টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এখন ইয়াবা ট্যবলেট “ ভাই” বলে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করছে

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৩
  • ৩৮৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

yaba‘বড় ভাই কত, ছোট ভাই কত-ভাই কখন পৌঁছবে?’


সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার জেলা জুড়ে ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চলছে। সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেছে এই ইয়াবার ক্রয়-বিক্রয়, গ্রাহক ও চাহিদা।  কারখানা থেকে শুরু করে সেবনকারী পর্যন্ত পৌঁছতে কয়েক দফা করে হাত বদল হচ্ছে ছোট ট্যাবলেট আকৃতির এ ইয়াবা। মিয়ানমার থেকে এসব ইয়াবা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে দেশে ঢুকতে ব্যবহার করা হচ্ছে হরেক রকম পদ্ধতি। এর পর টেকনাফ থেকে কক্সবাজার হয়ে সারা দেশে বিশেষ কৌশলে ছড়িয়ে পড়ছে এই ইয়াবা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারীতে প্রতিদিন কোন না কোন ইয়াবার চালানসহ পাচারকারীরা আটক হচ্ছে। কিন্তু কোন ভাবে রোধ করা যাচ্ছে না ইয়াবার বিকিকিনি। দিন দিন আরো বাড়ছে ইয়াবার চাহিদা। বেড়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীর সংখ্যাও। ফলে বেপরোয়া হয়ে উঠছে ইয়াবা ব্যবসায়িরা। প্রতিটি এলাকায় রয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়িদের সক্রিয় সদস্য। তারা সিন্ডিকেট করে প্রতিনিয়ত ইয়াবা মিয়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে সারা দেশে সরবরাহ করছে। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িরা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে মোবাইল ফোন। মোবাইলে কথা বলে আন্ডার গ্রাউন্ডের ব্যবসায়িরা এসব ইয়াবার আকার ভেদে দাম নির্ধারণ করে থাকেন। নির্ধারিত দর-দাম ঠিক হলে পাচারকারীর মাধ্যমে আন্ডার গ্রাউন্ডের ব্যবসায়িরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ ক্ষেত্রে পাচারকারীর মাধ্যমে ইয়াবা নির্দিষ্ট স্থানে পৌছানো পর্যন্ত উভয় ব্যবসায়ি কয়েক মিনিট পর পর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ রক্ষা করেন। কখন পৌঁছবে, এখন কোন জায়গায়, কোন সমস্যা হয়েছে কি না ইত্যাদি। যদি এসব ব্যবসায়িরা হঠাৎ কোন জনসম্মূখে থাকেন তখন যদি অপর প্রান্ত থেকে কোন ব্যবসায়ি বা পাচারকারীর ফোন আসে তখন তারা ইয়াবাকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে। অপরাধ জগতে ইয়াবা আলোচিত হওয়ায় কারো মূখে ইয়াবার নাম নিলে সবার দৃষ্টি তার দিকে চলে যায়। তাই ব্যবসায়িরা ইয়াবা লেনদেন করার সময় ইয়াবার নাম এড়াতে তারা ব্যবহার করছে হরেক রকমের নাম। ইয়াবার দাম ও আকার নির্ধারণ করতে যেসব সংকেত তারা ব্যবহার করছে তা হলো- ‘বড় ভাই কত’ এর মানে হলো- ‘আর সেভেনের দাম কত’, ‘ছোট ভাই কত’ এর মানে হলো- ‘চম্পার দাম কত’। এভাবে ব্যবসায়িরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইয়াবার আকার ও দাম নির্ধারণ করে বিভিন্ন ব্যবসায়ির হাতে পাচারকারীর মাধ্যমে সরবরাহ করে। পাচারকারীর মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার পথে উভয় ব্যবসায়ি মোবাইল যোগাযোগে বলে ‘বড় ভাই (আর সেভেন) এখন কোথায় অথবা ‘ছোট ভাই (চম্পা) এখন কোথায়? কখন পৌঁছবে?। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িরা বলে থাকেন-‘ভাই (ইয়াবা) এখন পৌঁছবে। এভাবে ইয়াবা ব্যবসায়িরা সাংকেতিক নাম ব্যবহার করে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রেখেছে। জনসাধারণ ও আইনশৃংখলা বাহিনীর নজর এড়াতে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা পাচার ও বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইয়াবা ব্যবসায়ী তাদের এমন কথোপকথনের তথ্য জানিয়েছেন।

ইয়াবা পাচারকারীদের কথোপকথন —- আরফাতুল মজিদ :

 

– See more at: http://dainandincox.com/archives/30416#sthash.PTcXvbcX.dpuf

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT