হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফপ্রচ্ছদফিচার

ইয়াবা মুক্ত টেকনাফ বনাম বাংলাদেশ কিভাবে সম্ভব

ওসামা বিন আমান = ইয়াবাসহ সকল নেশা এবং জুয়াকে আল্লাহ হারাম করেছেন। ইয়াবা, গাঁজা, হিরুইন,আফিম,মদ, ফেন্সিডেল সহ নাম না জানা অনেক নেশা এবং জুয়া যাকে একবার পেয়ে বসেছে থাকে সর্বহারা করে ছাড়ে, যদি আগে থেকে ছেড়ে তাহলে সে বেছেগেল।
আল্লাহ পবিত্র কুরআন শরীফে বলেনঃ “তারা আপনাকে (নবী)মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি (নবী) বলেদিন উভয়ের মধ্যেই রয়েছে মহাপাপ। (সূরা: বাকারা ২১৯)
আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ ‍‌‌‌‍‍‍‍‍‍ ‍হে ঈমানদারগণ! মদ, জুয়া প্রতিমা ও লটারী এ সবই শয়তানের কাজ। তোমরা উহা হতে বিরত থাক। আশা করা যায় যে, তোমরা সাফল্য লাভ করতে পারবে। নিশ্চয় শয়তান, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চায় এবং আল্লাহর যিকর ও নামায হতে তোমাদের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে থাকে। তাই তোমরা এসব জিনিস হতে বিরত থাকবে কি? (মায়েদা ৯০-৯১)
এবং রাসুল (সাঃ) হাদিস শরীফে বলেনঃ রাসূল (সাঃ) বলেন, তোমরা মদ থেকে বেঁচে থাক, কারণ এটা সকল অশ্লীলতার উৎস। (হাকেম) এ হাদীস থেকে বুঝা যায়, যে লোক মদপান থেকে বিরত হয় না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যচারী এবং এ জন্য শাস্তি অবাধারিত। আল্লাহ তা’আলা বলেন, যে লোক আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয় এবং তাঁর নির্ধারিত সীমাতিক্রম করে, আল্লাহ তাকে চিরস্থায়ী জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন। তার জন্য রয়েছে অপমানকর শাস্তি। (নিসা ১৪)
রাসূল (সাঃ) বলেন, মদ পানে চির অভ্যস্ত ব্যক্তি মূর্তি পুজকের সমান (আহমদ) নাসায়ীতে ইবনে ওমর (রাঃ) রাসূল (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, মাতা-পিতার অবাধ্য ও মদ পানে অভ্যস্ত এ দুইজন জান্নাতে যাবে না।
রাসূল (সাঃ) বলেন “চোর চুরি করার সময় মুমিন থাকে না। ব্যভিচারী ব্যভিচারে রত অবস্থায় মুমিন থাকেনা। মদপায়ী মদপান রত অবস্থায় মুমিন থাকে না। অতপর তওবা করলে মুমিন অবস্থায় ফিরে আসে। (বুখারী ও মুসলিম)
ইমাম বুখারী (রাহঃ) বলেন, হযরত ইবনে ওমার (রাঃ) বলেছেন, মদপানকারীকে সালাম দিওনা। রাসূল (সাঃ) আরো বলেন, মদপানকারীদের সাথে ওঠাবসা করো না, তারা রোগাক্রান্ত হলে দেখতে যেয়োনা। তাদের জানাযায় অংশ গ্রহণ করো না। হাশরের দিন মদখোর কালো কুৎসিত চেহারা নিয়ে উঠবে। তার জিহ্বা বুকের উপর ঝুলতে থাকবে, যা থেকে লালা ঝরতে থাকবে। যে-ই তাকে দেখবে, সে-ই তাকে মদপানকারী হিসাবে চিনবে (ইবনে জাওসী)
★এক ভাই প্রশ্ন করেছিলেন টেকনাফ কে কিভাবে ইয়াবা মুক্ত করা যায়।
সবাইকে লক্ষ করে বলছি শুধু টেকনাফ কে নয় পুরা দেশকে মদ এবং মাদক মুক্ত করা যাবে….কিভাবে?
তার জন্যে প্রথম কাজ হচ্ছে সবাইকে মুসলমান হিসাবে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে হবে।
মদ পানের শাস্তিঃ
সওর ইবনে যায়দ দায়লামী (রহঃ) বলেন, মদপায়ীর শাস্তির ব্যাপারে হযরত ওমর (রাঃ) সাহাবাদের পরামর্শ চাইলেন। তখন হযরত আলী (রাঃ) বললেন, আমি মনে করি তাকে আশি দোররা মারা উচিত। কেননা যখন সে মদপান করে, তখন সে মাতাল হয়ে পড়ে, আর মাতাল হলে আবোল তাবোল বকাবকি করে। আর যখন সে আবোল তাবোল বকে, তখন সে মিথ্যা অপাবদও রটায় এবং ব্যভিচারে অপবাদের শাস্তি হল আশি দোররা। সেই হতে হযরত ওমর (রাঃ) মদপায়ীকে আশি দোররা মারার নির্দেশ দিলেন। (মালেক)
হযরত সায়েব ইবনে ইয়াযিদ (রাঃ) বলেন, আবু বকরের খেলাফত কালে এবং ওমরের খেলাফতের প্রারম্ভে মদ্যপায়ীকে এনে উপস্থিত করা হত। তখন আমরা আমাদের হাত, জুতা এবং চাদর দ্বারা তাকে আঘাত করতাম। কিন্তু হযরত ওমরের খেলাফতের শেষ দিকে তিনি চল্লিশ চাবুক মারতেন। আর যখন তারা (মদ্যপায়ীরা) সীমাতিক্রম করতে লাগল এবং ব্যাপকভাবে পাপে লিপ্ত হতে আরম্ভ করল তখন তিনি আশি দোররা মারতে লাগলেন। (বুখারী)
যদি কোন মদপায়ীকে পাকড়াও করে আনা হয় আর জনগণ সাক্ষ্য দেয় যে, সে মদ পান করেছে, অথবা তাকে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আনা হয়েছে কিংবা তার মুখ হতে মদের গন্ধ পাওয়া যায়, তখন তার উপর শাস্তি প্রয়োগ হবে। আর যদি কোন মদপায়ী গন্ধ থাকা অবস্থায় স্বীকার করে তাকেও শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু যদি গন্ধ চলে যাওয়ার পর স্বীকার করে, তখন ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) ও আবু ইউসুফের মতে শাস্তি দেওয়া যাবে না। কিন্তু ইমাম মুহাম্মদ বলেন, তখনও শাস্তি দেওয়া যাবে।
ঈমাম শাফেয়ী বলেন, যদি কেউ মদ বমি করে বা মুখ হতে মদের গন্ধ পাওয়া যায়, কিন্তু তাকে মদ পান করতে কেউ দেখে নাই, তখন তাকে শাস্তি দেওয়া যাবে না। আর ইমাম আহমদেরও একই মত। ইমাম মালেকের মতে শাস্তির পরিমাণ হলো আশি দোররা। আর ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) চল্লিশ দোররার কথাও বলেছেন। পরিশেষে বলতে চাই মদ জুয়াই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উৎস, তা একমাত্র ইসলামী বিধানেই নির্মূল করা সম্ভব। তাই আসুন ইসলামী বিধানে জীবন যাপন করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এহেন ঘৃণীত ও হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন। আমিন
২★ সবার জন্য সু-শিক্ষার পাশাপাশি পরিবারিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, এবং ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও বড়দের সম্মান ও ছোটদের প্রতি স্নেহশীল করতে হবে।
৩★ কর্তা বাবু মানে এম পি, মন্ত্রী, প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবানদের কে এই ঘৃণকাজ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং দুর্নিতি মুক্ত ও ন্যায়পরায়ণ হতে হবে।
৪★ তাদের কে অন্যান্য হালাল ব্যবসায় উৎসাহী ও সযোগ করেদিতে হবে, এবং সমাজের বিত্তবানদের প্রতিটা বেকার যুবকের জন্য কর্মস্থলের ব্যাবস্তা করতে হবে, কারন এইসব কাজ বেকারাই বেশিরভাগ করে থাকেন।
৫★ যারা এই কাজ ছাড়েনা তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে গ্রাম ছাড়া করতে হবে এখানে কোন দরনের সহানুভূতি চলবেনা। এবং যারা পান করে তাদেরকে হযরত ওমর (রাদিঃ) আইন অনুযায়ী আশি টা বেতের বাড়ি দিতে হবে।
টেকনাফ আজ এত অন্ধকারে মানুষ নামের অমানুষ কর্তা বাবুদের কারনে,
তারা ঠিক হলে বাঁকিরা অমনি অমনি ঠিক হয়ে যাবে, আজকে কোন হালাল ব্যাবসা করতে গেলে লাভের কথা রাখেন পুঁজিটা ও ঐসব কর্তা বাবুদের দিয়ে সর্বহারা হয়ে পালাতে হয়। এমন হলে রুপালী টেকনাফ ও সোনালী বাংলাদেশ আর দেখা হবেনা, তবে মনে রাখা ভাল,
লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.