টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সনাক্ত করে কঠোর শাস্থিমূলক পদপে নেওয়া দরকার পর্যটক ও উখিয়া-টেকনাফের মানুষ যানবাহনে অমানবিক হয়রানির শিকার :প্রতিকার চায় জনসাধারন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১১৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

Teknaf Pic-02-09-13 হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ। উখিয়া-টেকনাফের ৪লাধিক মানুষ ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে যাওয়া ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কারনে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকালে সাধারন মানুষ ও পর্যটকেরা আইন-শৃংখলা রী বাহিনীর বিশেষ তল্লাশীর নামে অমানবিক হয়রানি ও লাঞ্চনার শিকার হচ্ছে। এতে সরকারের প্রতি সাধারন মানুষের ােভ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশীর ভাগ সাধারন মানুষ বিভিন্ন এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সনাক্ত করে শাস্থির পাশাপাশি নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সফরকারী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। ভূক্তভোগী ও প্রত্যদর্শী সূত্র জানায়-সদ্য সমাপ্ত হয়ে যাওয়া মুসল্লিম উম্মাহর পবিত্র মাহে রমজান মাসের মাঝামাঝি হতে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নির্ধারিত চেকপোস্ট ছাড়াও বিশেষ ২/১টি চেকপোস্টে পুরুষ-মহিলা সবাইকে মানবাধিকার লঙ্গনজনিতভাবে কনডমের সাহায্যে গোপন অঙ্গে তল্লাশী চালানো হচ্ছে। আর যেসব নারী-পুরুষ এই তল্লাশীর খপ্পরে পড়েছে তারা ভূলে বেড়াতে যাওয়া, চিকিৎসা নিতে যাওয়া এবং স্বামীর সঙ্গে কোথাও যাওয়ার নাম ভূলে যাচ্ছে। ভূক্তভোগী এসব লোকজন আরো জানান নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি বা নারীর বিরুদ্ধে গোপন সংবাদ থাকলে তাকে তল্লাশী করা হোক। কিন্তু যানবাহনের সব যাত্রী তো ইয়াবা বহন করেনা। প্রয়োজনে স্থায়ী দমদমিয়া, হোয়াইক্যং, বালুখালী ও মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে সব যাত্রীকে ভাল করে তল্লাশী চালানো হোক। কিন্তু যান বাহনে যাওয়ার পথে হঠাৎ গাড়ির গতিরোধ করে কনডমের সহায়তায় প্রত্যেক নারী-পুরুষের গোপনাঙ্গে আঙ্গুল দিয়ে তল্লাশী চালানো এটা মানবাধিকার লঙ্গন জনিত অমানবিক হয়রানি ও নির্যাতন ছাড়া বৈকি। এসব তল্লাশী থেকে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকেরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছেনা। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কারনে রাস্তা-ঘাট, মাছ ও তরকারী বাজারে আগুন লেগেই রয়েছে। হানাহানি,মারামরি ও প্রতিপকে ঘায়েলসহ নানা অপতৎপরতা রয়েছেই। ভূক্তভোগী লোকজন ইয়াবা ব্যবসা প্রতিরোধে সীমান্তকে নিয়ন্ত্রনসহ পাড়া-মহল্লা,ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রণয়ন করে তাদের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করতে হবে। সুতরাং ইয়াবা তল্লাশীর নামে অমানবিক হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন উখিয়া-টেকনাফের আপামর জনসাধারন।

টেকনাফে পাথর উত্তোলন ও পাহাড় কর্তন থামানো যাচ্ছেনা ঃ সুযোগ নিচ্ছে প্রভাবশালী চক্র                                             (ছবি আছে) হুমায়ুন রশিদ,টেকনাফ। সীমান্ত জনপদ টেকনাফের প্রত্যন্ত পাহাড়ী এলাকায় পাহাড় উত্তোলন বাণিজ্য ও পাহাড় কর্তন করে বসতি স্থাপন থামানো যাচ্ছেনা। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কতিপয় লোকজনের রহস্যজনক কর্মকান্ডে হাইকোর্টের রীট পর্যন্ত কোন ভূমিকা পালন করতে পারছেনা। তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়-টেকনাফ উপজেলার ৩টি রেঞ্জ অফিসের আওতাধীন বিট অফিস সমুহের ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় টেকনাফ সদরের নাইট্যং পাড়া, পুরাতন পল্লান পাড়া, জাহালিয়া পাড়া, মিটা পানিরছড়া,হবিরছড়া, বাহাছড়ার শামলাপুর,পুরান পাড়া, জুমপাড়া, উত্তর শীখালী-দণি খালী, চাকমা পাড়া, বাইন্যা পাড়া, হলবনিয়া, জাহাজপুরা, মাঠপাড়া, হাজম পাড়া, মাথা ভাঙ্গা,বড় ডেইল, বাঘঘোনা, নোয়াখালী, হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া, জাদিমোরা, নয়াপাড়া, মোছনী, লেদা, আলীখালী, রঙ্গিখালী, উলুচামরী, লেচুয়াপ্রাং, পশ্চিম সিকদার পাড়া, পানখালী, মরিচ্যাঘোনা, রোজারঘোনা, আলী আকবর পাড়া, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া, কম্বনিয়া পাড়া, পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া, মিনাবাজার, ঝিমংখালী, কাঞ্জর পাড়া, রই্যং, লম্বাবিল, লাতুরীখোলা, জোয়ারীখোলা, বালুখালী পাড়া, মনিরঘোনা ও বরইতলী এলাকার পাহাড়ী এলাকায় পাহাড়ী পাথর উত্তোলন ও পাহাড় কেটে নতুন বসতি নির্মাণের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এভাবে পাথর আহরণ  ও পাহাড় কাটা অব্যাহত থাকলে বনের অভ্যন্তরে বসবাসকারী নানা প্রজাতির জীব- জন্তু মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ে যাবে। এসব এলাকার লোকজনকে কম দামে পাথর সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য এক শ্রেণীর প্রভাবশালীরা দাদন টাকা দিয়ে থাকে।  সংগৃহিত এসব পাহাড়ী পাথর ঠেলা গাড়ী, রিক্্রা, ও অন্য  বাহনে করে এবং বস্তায় করে বিভিন্ন স্থাপনায় সরবরাহ দেয়। আর এসব স্থাপনায় পাহাড়ী পাথর ব্যবহার হয় কিনা তদারককারী লোকজন আরো রসিকতা করে বলেন সিলেটের চেয়ে স্থানীয় পাহাড়ী পাথর মজবুত। সুতরাং এসব ব্যবহার করলে অসুবিধা হবেনা। পরিবেশ বিপর্যয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বলে আল্লাহর পাহাড় আল্লাহ দেখবে। আর যে হারে মানুষ বাড়ছে। সরকারী পাহাড় না কেটে কি সাগরে ভাসবে বলে জানান। বর্তমানে টেকনাফে বিভিন্ন সড়ক-উপসড়ক ও ব্রীজ সংস্কার এবং মেরামতের কাজ এগিয়ে চলছে। এসব স্থাপনায় ব্যবহারের জন্য পাথর হ্নীলার সিএমবি মাঠসহ টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় স্তুপ করে রাখা হচ্ছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব রার্থে সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনার উন্নয়নে পাহাড়ী পাথর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার রহস্যজনক কর্মকান্ডে তা কাগজে কলমে সীমাবন্ধ রয়েছে। পাহাড়ী পাথর বাণিজ্যের কথা সকলের জানা থাকলেও প্রভাবশালীদের চাপ ও পকেটভারীর স্বার্থে ধরাকে সরা জ্ঞান দেওয়ার মত করে কৌশলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ায় আজ পুরো টেকনাফের পাহাড় সমুহের দৈন্য-দশা লেগেই রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশবাদীরা মনে করেন, জরুরী ভিত্তিতে পাথর উত্তোলন ও পাহাড় কেটে বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বিপন্ন পরিবেশ রায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে দ্রুত হস্তপে কামনা করেছেন। #########

 

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT