টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

ঈদগাঁওতে মাদক স¤্রাটরা বেপরোয়া ॥ নেশার নীল জগতে যুব সমাজ

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার।

কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে মাদক স¤্রাটরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। জেলার ব্যাস্ততম বাণিজ্যকেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন মাদকস্পটসহ অপরাপর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায়ও বিস্তার লাভ করেছে রকমারী মাদক ও নেশাজাত দ্রব্যের অবাধ সরবরাহ ও বিকিকিনি। বাংলা মদ, গাঁজা, হিরোইন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন প্রকারের মাদক দ্রব্যের ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে ঈদগাঁও এলাকা। সন্ধ্যার পরেই মাদক সেবী ও মাদক স¤্রাটদের অবাধ বিচরণে সচকিত হয়ে উঠে ঈদগাঁও বাজারের চিহ্নিত মাদকস্পট গুলো। বিভিন্ন বয়সী নেশাখোর ও ক্ষেত্রবিশেষে বিপথগামী শিক্ষার্থীরাও নেশা ও মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। আর এ নেশার টাকা যোগাতে নেশাখোররা জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধে। ফলে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে দিনের পর দিন। প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকায় সংঘটিত হচ্ছে নানা রকম অপরাধ। স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্র-পত্রিকাসহ অনলাইন মিডিয়ায় এসব অপরাধের খবর এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। মাদকের উৎস অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাহাড়ি জনপদ ঈদগড় ও বাইশারীর বনজঙ্গল আকীর্ণ বিভিন্ন এলাকার পেশাদার মদ ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতকৃত বাংলা মদ ও চোলাইমদ ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়ক হয়ে ঈদগাঁও বাসষ্টেশন থেকে সড়ক পথে কলাকৌশলে আমিরাবাদ-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও উপকূলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডীর রাখাইন পাড়ায় উৎপাদিত বাংলা মদ চৌফলদন্ডী-ঈদগাঁও সড়ক দিয়ে সরবরাহ করা হয় বিভিন্ন এলাকায়। ঈদগাঁও বাজারের মাদক স্পট হিসেবে পরিচিত বাঁশঘাটা, বাসষ্টেশনের লালব্রীজ এলাকাসহ অপরাপর স্থানে নিয়মিত মদবিক্রেতা ও মাদক সেবীদের আড্ডা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। গাঁজা, হিরোইন ও ফেনসিডিল আসক্তরাও মাদক নিচ্ছে নিয়মিত। গাঁজা ও হিরোইনের চালান প্রধানত চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কুমিল্লার ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে আসে বলে জানা গেছে। কিছুদিন আগে এরকম এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ঈদগাঁও মেহেরঘোনা থেকে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক করে স্থানীয় জনগণ। মদ, গাঁজা, হিরোইন ও ফেনসিডিল ছাড়াও নেশাদ্রব্যের তালিকায় সম্প্রতি যোগ হয়েছে বিভিন্ন নাম ও লেভেলের এনার্জি ড্রিংক। সম্প্রতি ঈদগাঁও বংকিম বাজারে এরকম উত্তেজক পানীয়ের গুদাম ধরা পড়ে। এভাবে মাদকের অবাধ প্রবাহে বাড়ছে রকমারী অপরাধ। আর এসব অপরাধে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির ফলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। ৬/৭ টি প্রশাসনিক ইউনিয়ন ও বিপুল জনগোষ্ঠী সমৃদ্ধ বিশালায়তনের বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন পুলিশী অভিযান পরিচালিত হয়নি। বিভিন্ন সময়ে মদ ব্যবসায়ীরা আটক হলেও দূর্বল ধারায় চালান দেয়ায় আটকের কয়েকদিন পরে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসে ও দ্বিগুণ উদ্যমে শুরু করে মাদকের বেচা-কেনা। বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে  জেলা পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সুশীল সমাজ।

 

ঈদগাঁওতে গরুচোর সিন্ডিকেট সক্রিয় ॥ এক রাতে ৩টি গরু চুরি

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও,কক্সবাজার। মোবাইল- ০১৫৫৮-৪৩৪২২৮, ০১৮৩৫-৪১০১২৫। আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ঈদগাঁওতে গরু চোররা তৎপর হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন এলাকায় ইতোপূর্বে সংঘটিত গরু চুরির একাধিক ঘটনার কোন সুরহা না হওয়া ও চোরাই গরু উদ্ধার না হওয়ায় উৎসাহিত হয়ে আবারো মাঠে নেমেছে কুখ্যাত গরু চোরদের সিন্ডিকেট। ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে একাধিক এলাকার বিভিন্ন গৃহস্তবাড়ীর গোয়াল ঘরে হানা দিয়েছে গরু চোরের দল। পোকখালী ইউনিয়নের সিকদার পাড়া নিবাসী শফি আলমের গোয়াল ঘর থেকে এসময় ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৩ টি উন্নত জাতের গরু চুরি করে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে গোয়ালঘরে গরু নেই দেখে চুরির বিষয়টি জানাজানি হয়। এর পর সারা দিন বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করেও চুরিকৃত গরুর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। এর আগে একই এলাকার হাজী শামশুল আলম সিকদারের গোয়ালঘর থেকেও এক রাতেই ৬ টি গরু চুরি হয়ে যায়। এরও কিছুদিন আগে জালালাবাদ ফরাজী পাড়াস্থ টিকে ব্রীকফিল্ড থেকে ৩টি গরু চুরি হয়ে যায়। গরু চুরির এসব ঘটনায় অনেক চেষ্টার পরও চোরাই গরু উদ্ধার হয়নি। এরকম চুরির ঘটনায় গৃহস্তদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকেই আরামের ঘুম হারাম করে রাতজেগে গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছেন। আগামী কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ঈদগাঁওতে গরু-ছাগল-মহিষের হাট জমে উঠেছে। বিক্রির জন্য মোটা-তাজা করা এসব পশু চুরির টার্গেট নিয়ে সংঘবদ্ধ গরু চোরেরা মাঠে নেমেছে বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূক্তভোগী গৃহস্তরা জানান, বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৫/৬ ইউনিয়ন থেকে চুরি হওয়া গরু-ছাগল রাতারাতি ইসলামপুর খাল ঘাট থেকে বোটে তুলে দ্বীপ উপজেলা মহেষখালী, কুতুবদিয়াসহ বাঁশখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় নেয়া হয়। ইসলামপুরের স্থানীয় একটি চক্র এর সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।

ঈদগাঁওতে মাদকস¤্রাটরা বেপরোয়া ॥ নেশার নীল জগতে যুব সমাজ

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ০১-১০-২০১৩ ইং। কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে মাদক স¤্রাটরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। জেলার ব্যাস্ততম বাণিজ্যকেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন মাদকস্পটসহ অপরাপর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায়ও বিস্তার লাভ করেছে রকমারী মাদক ও নেশাজাত দ্রব্যের অবাধ সরবরাহ ও বিকিকিনি। বাংলা মদ, গাঁজা, হিরোইন, ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন প্রকারের মাদক দ্রব্যের ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে ঈদগাঁও এলাকা। সন্ধ্যার পরেই মাদক সেবী ও মাদক স¤্রাটদের অবাধ বিচরণে সচকিত হয়ে উঠে ঈদগাঁও বাজারের চিহ্নিত মাদকস্পট গুলো। বিভিন্ন বয়সী নেশাখোর ও ক্ষেত্রবিশেষে বিপথগামী শিক্ষার্থীরাও নেশা ও মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। আর এ নেশার টাকা যোগাতে নেশাখোররা জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধে। ফলে বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে দিনের পর দিন। প্রতিদিনই কোন না কোন এলাকায় সংঘটিত হচ্ছে নানা রকম অপরাধ। স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্র-পত্রিকাসহ অনলাইন মিডিয়ায় এসব অপরাধের খবর এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। মাদকের উৎস অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাহাড়ি জনপদ ঈদগড় ও বাইশারীর বনজঙ্গল আকীর্ণ বিভিন্ন এলাকার পেশাদার মদ ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতকৃত বাংলা মদ ও চোলাইমদ ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়ক হয়ে ঈদগাঁও বাসষ্টেশন থেকে সড়ক পথে কলাকৌশলে আমিরাবাদ-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও উপকূলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডীর রাখাইন পাড়ায় উৎপাদিত বাংলা মদ চৌফলদন্ডী-ঈদগাঁও সড়ক দিয়ে সরবরাহ করা হয় বিভিন্ন এলাকায়। ঈদগাঁও বাজারের মাদক স্পট হিসেবে পরিচিত বাঁশঘাটা, বাসষ্টেশনের লালব্রীজ এলাকাসহ অপরাপর স্থানে নিয়মিত মদবিক্রেতা ও মাদক সেবীদের আড্ডা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। গাঁজা, হিরোইন ও ফেনসিডিল আসক্তরাও মাদক নিচ্ছে নিয়মিত। গাঁজা ও হিরোইনের চালান প্রধানত চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কুমিল্লার ভারতীয় সীমান্ত এলাকা থেকে আসে বলে জানা গেছে। কিছুদিন আগে এরকম এক গাঁজা ব্যবসায়ীকে ঈদগাঁও মেহেরঘোনা থেকে ৩ কেজি গাঁজাসহ আটক করে স্থানীয় জনগণ। মদ, গাঁজা, হিরোইন ও ফেনসিডিল ছাড়াও নেশাদ্রব্যের তালিকায় সম্প্রতি যোগ হয়েছে বিভিন্ন নাম ও লেভেলের এনার্জি ড্রিংক। সম্প্রতি ঈদগাঁও বংকিম বাজারে এরকম উত্তেজক পানীয়ের গুদাম ধরা পড়ে। এভাবে মাদকের অবাধ প্রবাহে বাড়ছে রকমারী অপরাধ। আর এসব অপরাধে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির ফলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। ৬/৭ টি প্রশাসনিক ইউনিয়ন ও বিপুল জনগোষ্ঠী সমৃদ্ধ বিশালায়তনের বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন পুলিশী অভিযান পরিচালিত হয়নি। বিভিন্ন সময়ে মদ ব্যবসায়ীরা আটক হলেও দূর্বল ধারায় চালান দেয়ায় আটকের কয়েকদিন পরে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসে ও দ্বিগুণ উদ্যমে শুরু করে মাদকের বেচা-কেনা। বৃহত্তর ঈদগাঁও এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে  জেলা পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সুশীল সমাজ। ঈদগাঁওতে গরুচোর সিন্ডিকেট সক্রিয় ॥ এক রাতে ৩টি গরু চুরি

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও। মোবাইল- ০১৮১৮-০০০২২০, তারিখ- ০১-১০-২০১৩ ইং। আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ঈদগাঁওতে গরু চোররা তৎপর হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন এলাকায় ইতোপূর্বে সংঘটিত গরু চুরির একাধিক ঘটনার কোন সুরহা না হওয়া ও চোরাই গরু উদ্ধার না হওয়ায় উৎসাহিত হয়ে আবারো মাঠে নেমেছে কুখ্যাত গরু চোরদের সিন্ডিকেট। ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে একাধিক এলাকার বিভিন্ন গৃহস্তবাড়ীর গোয়াল ঘরে হানা দিয়েছে গরু চোরের দল। পোকখালী ইউনিয়নের সিকদার পাড়া নিবাসী শফি আলমের গোয়াল ঘর থেকে এসময় ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ৩ টি উন্নত জাতের গরু চুরি করে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে গোয়ালঘরে গরু নেই দেখে চুরির বিষয়টি জানাজানি হয়। এর পর সারা দিন বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করেও চুরিকৃত গরুর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। এর আগে একই এলাকার হাজী শামশুল আলম সিকদারের গোয়ালঘর থেকেও এক রাতেই ৬ টি গরু চুরি হয়ে যায়। এরও কিছুদিন আগে জালালাবাদ ফরাজী পাড়াস্থ টিকে ব্রীকফিল্ড থেকে ৩টি গরু চুরি হয়ে যায়। গরু চুরির এসব ঘটনায় অনেক চেষ্টার পরও চোরাই গরু উদ্ধার হয়নি। এরকম চুরির ঘটনায় গৃহস্তদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেকেই আরামের ঘুম হারাম করে রাতজেগে গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছেন। আগামী কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ঈদগাঁওতে গরু-ছাগল-মহিষের হাট জমে উঠেছে। বিক্রির জন্য মোটা-তাজা করা এসব পশু চুরির টার্গেট নিয়ে সংঘবদ্ধ গরু চোরেরা মাঠে নেমেছে বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূক্তভোগী গৃহস্তরা জানান, বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৫/৬ ইউনিয়ন থেকে চুরি হওয়া গরু-ছাগল রাতারাতি ইসলামপুর খাল ঘাট থেকে বোটে তুলে দ্বীপ উপজেলা মহেষখালী, কুতুবদিয়াসহ বাঁশখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় নেয়া হয়। ইসলামপুরের স্থানীয় একটি চক্র এর সাথে জড়িত বলে জানা গেছে।

ঈদগাঁওতে তথ্য প্রযুক্তির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী “ডাকবক্স” এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০১-১০-২০১৩ইং সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে নানা তথ্য প্রযুক্তির দাপটে প্রতিণে প্রতিমুহুর্তে হারিয়ে যাচ্ছে সেই পুরোনো ঐতিহ্যবাহী ডাকঘরের “ডাকবক্স”। জানা যায়, ফেলে আসা দিন গুলোতে বার্তা প্রেরক ও মনের ভাব আদান প্রদান েেত্র ডাক বিভাগের বিষয়টি অতিব গুরুত্বের সাথে উচ্চারিত হয়েছিল। আশির দশক পর্যন্ত যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল চিঠি এবং জরুরী বার্তার জন্য টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন। একমাত্র জেলা শহর  ব্যতিত গ্রামীন জনপদে টেলিফোনের ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত। পরিবার কিংবা প্রিয়জনের একটির জন্য অপো হয়ে থাকতেন প্রবাসীরা। এখন আর সেই দিন নেই। নানা তথ্য  প্রযুক্তির  উন্নয়নে দিন বদলের ন্যায় পাল্টে গেছে সবকিছু। এখন এক নিমিশেষে খবরা খবর পৌছে যাচ্ছে ঘরে বসে থেকে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে। প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে আলাপ চলছে অত্যাধুনিক মোবাইলে। চোখের পলকে খবর পৌছে যাচ্ছে কম্পিউটারাইজম সিস্টেম তথ্য প্রযুক্তির আরেক যাত্রা ই-মেইলে। ডিজিটাল যুগের একদাপ পরিবর্তনের ফলে অচল হয়ে গেছে ডাকে চিঠি প্রেরণ ও টেলিগ্রাফের যুগ। তাই ডাক বিভাগের ধরণ  আর কাজের পরিধির মধ্যে এসেছে নানা পরিবর্তন। কালের বিবর্তনে হয়তো পরিবর্তন এসে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির আদল ধারণ করবে। তখন হয়তো ডাকঘরের আভিধানিক অর্থ এবং কাজের ধরণ ও পাল্টে যাবে। প্রতি বছর ৯ অক্টোবর পালন করা হয় বিশ্ব ডাক দিবস। অথচ এই দিবসে জেলা জুড়ে কোন প্রকার তৎপরতা চোখে পড়েনা। প্রযুক্তির গ্যাড়াকলে পড়ে নানা কারনে এই দিবস অচিরেই হারিয়ে যাচ্ছে জেলাবাসীর কাছ থেকে। ১৮৬৩ সালে আমেরিকায় ডাক বিভাগের প্রবর্তন ঘটলেও ১৮৭৪ সাল থেকে এসে গঠিত হয় জেনারেল পোষ্টাল ইউনিয়ন। ইউনির্ভাসেল পোষ্টাল ইউনিয়ন গড়ে তোলার লে বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হলেও বাংলাদেশে ডাক বিভাগের চিত্র এখন আর পুর্বের মত নেই। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি কারনে এবং বিভিন্ন কুরিয়ার সাভির্সের দাপটে ডাক বিভাগের আগের ব্যস্ততা আর নেই। দেশ বিদেশ থেকে চিঠি পত্রের আদান প্রদান এবং টাকা প্রেরনের সবছেয়ে নিরাপদ মাধ্যম ছিল ডাক বিভাগ। সে সময়ে ডাক বিভাগের কদর ছিল অন্য রকম। এখন কালের আবর্তে অন্যতম তথ্য প্রযুক্তির ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে সেই পুরোনো ডাক যোগাযোগ। দূরত্ব আর এলাকার ধরণের উপর নির্ভর করত ডাক যোগে কোন জিনিস কয় দিনে পৌঁছবে। এখন সে অপো আর করতে হয়না। অনায়াসে পৌঁছে যায় প্রিয়জন কিংবা শুভাখাংেিদর কাছে খবরাখবর বা অন্যান্য জিনিস পত্র। কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওয়ের ব্যস্থতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁওয়ের উপ ডাকঘর সহ ইউনিয়ন ভিত্তিক ডাকঘরে অতীতে যে ভাবে ডাক বক্সে চিঠি পত্র আদান প্রদান করা হত, এখন সে তা তথ্য প্রযুক্তির প্রবাহে প্রতিণে প্রতি মুহুর্তে হারিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে হরেক রকমের মোবাইল সহ অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ফলে এ বৃহত্তর এলাকা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সহজ-সরল নারী পুরুষেরা সেই চিঠি পত্র আদান প্রদান করতে ডাক বিভাগে আসতে দেখা যায়না। যার ফলে ডাকঘরের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির পরিবর্তে কমতে দেখা যাচ্ছে বলেও ধারনা করেন কৌতহলী লোকজন। চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী ডাকঘরের “ডাক বক্স” কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে সভ্য সমাজের কাছ থেকে। ———————————————–

ছবি আছে জেলার প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী ক্যছেন রাখাইনের শেষকৃত্যনুষ্ঠান সম্পন্ন এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০১-১০-২০১৩ইং কক্সবাজারের প্রতিভাবান গিটারিষ্ট ও কণ্ঠশিল্পী ক্যছেন রাখাইনের শেষকৃত্যনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টায় শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ রাখাইন শ্বশান প্রাঙ্গণে। জানা যায়, বিগত এক বছর ধরে তিনি লিভার জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বেলুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শে তিনি দেশে ফিরে আসেন। বাড়ীতে তিনি অনেক দিন মৃত্যু সাথে পাঞ্জা লড়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত মৃত্যু কাছে হার মেনে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টায় শহরের বার্মিজ স্কুল সড়কস্থ সুজাউ সওদাগর পাড়ার নিজ বাস ভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদিকে ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা দিকে তাঁর ভক্ত এবং প্রিয়জনরা তাদের প্রিয় শিল্পীকে এক নজরের দেখার জন্য ভিড় জমায়। তাঁর এই অকাল মৃত্যুকে রাখাইন সম্প্রদায়ে তরুণ-তরুণীরা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। কারণ প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ে সবচেয়ে আনন্দ ও বড় উৎসব মাহা সাংগ্রেং (জলকৈলীয় উৎসব) এর তিনি তার গানের মাধ্যমে সবাইকে মাতিয়ে রাখতেন।  তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও বেঁচে থাকবে সমস্ত ভক্তদের হৃদয়ে। তাঁর এই মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোকাহত হয়ে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন- ঈদগাঁও লেখক সোসাইটি (ইএলএস) নামক একটি সাহিত্য সংগঠন। ——————————————–

অভাব তাড়িত শিশুরা চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০১-১০-২০১৩ইং চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকান্ডে এখন অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে অভাব তাড়িত শিশুদের। অভাবে তাড়নায় দু’মুঠো খেয়ে পরে বাচতে অনেক শিশুদের দিয়ে এ ব্যবসা করেন তাদের পিতা-মাতারা। জৈনকা এক ছোট শিশু রুবেলের বয়স মাত্র ৮, অল্প বয়সে টাকা রোজগার করে টানছে সংসারের ঘানি। আর টাকা রোজগারের পথ পেয়ে আবার অনেকে হচ্ছে নেশায় আসক্ত। নষ্ট হচ্ছে এসব শিশুদের অনাকাঙ্খিত উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। যে বয়সে এসব শিশুদের স্কুলে যাওয়ার কথা সে বয়সে এই কোমলমতী শিশুরা ব্যবহার হচ্ছে চোরাচালানী কাজে, অনেক সময় কড়া-কড়িতে নেশার টাকা জোগাড় করতে করেছে চুরি। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেণীর দালাল নামদারী অসাধু মহল শত শত শিশুদের টোকাই বানিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে নির্বিঘেœ। অন্যদিকে, অল্প বয়সে অভাবের খেয়ে অর্থের লোভে করছে অনৈতিক কর্মকান্ড, জড়িয়ে পড়ছে শিশু ও কিশোর অপরাধ অপকর্মে। সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও সহ জেলা জুড়ে চোরাই মালের রমরমা বাণিজ্য জমে উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, বেতন ভোক্ত ও ভ্রাম্যমান টোকাই হিসেবে পরিচিত শিশু- কিশোরদের দিয়ে ভাঙ্গারি ব্যবসা, চুরি-ছিনতাই ও মাদক বহন সহ নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। এতে সহযোগীতা করে যাচ্ছে কুরুচি পুর্ন মনমানষিকতা সম্পন্ন কতিপয় লোকজন। নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন, আইন শংঙ্খলা বাহিনির সদস্যদেরকে ফাকি দিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বস্ত সূত্র মতে, চোরা কারবারি শিশুদেরকে অর্থের লোভ দেখিয়ে ব্যবহার করে তাদের দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার থেকে আসা অবৈধ মাদক পণ্যের কাজে লাগানো হচ্ছে। পাশাপাশি হত দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের এসব কোমলমতি শিশুরা অর্থের মুহে পড়ে জীবনে ঝুকি মাথায় নিয়ে এই হীন কাজকর্ম করে যাচ্ছে জেলা সহ বিভিন্ন উপজেলার শত শত অভাব তাড়িত শিশু-কিশোররা। এ কাজে শিশুদের ব্যবহার করে অনেক লোকজন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হয়েছে। এ বিষয়ে সচেতন এলাকাবাসীর মতে, এই কোমলমতী শিশুদের হীন কর্মকান্ড থেকে রা করে, শিাঙ্গনের দিকে অগ্রসর করলে তাদের অনাগত ভবিষ্যৎ জীবন উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। আর না হয় তিলে তিলে কষ্ট ভোগতে হবে। কারা এই নিস্পাপ শিশুদের অন্ধকার জগতের বাসিন্দা বানাতে চায়? এরা কারা? তদারকি পূর্বক এদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার জোর দাবী অভিভাবক মহলের। —————————————-

ফলোআপ ঈদগাঁওতে ইয়াবার ঘটনায় নিরীহ যুবকদের ফাঁসানোর অপচেষ্টা লিপ্ত কুচক্রি মহল! এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও ০১-১০-২০১৩ইং সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে মসজিদের ইমামের রুমে ইয়াবা চালান আটকের ঘটনায় এলাকার নিরীহ যুবকদের ফাঁসানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে কুচক্রি মহল। এই নিয়ে চলছে এলাকার জুড়ে অন্য রকম পরিস্থিতি। এই ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হলেও কারা এই আলোচিত ইয়াবার গডফাদার তা এখনো প্রশাসন বের করতে পারেনি। এদিকে ২৯ সেপ্টেম্বর ঈদগাঁও পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে আই.সি ও টু আই.সি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অন্যদিকে- জৈনক এক রোহিঙ্গা মৌলভীর নেতৃত্বে এই ইয়াবা দিয়ে স্থানীয় অপর এক মৌলভীকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে বলে এলাকার সচেতন মহলের অভিযোগ। উল্লেখ্য, ঈদগাঁও ইউনিয়নের মেহেরঘোনা ফরেষ্ট অফিস সংলগ্ন অবস্থিত জামে মসজিদের ইমাম মওলানা কলিম উল্লাহের রুমের আলমিরা থেকে ২৪সেপ্টম্বর স্থানীয় মেম্বার ও বেশ কয়েকজন যুবক এই ইয়াবার চালান আটক করে। এ নিয়ে দীর্ঘন গোপন বৈঠক চলার এক পর্যায়ে একটি কাগজে বিষয়টি আপোষ মিমাংশা করে ইয়াবা টেবলেট গুলো গায়েব করে দিয়েছে বলে জানান। তবে স্থানীয় লোকজনের ধারনা মতে, আটককৃত ইয়াবা চালানে প্রায় ৫ ল টাকা হতে পারে। প্রকৃত সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। এদিকে ঘটনাটি সামাল দিতে কতিপয় যুবক পুলিশ- সাংবাদিক ম্যানেজ করার নামে ঐ মাওলানার কাছ থেকে মোটা টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ ব্যপারে মেম্বার সেলিম উল্লাহের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, তিনি নয়, কয়েকজন যুবক ইমামের রুম হতে মাত্র কয়েকটি ইয়াবা উদ্ধার করেছে। অপরদিকে অভিয্ক্তু তাবলীগ কর্মী মিজানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি দীর্ঘ দু’মাস ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌছে দেওয়ার ল্েয তাবলীগ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলাম। হঠাৎ করে ইয়াবা ঘটনায় সম্পৃততা দেখিয়ে পরিবার ও এলাকাবাসীর কাছে আমাকে হেয় করার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। এই নিয়ে উর্ধ্বতন প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT