‘ইয়াবার নিয়ন্ত্রণে টেকনাফের কতিপয় সাংবাদিক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ৮ মে, ২০১৯ ১১:১৪ : অপরাহ্ণ

 

গত ৭ ও ৮ মে ঢাকার কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও কক্সবাজার জেলা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকায় ও অনলাইন পোর্টালে ‘ইয়াবার নিয়ন্ত্রণে টেকনাফের কতিপয় সাংবাদিক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। উক্ত সংবাদে সাইফুল করিম আত্মগোপনে যাওয়ার পরে আমাকে একটি স্বার্থনেশী মহল তাদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দ্যেশে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানানোর চেষ্টা করছে যা একটি সাজানো নাটক। প্রকৃতপক্ষে, আমি সাইফুল করিমের ভগ্নিপতি হওয়াটা যেন আমার সবচেয়েত বড় অপরাধ। জীবনের কোন সময়ে আমি কোন দিন ইয়াবা ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলামনা এবং নেই। একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে স্বার্থ হাসিলে উঠে পড়ে লেগেছে।
প্রকাশিত সংবাদে মো. নুরের স্বীকারোক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা ষড়যন্ত্রেরই অংশবিশেষ। মোঃ নুর নামে ব্যক্তি সাইফুল করিমের ম্যানেজার হতেও পারে, নাও হতে পারে। তবে একথা স্পষ্ট যে, যে মোঃ নুরের কথা সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে আমি চিনিনা। সুতরাং সে অহেতুক কেন আমার নাম জড়িয়ে কথা বলবে ?

গত ৩০ বছর আগে থানার পাশে আমার বাবা স্থানীয় বাসিন্দা আলী আহমদ মার্কেটে দুটি দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। পাশাপাশি সীমান্ত বাণিজ্য ও করিডোরে গবাদি পশুর ব্যবসা করে আসছিল। আমার বাবা বৃদ্ধ হওয়ায় তার সেই দোকান ও ব্যবসা বানিজ্য আমরা পরিচালনা করে আসছি। তাছাড়া গত ২০ বছর ধরে আমি সুনামের সঙ্গে উপজেলায় সাংবাদিকতা করে আসছি। পাশপাশি ১০ বছর ধরে নিজ এলাকায় সুনামের সহিত টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে প্যানেল মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছি। পৌরসভার জনগণের কাছে আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করারও পায়তারা চালানো হচ্ছে অনেক দিন ধরে।
তবে সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে কলংকিত করে দেশ বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। ইতিমধ্যে মাদক বিরোধী সরকারী কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থেকে মাদকের বিরুদ্ধে জোরালো ভুমিকা পালন করছি। তাছাড়া আমি নিজেই সামনে থেকে স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় মাদক স্পট গুলো একের পর এক অভিযান চালিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছি। উক্ত সংবাদে আমার কাছে ইয়াবার আড়াই কোটি টাকা জমা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কে বা কারা, কেন কি জন্য আমার কাছে টাকা জমা দেবে তা আমার বোধগম্য নয়।
মাদক সংশ্লিষ্ট একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে বদনাম রটাতে একজন সংবাদকর্মীকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেছেন। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবেদক সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আমার কোন বক্তব্য নেয়নি। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি দৈনিকে সংবাদটি কোনরূপ পরিবর্তন ছাড়া প্রকাশিত হওয়ায় এটাই প্রমাণিত যে, উক্ত সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে ছাপানোর ব্যবস্থা করেছে একটি মহল। আমার মতে, আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী সাজাতে পারলে ঐ মহলটির বিশেষ কোন ফায়দা হাসিল হবে।
আমি দায়িত্বশীল সাংবাদিক ভাইদের বিনীত আহবান করবো, কারো প্ররোচনায় প্ররোচিত না হয়ে, সংবাদের সত্যতা যাচাই বাছাই করে সংবাদ পরিবেশন করুন।
তাই আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। পাশপাশি উক্ত মিথ্যা সংবাদে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনসহ কাউকে বিচলিত না হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মো: আবদুল্লাহ মনির
সভাপতি, টেকনাফ পৌর প্রেসক্লাব ও
কাউন্সিলর, টেকনাফ পৌরসভা।


সর্বশেষ সংবাদ