সময় শেষ পর্যন্ত নানা আবাসিক হোটেল কে অবস্থান করে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়েছে অহরহ। এতে শিা জীবনের মূল্যবান দারুণ সময় অতিবাহিত হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক অধঃপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও সহ জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অসহায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা। পিতা-মাতার আদরের সন্তানেরা ঘরে ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে অনেকটা। এসব সন্তানদের বাড়িতে ফেরার অবস্থান জানতে চেয়ে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করে আব্বু বা আম্মু তুমি কোথায়? জবাবে বলে, কোচিংয়ে বা কলেজে। কিন্তু তখন মোবাইলে অন্য কোন ছাত্র কিংবা শিকের সাড়া শব্দ শুনা যাচ্ছে না এবং ঠিক তখই শিক গুরুত্ব পূর্ণ পাঠ দান করাচ্ছেন, তাই সকলের মনযোগ দিয়ে শিকের লেকচার শুনছি বলে লাইন কেটে দেয়। এ েেত্র প্রতিটি পরিবারের শিার্থী সন্তানেরা না হলেও কতিপয় শিার্থীরা মোবাইল আলাপে জড়িয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার কোচিংয়ে উপস্থিতির অযুহাত পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের মিথ্যা কথা বলে এবং নিজেদের শিা জীবনে চরম তি ডেকে আনছে। যে বয়সে লেখা পড়া করে মানুষের মত মানুষ হয়ে সুন্দর দেশ গড়ার অঙ্গিকার থাকার কথা, সে বয়সে মোবাইল নামক অপরাধ ব্যধিটি ছাত্র-ছাত্রীদের অনাগত ভবিষ্যৎ জীবনকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছে দিচ্ছে। হতাশ অভিভাবক সমাজ। শিার্থীদের মন ভূলানো  ফাকি বাজিতে অভিভাকরা নানা ভাবে বিবৃতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। এ সংক্রান্ত ঘটনা প্রায় ঘটে চলছে ঈদগাঁও সহ জেলা জুড়ে। এদিকে পিতা-মাতারা বিদেশ কিংবা দেশে চাকরি করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাদের সোনার সন্তাদের শিতি করার দৃঢ় মন মানষিকতা হাতে নিয়ে স্কুল কলেজ কিংবা মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, অভিভাবকদের চোখকে ফাকি দিয়ে সেই কাঙ্খিত শিাঙ্গনে যাওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে প্রেম আলাপে জড়িয়ে পড়ে। কাস ফাকি দিতে বিন্দু মাত্রও ভূল করেনি ঐ শিার্থী সমাজ। তাছাড়া ও অসময়ে মোবাইল ফোনের কারনে ঈদগাঁও সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রেম নামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে কোমলমতি শিার্থীরা একে অপরের সাথে ভালবেসে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। এ ব্যাপারে সুশীল সমাজের অভিভাবকদের মতে, সন্তানদের ব্যাপারে যতœবান হতে হবে , তাদেরকে প্রতিটি মুহুর্থে চোখে চোখে রাখতে হবে । বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তদারকি করতে হবে, ঠিক সময়ে শিাঙ্গণে গেছে কিনা । শিার্থীদের হাতে লেখাপড়ার সময় মোবাইল ফোন না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। অপরদিকে সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ে পিতা-মাতাগণ শিকদের যথাযথ সম্মান, ছেলে মেয়েদের আদব কায়দা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ সহ সব বিষয়ে শিা না দিলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ শিা জীবন অন্ধকারে হাবুডুবু খাবে। —————————-

ঈদগাঁওতে স্ক্যারাপ ব্যবসার আড়ালে এসব কি?

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে স্ক্যারাপ ব্যবসার আড়ালে চলছে জমজমাট চোরাই মালের ব্যবসা। নানা সূত্রে প্রকাশ, সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও এর বিভিন্ন স্থানে পুরনো মালামাল ক্রয় করার নামে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু স্ক্যারাপ ব্যবসা। এতে উত্তরবঙ্গের লোকজনের সাথে তাল মিলিয়ে ঈদগাঁও’র কতিপয় ব্যবসায়ীর ও সখ্য গড়ে উঠেছে। এসব ব্যবসার মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক, বৈদ্যুতিক তার, এলুমিনিয়াম তার, পানির মোটর, ঢেউটিন সহ অন্যান্য লোহা ও লোহার রড, গাড়ীর যন্ত্রাংশ সহ বিভিন্ন বাসাবাড়ীর প্লাষ্টিক ফাইল পর্যন্ত টোকাইরা চুরি করে বিক্রি করছে বিভিন্ন স্থানের স্ক্যারাপ দোকান গুলোতে। ভুক্তভোগীদের মতে ঈদগাঁওয়ের স্ক্যারাপ ব্যবসায়ীরা চোরাই মালামাল অল্পদামে ক্রয় করে ঢাকা-চট্টগ্রামে রাতের আঁধারে পাচার করছে দেদারছে। স্ক্যারাপ ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নিরবে নিবৃত্তে। অন্যদিকে ঐ সব ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত রয়েছে বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের অর্ধশতাধিক টোকাই ও কতিপয় লোক। এদের মূল নেতৃত্বে রয়েছে নানা স্থানের কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। দিন-রাত স্ক্যারাপ চক্রটি নতুন, পুরনো, অকেঁজো, পরিত্যাক্ত ও সুযোগ বুঝে বিভিন্ন অফিস ও সাধারণ লোকজনের মূল্যবান মালামাল বাসাবাড়ী থেকে চুরি করতে দ্বিধাবোধ করে না। আবার কিছু যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন স্থানে বস্তা নিয়ে এসব মালামাল যত্রতত্র স্থান থেকে চুরি করে নিয়ে আসে। ভুক্তভোগীরা স্ক্যারাপ ব্যবসার নামে চোরাই পাচারকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণে জোর দাবী সচেতন মহলের। —————————————————————————————

 

 

মাঠ কর্মীরা চষে বেড়াচ্ছে, ধূমপায়ীদের সংখ্যা বাড়ছে ঈদগাঁওতে ধুমপান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা নেই এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি সচেতন হলেও কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন অসচেতনতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এমনকি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষকে ধুমপানে বাধ্য করাচ্ছে বিভিন্ন টোব্যাকো কোম্পানীর শত শত কর্মী। এসব কর্মীরা বিভিন্ন লোভ-লালসার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষ সহ স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ধুমপানের মত বিষ পান ধরিয়ে দিয়ে জীবন বিপন্ন করার পায়তারা চালিয়ে প্রচুর নগদ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্ররা রেহাই পাচ্ছে না টোব্যাকো কোম্পানীর শক্ত হাত থেকে। তারা বিনামূল্যে সিগারেট সরবরাহ করে গণহারে মানুষকে ধুমপানের প্রতি আকৃষ্ট করার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটালেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের অসচেতনতার কারনে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে না এখনো। এতে আইনের শাসনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। সরকার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিবেচনায় এনে ধুমপান নিয়ন্ত্রনের আইন করলেও তার কোন বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা নেই বললেই চলে। যার দরুন অসংখ্য অভিভাবক আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কিছু অসাধু টোব্যাকো কোম্পানীর কর্মচারীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধুমপানের মত বিষ সিগারেট বিক্রির প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে ঐ প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিভিন্ন হাট-বাজারে কর্মী নিয়োগ করে ধুমপানের প্রচার-প্রচারনা বৃদ্ধি করে আসছে। এসব কর্মীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামে-গঞ্জে চষে বেড়াচ্ছে। তাদের টার্গেট হচ্ছে বিনামূল্যে সিগারেট, ঐ ব্রান্ডের সিগারেটের প্রতি মানুষকে আকৃষ্ট করা এবং নতুন ধুমপায়ী সৃষ্টি করা। যার কারনে মরণ নেশা তামাকজাত দ্রব্য কোম্পানী বেপরোয়াভাবে গড়ে উঠে প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়িয়ে বর্তমান বাংলাদেশকে ধ্বংসের মুখে ধাবিত করছে। তাছাড়া বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট কোম্পানির কর্মকর্তারা বিশাল এলাকা জুড়ে ওয়ার্ড় ভিত্তিক দল গঠন করে পাঠাচ্ছে ধুমপায়িদেরকে আকৃষ্ট করার লহ্ম্যে। মুলত দলের কাজ হচ্ছে নতুন ব্রান্ডের সিগারেট প্রচার-প্রসারের লহ্ম্যে ফ্রি সিগারেট দিয়ে ধুমপায়িদের সংখ্যা বাড়ানোর মত হীন কর্মকান্ডে চালিয়ে যাচ্ছে বীরদর্পে। সরকার যদি ধুমপান, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের মত বিষপান প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন পদপে নিয়ে আইন প্রয়োগ করে, তাহলে ঐ সব মরণ নেশা বিষপানের লাইসেন্স দেয় কেন? তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে দেশকে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে এসব অবৈধ মরণ নেশা তামাকজাত দ্রব্যের বিরুদ্ধে ও অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই সম্ভব হবে জাতির ভাগ্যের পরিবর্তনের।

ঈদগাঁও::ভাদীতলা সড়কের ভাঙ্গণ অংশে কাঠের সেতু নির্মাণ শুরু

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ ও ভাদীতলার ভাঙ্গনকৃত সড়কে অবশেষে কাঠের সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্ঠায় ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্থায়নে উক্ত সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ভাদীতলা, শিয়াপাড়া, দরগাহ পাড়া ও হাসিনা পাহাড়সহ ৫/৬টি পাহাড়ী গ্রামের ৬/৭ হাজার জনগণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম উক্ত সড়ক। সড়কের দরগাহ পাড়া পয়েন্টে বিগত বর্ষায় ঈদগাঁও নদীর প্রলয়ংকরী বণ্যায় প্রায় ১’শ গজ অংশ ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যায়। সে থেকে উক্ত স্থানে জল-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করে আসছিল হাজারো পথচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। জনদূর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী উক্ত সড়কের ভাঙ্গন অংশে অস্থায়ী কাঠের সেতু নির্মানের জন্য জেলা পরিষদের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্ধ করেন। ৭ অক্টোবর সকাল ৯ টায় সেতু নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী। এসময় স্থানীয় জনগণ, সংবাদকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ঈদগাঁওতে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে পাম বড়ি খাইয়ে  মোটাতাজা করা হচ্ছে গরু।

এস.এম.তারেক, ঈদগাঁও ,কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে পাম বড়ি খাইয়ে গরু মোটা তাজা করনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক শ্রেনীর অসাধু লোক এ কাজের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ , মানুষ এবং পশু উভয়ের জন্য ক্ষতিকর এসব পাম বড়ি গবাদি পশুকে খাওয়ালে পশুর চেহারা কয়েকদিনের মধ্যেই পাল্টে গিয়ে  গরুকে  নাদুস নুদুশ দেখায়। ফলে ক্রেতারা না জেনে এসব পশুর প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। শুধু পাম বড়ি নয়, অনেক ক্ষেত্রে পশুকে পানির সাথে গুলিয়ে ইউরিয়া সারও  খাওয়ানো হয়। গরুকে পাম বড়ি খাওয়ানোর ফলে কয়েক সপ্তাহ যাবৎ গরুর চেহারায় লক্ষনীয়  পরিবর্তন দেখা গেলেও মাস খানেকের মধ্যেই  পশুর  শরীরে পানি জমে যাওয়ায়  বড়ি খাওয়া পশুটি দুরারোগ্য ব্যাধিতে  আক্রান্ত হয়ে পড়ে এবং রোগে ভূগতে ভূগতে একসময়  মারা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, রোগাক্রান্ত এসব পশুর মাংস ভক্ষনের ফলে মানব দেহে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে যেমন-  ক্যান্সার,কীডনি অকেজো হয়ে পড়া, শরীরে ফোস্কা পড়া সহ নানাবিধ রোগের সৃষ্টি হতে পারে এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে রোগীর মত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসন এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়বে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহল। পাশাপাশি প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির দাবীও জানান তারা।

ঈদগাহ্ জাহানারা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি কাজল ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। । কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাহ্ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে লুৎফুর রহমান কাজল এমপি বলেন, জাতির ভাবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়া-লেখার পাশাপশি ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে হবে। তিনি ৭ অক্টোবর দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  উপরোক্ত মন্তব্য করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঈদগাহ্ ফরিদ আহমদ ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ মো. উমর ফারুক, ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী, ইসলামাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা জামায়াত আমীর ডা. আলহাজ্ব আমীর সোলতান, ঈদগাঁও সেন্ট্রাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম। মান্যগণ্যদের মধ্যে ছিলেন মেম্বার রশিদ আহমদ, মেম্বার ওমর আলী, সাবেক মেম্বার আবদুর রশিদ, লিয়াকত নূর চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদুল আলম, প্রধান শিক্ষক জাকের হোছাইন, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আবদু ছালাম, এমবিএ মডেল স্কুল অধ্যক্ষ বোরহান উদ্দিন মাহমুদ, অভিভাবক মোস্তাক আহমদ, মেম্বার মোজাম্মেল হক, মোস্তাক আহমদ মুন্সী, যুবদল নেতা মামুন সিরাজুল মজীদ, ছাত্রদল আহবায়ক আজমগীর, ঈদগাঁও নিউজ চেয়ারম্যান মো. রেজউল করিম, ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা প্রেসকাব সভাপতি মো. মিজানুর রহমান আজাদ, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোছাইন, দৈনিক বাঁকখালী ও জাতীয় অর্থনীতি প্রতিনিধি এম. আরমান জাহান প্রমুখ। এতে পবিত্র কোরআন ও গীতা পাঠ, ইসলামী সঙ্গীত, বাংলা ও ইংরেজী বক্তব্য, আধুনিক ও দেশাত্ববোধক গান এবং নৃত্য পরিবেশন করা হয়। রাইসা ইসলাম রিসা, মাহিয়াত সুবাহ মুমু, জান্নাতুল ফেরদৌস, সুমাইয়া সিলমা ঐশী, রাফিজা তাজমী, ছেনুয়ারা পারভীন, ঐশী পাল, ইনা পাল, উচবিন, জিহান এবং প্রিয়ংকা আচার্য্য প্রমুখ শিক্ষার্থী পারফর্ম্যান্সে অংশ নেয়। ক্রীড়া শিক্ষক আহমদ কবিরের সঞ্চালনায় আরো ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সাঈদা মমতাজ আজিম, সিনিয়র শিক্ষক মোস্তাক আহমদ, মিনুন্নাহার মিনু, ছালেহা আক্তার বিউটি, পারভীন আক্তার, নাছিমা পারভীন, ছানা উল্লাহ প্রমুখ। বক্তারা মরহুম নজরুল ইসলাম প্রকাশ লেদু মিয়া প্রতিষ্ঠিত এলাকার নারী শিক্ষার এ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির সেবায় নেতৃত্ব দেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, নারীদের বসে থাকলে চলবে না, তাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। নারী শিক্ষার বিরোধীতাকারীদের ভাবার সময় এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করে বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সকলের নজর দেয়া উচিত। শেষে অতিথিদের মধ্যাহ্ন ভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

===================================

শিবিরের রশিদ নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠিত

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। ইসলামী ছাত্র শিবির ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার তত্ত্বাবধানে রশিদ নগর ইউনিয়ন কমিটি গঠিত হয়েছে। ৭ অক্টোবর বিকাল ৩ টায় পানিরছড়া বাসষ্টেশন সংলগ্ন আইডিয়াল কেজি স্কুল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে উক্ত কমিটি গঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার সভাপতি লায়েক ইবনে ফাজেল। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রামু উপজেলা শাখার কর্ম পরিষদ সদস্য এনামুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখা সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারী লুৎফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোছাইন, রশিদ নগর জামায়াত আমীর মো. শাহাব উদ্দিন, মোকতার আহমদ ও জিয়াউর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাজারো জুলুম নির্যাতন করেও শিবিরকে দমানো যাবে না। বরং জেল জুলুমের মাধ্যমে শিবিরের কার্যক্রম দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। ============================ ছবি আছে ঈদগাঁও-ভাদীতলা সড়কে কাঠের সেতু নির্মাণ কাজ উদ্বোধনে চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ ও ভাদীতলার ভাঙ্গনকৃত সড়কে অবশেষে কাঠের সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্ঠায় ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্থায়নে উক্ত সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে বলে জানা গেছে। বৃহত্তর ভাদীতলা, শিয়াপাড়া, দরগাহ পাড়া ও হাসিনা পাহাড়সহ ৫/৬টি পাহাড়ী গ্রামের ৬/৭ হাজার জনগণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম উক্ত সড়ক। সড়কের দরগাহ পাড়া পয়েন্টে বিগত বর্ষায় ঈদগাঁও নদীর প্রলয়ংকরী বণ্যায় প্রায় ১’শ গজ অংশ ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যায়। সে থেকে উক্ত স্থানে জল-কাদা মাড়িয়ে চলাচল করে আসছিল হাজারো পথচারী ও ছাত্র-ছাত্রীরা। জনদূর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী উক্ত সড়কের ভাঙ্গন অংশে অস্থায়ী কাঠের সেতু নির্মানের জন্য জেলা পরিষদের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্ধ করেন। ৭ অক্টোবর সকাল ৯ টায় সেতু নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী। এসময় স্থানীয় জনগণ, সংবাদকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

 

ঈদগাঁও পুলিশের সাথে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত এম.আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে শারদীয় দূর্গোৎসব উপল্েয স্থানীয় প্রশাসনের সাথে পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা ৭ অক্টোবর বিকেলে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে প্রাঙ্গণে ইনচার্জ মনজুরুল কাদের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটি সদস্য সচিব ডাঃ সনজিৎ দাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার আমান উল্লাহ ফরাজী, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক, ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এস.আই নাছির উদ্দীন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- এড. অশোক আচার্য্য, মেম্বার আবদুল হাই, শামশুল আলম, মোজাম্মেল হক, সাবেক মেম্বার বাবুল, তদন্ত কেন্দ্রে এ.এস.আই নাজমুল, রুপন চৌধুরী ও সাংবাদিক এম.আবু হেনা সাগর, নাছির উদ্দীন পিন্টু সহ অধ শতাধিক পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দরা। সভায় আসন্ন দূর্গোৎসব উপল্েয আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা কামনা করছেন।  তরুণ প্রজন্মকে বিপদমূখী করে তুলছে “মোবাইল” জেলায় শিার্থীদের অনাগত ভবিষ্যৎ জীবনকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছে দিচ্ছে

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও বর্তমানে দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির যুগে মোবাইল ফোন যেমনি কার্যকরী ভুমিকা রাখছে, ঠিক তেমনি তার বিপরীতে কারো কারো জীবনে তিও বয়ে আনছে। মোবাইল ফোন প্রতিটি শ্রেণী পেশার লোকজনের উপকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে প্রতিণে প্রতিমুহুর্তে । কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্কুল কলেজ পড়–য়া শিার্থীরা মোবাইল ব্যবহার প্রয়োজনীতা মনে করলেও অনেক েেত্র তা অভিভাবকদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইল ফোনে অল্প বয়সেই প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এতে পিতা-মাতার সোনার সন্তান-সন্তানীদের জীবনে সর্বনাশ ডেকে নিয়ে আসে। মোবাইল আলাপে কথোপকথনের পর একে অপরকে একান্ত সান্নিধ্যে পেতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কোচিং সেন্টার ফাকি দিয়ে বেরিয়ে পড়ে নির্জন স্থান কিংবা বিভিন্ন মার্কেটে। নিরাপত্তা প্রেম আলাপের জন্য বেচে নিচ্ছে পার্ক, হোটেল, রেস্তোরা সহ বিভিন্ন পয়েন্টে কিংবা বহু সময় শেষ পর্যন্ত নানা আবাসিক হোটেল কে অবস্থান করে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়েছে অহরহ। এতে শিা জীবনের মূল্যবান দারুণ সময় অতিবাহিত হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক অধঃপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও সহ জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অসহায় কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা। পিতা-মাতার আদরের সন্তানেরা ঘরে ফিরতে বিলম্ব হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে অনেকটা। এসব সন্তানদের বাড়িতে ফেরার অবস্থান জানতে চেয়ে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞেস করে আব্বু বা আম্মু তুমি কোথায়? জবাবে বলে, কোচিংয়ে বা কলেজে। কিন্তু তখন মোবাইলে অন্য কোন ছাত্র কিংবা শিকের সাড়া শব্দ শুনা যাচ্ছে না এবং ঠিক তখই শিক গুরুত্ব পূর্ণ পাঠ দান করাচ্ছেন, তাই সকলের মনযোগ দিয়ে শিকের লেকচার শুনছি বলে লাইন কেটে দেয়। এ েেত্র প্রতিটি পরিবারের শিার্থী সন্তানেরা না হলেও কতিপয় শিার্থীরা মোবাইল আলাপে জড়িয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার কোচিংয়ে উপস্থিতির অযুহাত পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের মিথ্যা কথা বলে এবং নিজেদের শিা জীবনে চরম তি ডেকে আনছে। যে বয়সে লেখা পড়া করে মানুষের মত মানুষ হয়ে সুন্দর দেশ গড়ার অঙ্গিকার থাকার কথা, সে বয়সে মোবাইল নামক অপরাধ ব্যধিটি ছাত্র-ছাত্রীদের অনাগত ভবিষ্যৎ জীবনকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌছে দিচ্ছে। হতাশ অভিভাবক সমাজ। শিার্থীদের মন ভূলানো  ফাকি বাজিতে অভিভাকরা নানা ভাবে বিবৃতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। এ সংক্রান্ত ঘটনা প্রায় ঘটে চলছে ঈদগাঁও সহ জেলা জুড়ে। এদিকে পিতা-মাতারা বিদেশ কিংবা দেশে চাকরি করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাদের সোনার সন্তাদের শিতি করার দৃঢ় মন মানষিকতা হাতে নিয়ে স্কুল কলেজ কিংবা মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, অভিভাবকদের চোখকে ফাকি দিয়ে সেই কাঙ্খিত শিাঙ্গনে যাওয়ার কথা বলে নির্জন স্থানে প্রেম আলাপে জড়িয়ে পড়ে। কাস ফাকি দিতে বিন্দু মাত্রও ভূল করেনি ঐ শিার্থী সমাজ। তাছাড়া ও অসময়ে মোবাইল ফোনের কারনে ঈদগাঁও সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রেম নামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে কোমলমতি শিার্থীরা একে অপরের সাথে ভালবেসে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। এ ব্যাপারে সুশীল সমাজের অভিভাবকদের মতে, সন্তানদের ব্যাপারে যতœবান হতে হবে , তাদেরকে প্রতিটি মুহুর্থে চোখে চোখে রাখতে হবে । বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তদারকি করতে হবে, ঠিক সময়ে শিাঙ্গণে গেছে কিনা । শিার্থীদের হাতে লেখাপড়ার সময় মোবাইল ফোন না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। অপরদিকে সচেতন মহলের মতে, বর্তমান সময়ে পিতা-মাতাগণ শিকদের যথাযথ সম্মান, ছেলে মেয়েদের আদব কায়দা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ সহ সব বিষয়ে শিা না দিলে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ শিা জীবন অন্ধকারে হাবুডুবু খাবে। —————————-

ঈদগাঁওতে স্ক্যারাপ ব্যবসার আড়ালে এসব কি?

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁওতে স্ক্যারাপ ব্যবসার আড়ালে চলছে জমজমাট চোরাই মালের ব্যবসা। নানা সূত্রে প্রকাশ, সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও এর বিভিন্ন স্থানে পুরনো মালামাল ক্রয় করার নামে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু স্ক্যারাপ ব্যবসা। এতে উত্তরবঙ্গের লোকজনের সাথে তাল মিলিয়ে ঈদগাঁও’র কতিপয় ব্যবসায়ীর ও সখ্য গড়ে উঠেছে। এসব ব্যবসার মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক, বৈদ্যুতিক তার, এলুমিনিয়াম তার, পানির মোটর, ঢেউটিন সহ অন্যান্য লোহা ও লোহার রড, গাড়ীর যন্ত্রাংশ সহ বিভিন্ন বাসাবাড়ীর প্লাষ্টিক ফাইল পর্যন্ত টোকাইরা চুরি করে বিক্রি করছে বিভিন্ন স্থানের স্ক্যারাপ দোকান গুলোতে। ভুক্তভোগীদের মতে ঈদগাঁওয়ের স্ক্যারাপ ব্যবসায়ীরা চোরাই মালামাল অল্পদামে ক্রয় করে ঢাকা-চট্টগ্রামে রাতের আঁধারে পাচার করছে দেদারছে। স্ক্যারাপ ব্যবসায়ীরা স্থানীয় প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নিরবে নিবৃত্তে। অন্যদিকে ঐ সব ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত রয়েছে বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের অর্ধশতাধিক টোকাই ও কতিপয় লোক। এদের মূল নেতৃত্বে রয়েছে নানা স্থানের কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি। দিন-রাত স্ক্যারাপ চক্রটি নতুন, পুরনো, অকেঁজো, পরিত্যাক্ত ও সুযোগ বুঝে বিভিন্ন অফিস ও সাধারণ লোকজনের মূল্যবান মালামাল বাসাবাড়ী থেকে চুরি করতে দ্বিধাবোধ করে না। আবার কিছু যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন স্থানে বস্তা নিয়ে এসব মালামাল যত্রতত্র স্থান থেকে চুরি করে নিয়ে আসে। ভুক্তভোগীরা স্ক্যারাপ ব্যবসার নামে চোরাই পাচারকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণে জোর দাবী সচেতন মহলের। —————————————————————————————

 

 

মাঠ কর্মীরা চষে বেড়াচ্ছে, ধূমপায়ীদের সংখ্যা বাড়ছে ঈদগাঁওতে ধুমপান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা নেই এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি সচেতন হলেও কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন অসচেতনতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এমনকি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষকে ধুমপানে বাধ্য করাচ্ছে বিভিন্ন টোব্যাকো কোম্পানীর শত শত কর্মী। এসব কর্মীরা বিভিন্ন লোভ-লালসার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষ সহ স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ধুমপানের মত বিষ পান ধরিয়ে দিয়ে জীবন বিপন্ন করার পায়তারা চালিয়ে প্রচুর নগদ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা ছাত্ররা রেহাই পাচ্ছে না টোব্যাকো কোম্পানীর শক্ত হাত থেকে। তারা বিনামূল্যে সিগারেট সরবরাহ করে গণহারে মানুষকে ধুমপানের প্রতি আকৃষ্ট করার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটালেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের অসচেতনতার কারনে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে না এখনো। এতে আইনের শাসনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। সরকার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিবেচনায় এনে ধুমপান নিয়ন্ত্রনের আইন করলেও তার কোন বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা নেই বললেই চলে। যার দরুন অসংখ্য অভিভাবক আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কিছু অসাধু টোব্যাকো কোম্পানীর কর্মচারীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধুমপানের মত বিষ সিগারেট বিক্রির প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে ঐ প্রতিষ্ঠানের অধীনে বিভিন্ন হাট-বাজারে কর্মী নিয়োগ করে ধুমপানের প্রচার-প্রচারনা বৃদ্ধি করে আসছে। এসব কর্মীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামে-গঞ্জে চষে বেড়াচ্ছে। তাদের টার্গেট হচ্ছে বিনামূল্যে সিগারেট, ঐ ব্রান্ডের সিগারেটের প্রতি মানুষকে আকৃষ্ট করা এবং নতুন ধুমপায়ী সৃষ্টি করা। যার কারনে মরণ নেশা তামাকজাত দ্রব্য কোম্পানী বেপরোয়াভাবে গড়ে উঠে প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়িয়ে বর্তমান বাংলাদেশকে ধ্বংসের মুখে ধাবিত করছে। তাছাড়া বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট কোম্পানির কর্মকর্তারা বিশাল এলাকা জুড়ে ওয়ার্ড় ভিত্তিক দল গঠন করে পাঠাচ্ছে ধুমপায়িদেরকে আকৃষ্ট করার লহ্ম্যে। মুলত দলের কাজ হচ্ছে নতুন ব্রান্ডের সিগারেট প্রচার-প্রসারের লহ্ম্যে ফ্রি সিগারেট দিয়ে ধুমপায়িদের সংখ্যা বাড়ানোর মত হীন কর্মকান্ডে চালিয়ে যাচ্ছে বীরদর্পে। সরকার যদি ধুমপান, মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের মত বিষপান প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন পদপে নিয়ে আইন প্রয়োগ করে, তাহলে ঐ সব মরণ নেশা বিষপানের লাইসেন্স দেয় কেন? তাই দেশ ও জাতির স্বার্থে দেশকে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে এসব অবৈধ মরণ নেশা তামাকজাত দ্রব্যের বিরুদ্ধে ও অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই সম্ভব হবে জাতির ভাগ্যের পরিবর্তনের।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT