টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

ঈদগাঁওতে পানি নিস্কাশনের বহু কাঙ্খিত ড্রেনেজ নির্মাণ কাজ চলছে: জনদুর্ভোগ কাটছে বাজারবাসীর

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৩
  • ১০১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বৃহত্তম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারের পানি নিস্কাশনের বহু কাঙ্খিত দু’টি ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ চলছে। ড্রেন দু’টি হলো- প্রধান সড়কে মাতবর মার্কেট সংলগ্ন রাইস মিল হতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস পর্যন্ত এবং বাজারের দণি পার্শ্বে জীপ স্টেশন থেকে আবদু রহিমের বাড়ী পর্যন্ত। উপজেলা প্রশাসনের রাজস্ব তহবিল থেকে এ দু’টি ড্রেনে উন্নয়নে দুই লাধিক টাকা বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ড্রেন দু’টির নির্মাণ কাজ ইতি মধ্যে শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের মতে, অনুমোদিত বরাদ্দ থেকে প্রাপ্ত মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। অবশিষ্ট টাকা উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ছাড় করলে স্বল্প সময়েল মধ্যে বাকী নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করছে। উল্লেখ্য বাজারের প্রাণ কেন্দ্রে হাইস্কুল গেইট থেকে ভূমি অফিস পর্যন্ত প্রধান সড়ক ডি.সি রোডে দীর্ঘকাল ধরে পানি নিস্কাশনের ড্রেন ময়লা আবর্জনা ভরপুর এবং প্রায় অংশে স্লাব নষ্ট হওয়ায় পানি চলাচল ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। সামন্য বৃষ্টিপাতে তা জন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়–য়া শিার্থী সহ বাজারে দূর দুরান্ত থেকে আগত জনগণের কষ্ট ও ভোগান্তি বেড়েছিল। এ ব্যাপারে দৈনিক আজকের কক্সবাজার পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর অবশেষে উর্ধ্বতন কতৃপরে টনক নড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাহিত্য কর্মী ইব্রাহিম ভুট্টু এই প্রতিনিধিকে জানান, দীর্ঘকাল পর বাজারবাসী পানি নিস্কাশন এবং দুভোর্গ থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এতে অনেক ব্যবসায়ীর মুখে হাঁসির ঝিলিক ফুটতে দেখা গেছে। —————————–

 

 

ল ল টাকার চিংড়ি সহ অন্যান্য মাছ সাগরে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা জেলাব্যাপী পূর্ণিমা তিথির প্রবল জোয়ার: প্লাবন ঝুঁকিতে চিংড়ি চাষ এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও তারিখঃ ২০-০৮-১৩ ইং জেলাব্যাপী চিংড়ি চাষ ফের সামুদ্রিক জোয়ার জনিত প্লাবন ঝুঁকিতে রয়েছে। বেশ কিছুদিন পূর্বে চলতি পূর্ণিমা তিথির জোয়ার শুরু হওয়ার সাথে সাথে ক্রমশ বাড়ছে সামুদ্রিক জোয়ারের উচ্চতা। প্রতিদিন দিনের জোয়ারে চেয়ে রাতের জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান জোয়ারের ফলে পুনরায় প্লাবন ঝুঁকিতে পড়েছে জেলার উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার একরের চিংড়ি চাষ। সে সাথে গত ৩/৪ দিনের টানা বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার নদী,খাল সমূহে নেমেছে প্রবল পাহাড়ি পানির ঢল। বাঁকখালী, মাতামুহুরী, ঈদগাঁও, জোয়ারিয়ানালা, কালিরছড়া, খুটাখালী খালসহ জেলার অপরাপর নদী খালের মোহনা এলাকায় অবস্থিত চিংড়ি প্রকল্প ও মৎস্যঘের সমূহ একদিকে পাহাড়ি ঢলের পানি, অপরদিকে উচ্চমাত্রার সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে বেড়িবাধ বিধস্ত হয়ে যে কোন মুহুর্তে তলিয়ে যেতে পারে। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী, কুতুব দিয়া সহ চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ ও সদর উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকায় তিন সহস্রাধিক চিংড়ি প্রকল্পের চাষকৃত ল ল আহরণযোগ্য চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রয়েছে। এসব চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ আহরণ এবং হিমায়িত করে রপ্তানী করা হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। বর্তমানে চিংড়ি আহরণ মৌসুম চলছে। ২/৩ মাছ পূর্বে থেকে চাষকৃত চিংড়ি পোনা আহরণ উপযোগী হয়েছে এখন। চলতি পূর্ণিমা তিথিতে জোয়ারের পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বেড়িবাধ ভেঙ্গে ঘের প্লাবিত হয়ে ল ল টাকা মূল্যমানে চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ সাগরে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক তিনযুগ পূর্বে নির্মিত পুরানো বেড়িবাধ ও সুইচ গেইট সমূহ বেশীমাত্রার সামুদ্রিক জোয়ারের চাপ সহ্য করতে পাচ্ছে না। কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডে আওতাধীন পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতি হান্নান মিয়া মতে, উপকূলীয় বেড়িবাধে নাজুক অবস্থার কথা জানালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বরাদ্দ নেই বলে জবাব দেন। কক্সবাজার মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র মতে, জেলায় তিন হাজার আটশত টি চিংড়ি প্রকল্প রয়েছে, যার আয়তন ৬২ হাজার একর।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT