হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজারটেকনাফপ্রচ্ছদ

আরেকটি আত্মসমর্পণ ও শান্তির ফেরিওয়ালা সাংবাদিক আকরাম

হোবাইব সজিব মহেশখালী প্রতিনিধিঃ:: 

আরেকটি আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মহেশখালী আতস্কের উপকূলে শান্তির ফেরিওয়ালা সাংবাদিক আকরাম হোসাইন শান্তি ফিরাবেন এমন আশায় বুক বেঁধে আছেন সচেতন লোকজন। ফলে দস্যু মুক্ত হবে আতঙ্কের জনপদ দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী।

আত্মসমর্পণ করতে জলদস্যুদের একটি অংশ যোগাযোগ রক্ষা করছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। প্রথম দফার পর আবারও দ্বিতীয় দফা আরেকটি আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসায়ীরা সাংবাদিক আকরাম হোসেনের মধ্যস্থায় বলে নিভর্রযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে গত বছরের ২০ অক্টোবর জলদস্যুদের আত্মমর্পণের প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফায় এখনও গা ঢাকা দিয়ে থাকাদের জন্য আরোকটি সুযোগ আসছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়াটি কখন তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে আলোচনা চলছে, তাছাড়াও চ্যানেলে টুয়েন্টিফোরের আলোচিত সাংবাদিক আকরাম হোসাইনের এই উদ্যোগের ফলে উপকূলের সমাজের মূল স্রোতের বাইরে থাকা সব সন্ত্রাসী ও জলদস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে আসার সুযোগ কাজে লাগাবে বলে আশা করছে স্থানিয়রা।

বুদ্ধি-বিচক্ষনতা ও সাহসকে সঙ্গী করে এগিয়ে যান লক্ষপানে এ সাহসি সাংবাদিক আকরাম হোসাইন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে দস্যু মুক্তির পথে এনে মহেশখালীকে মানচিত্রে স্থান করে দিয়ে সাংবাদিক আকরাম ইতিহাসে মাইলফলক সৃষ্টি করবেন বলে জানিয়েছেন স্থানিয় সাংবাদিক হোবাইব সজীব।

মহেশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ বাদশাহ বলেন, আলো আসবেই শান্তির পথে মহেশখালীতে। তবে অস্ত্র জমা দিলে কী কোনো এলাকায় স্বস্তি ফিরবে? অস্ত্রধারী আত্মসমর্পণ করলেও কি শান্ত হবে পরিস্থিতি? নিশ্চয়ই না। সন্ত্রস্ত একটি জনপদকে রূপান্তরিত করতে হলে কাজ করতে হবে সব ভাবে।

কাজ করতে হবে জেনে-বুঝে, ভেতর থেকে। এতে মহেশখালীর সকল জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। সহ-অবস্থানে বসবাস করতে হবে সকল পেশার মানুষকে। তা হলে শান্তি ফিরবে আমাদের প্রাণের মহেশখালী।

জানাযায়, অপরাধ জগতের ভয়ংকর ও দুধর্ষ মানুষ গুলো স্বাভাবিক জীবনের যখন ছোঁয়া পায়-তখনি তিনি তৃপ্তির ঢেকুর গিলতে থাকেন। নিজের অনাগত কর্মের জন্য আরো উৎসাহী হয়ে উঠেন। আইনপ্রয়োগকারী বাহিনী যখন এসব পেশাদার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হিমশিম হয়ে পড়েন-তখন একজন সাধারণ মানুষ হয়ে নিষিদ্ধ ও অন্ধকার জগতের এসব অপরাধীদের সাথে তিনি দূতিয়ালি করে নির্ভয়ে জানবাজী রেখে তাঁদেরকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরাতে প্রাণান্ত চেষ্টা করেন ।

আর যখন তিনি দেখতে পান, দূতিয়ালি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া ভয়ংকর সশস্ত্র অপরাধীরা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যস্ত, তখনি তিনি নিজেকে একজন সফল সমন্বয়কারী হিসাবে গর্ববোধ করেন। কারণ-এই প্রক্রিয়াতে অপরাধী, রাষ্ট্র ও জনগণ সবাই খুবই উপকৃত হন।

পেশা,জস,খ্যাতি কিংবা অর্থের জন্য নয়, শুধুমাত্র দায়িত্ববোধ, বিবেকের তাড়না ও দেশপ্রেম থেকেই এই বিশাল ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি তিনি করে থাকেন। তিনি হচ্ছেন চ্যানেলে টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক আকরাম হোসেন। স্থানিয় লোকজন বলছেন সাংবাদিক আকরামের সুযোগ্য ও কাঙ্খিত প্রচেষ্টায় যখন মহেশখালীতে শান্তি আনতে অবিচলভাবে এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে, ঠিক সেই সময় অনেকের মনে হচ্ছে দুঃ সাহসি বিচক্ষণ সাংবাদিক আকরামকে মহেশখালীর দুঃখ কালারমারছড়া নামক সন্ত্রাসী জনপদ সম্পর্কে কিছু বলে জনসম্মুখে তুলে ধরে জ্ঞাত করা খুব জরুরি।

আপনার সকল উদ্যোগ ও কর্ম পরিকল্পনা মহেশখালীর কালারমারছড়ার প্রভাবশালী খসরো ও কমলাবর দুটি গোষ্ঠীর মধ্যকার দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘর্ষ ও উত্তেজনা এই অঞ্চলের সকল উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের অবদানকে প্রায় ম্লান করে দিচ্ছে। এই সংঘাত এলাকার আধিফাত্য বিস্তারের সংঘার্ত হলেও দুই গ্রুফের লোকজন ফাঁয়দা লুটার জন্য রাজনৈতিক সংর্ঘাত বলে প্রচার করে বেড়ায়। ফলে এই অঞ্চলের মেধাবী তরুণ ও যুব সম্প্রদায় অত্যন্ত শান্তি প্রিয় হলেও চলমান সন্ত্রাস ও নৈর্রাজ্যের কারণে তাদের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অংশ শিক্ষার সুফল থেকে বঞ্চিত হওয়ার সাথে সাথে সন্ত্রাসের অন্ধকার জগতে প্রবেশ করছে অহরহ। উক্ত এলাকায় এক পক্ষ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করলে অপর পক্ষকে এলাকা থেকে বিতাড়িত হতে হয় জনশ্রুতি আছে। একজনের সম্পদ অন্যজনে ভোগ করার রেওয়াজে পরিণিত হওয়ায় এখানকার দাঙ্গা-হাঙ্গামা সামাল দিতে হিমছিম খাচ্ছে খোদ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলে মনে করেন রাজনৈতিকবোদ্ধরা। অনেকের মতো দুই গ্রুপের লোকজনদের সহ অবস্থানে বসবাস করার সুযোগ করে দেওয়া হতে পারে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ার মধ্যে সফল নেতৃত্ব একটি টানিং পয়েন্ট। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিটি পরিবার, সেই সাথে সুনাম নষ্ট হচ্ছে সাংবাদিক আকরাম হোসেন মহোদয় আপনার বলিষ্ঠ আত্মসমর্পণের। সকল স্তরের মানুষ এখন জানে আত্মপ্রত্যয়ী জানবাজ আস্তাভাজন এক গণমাধ্যম কর্মীর নাম ‘আকরাম হোসেন’।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.