টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

ইয়াবা ব্যবসায় বাধা দিতেই শ্রমিক লীগ নেতা খুন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৩
  • ১৫৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম ###dhaka-meadical-BGইয়াবা ব্যবসায় বাধা দিতে গিয়েই সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছেন শ্রমিক লীগ নেতা মোক্তার হোসেন। এর আগেও বেশ কয়েকবার তাকে হত্যা চেষ্টা করা হয়।এমনটাই ধারণা করছেন তার নিকটজনেরা।   মালিবাগ আবুল হোটেলের পেছনে স্থানীয় মমিনের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইয়াবা ব্যবসা করে। আর এই ব্যবসাতে বাধা দিতে গিয়েই প্রাণ দিতে হলো শ্রমিক লীগের এই নেতাকে।   নিহত মোক্তারের পরিবার, স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।   পুলিশ এই চক্রকে গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে। তবে ঘটনার পর থেকে মমিনসহ তার কয়েক সহযোগী পলাতক রয়েছে।   স্থানীয় লোকজন জানান, বুধবার সকাল ৮ টার দিকে মোক্তার বাড়ি থেকে বের হয়ে আবুল হোটেলের নিকট আসেন। এরপর স্থানীয় এক লোকের ফোন পাওয়ার পর সে হোটেলের একটু পশ্চিমে আবুল হাশেমের চায়ের দোকানে যান।
সেখানে লোকজনের সঙ্গে কথা বলা অবস্থায় সন্ত্রাসীরা তাকে চারিদিকে ঘিরে সকাল সোয়া ৯ টার দিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
এ সময় দোকানে বসা অন্যান্য লোকজন আতঙ্কে চারিদিকে ছুটাছুটি করতে থাকে। সন্ত্রাসীরা মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অন্তত ১০ টি আঘাত করে। পরে তারা মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে গলির ভেতর দোকান থেকে বীরদর্পে বেরিয়ে যায়। মোক্তারের শরীরের রক্তে পুরো দোকান লাল হয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই মোক্তারের ভাই হানিফ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে সিএনজি অটোরিক্সায় করে তার ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোয়া ১২ টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।   মোক্তারের স্ত্রী মৌসুমি আক্তার বাংলানিউজকে বলেন, ‘তার স্বামী গার্মেন্টের মালপত্র আনা নেয়ার কাজে যে শ্রমিক কাজ করে তারই সর্দার ছিলেন। সকাল ৮ টার দিকে সে বাড়ি থেকে বের হয়ে গার্মেন্টে শ্রমিক দেয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন।’   তিনি অভিযোগ করেন, কিছুদিন থেকে তাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী মোমিনসহ তার লোকজন হুমকি দিয়ে আসছিল। এ কথা তাকে কয়েক বার আমাকে জানায়। আমি তাকে সাবধানে চলাচলের জন্য বলি।   এদিকে নিহত মোক্তারের ভাই হানিফ বাংলানিউজকে বলেন, ‘এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ী মোমিনসহ তার সহযোগীরা তার ভাইকে হত্যা করতে পারে। কারণ মোমিনের ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ করা নিয়ে মোক্তারের সঙ্গে বেশ কয়েকবার গণ্ডগোল হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘মোমিনের গ্রুপের একজন ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে কিছুদিন আগে আটক হয়। মোমিনের ধারণা এটি মোক্তারের কাজ। আর এ কারণেই সে বেশ কিছুদিন ধরে তার ওপর ক্ষিপ্ত। মোবাইল ফোনে সে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল। আমাদের ধারণা মোমিনসহ তার সহযোগীরা আমার ভাইকে হত্যা করেছে।’   এদিকে রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মশিউর রহমান বাংলানিউজকে জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।   তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে। আমরা সবকিছুই খতিয়ে দেখছি জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’   অন্যদিকে মোক্তার হোসেনের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার রাম প্রসাদচরে। তারা ৬ ভাই। সবাই ব্যবসায়ী। মোক্তার পূর্ব রামপুরার স্কুল গলির ১১০ নম্বর বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকতো। তার দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পাশাপাশি মোক্তার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি। সে গার্মেন্টের মালপত্র আনা নেয়ার কাজে শ্রমিকের সর্দার ছিলেন।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT