টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

আজকের শিশু আগমী দিনের ভবিষ্যত

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৩
  • ৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নুরুল আমিন হেলালী ::::শিশু অধিকার সপ্তাহ জেলায় কমছে না ঝুকিপূর্ণ কাজে শিশুশ্র তারাই পৃথিবী গড়বে তাই পরিবার, বিদ্যালয়, ও অর্থনৈতিক কর্মেেত্র শিশুদের উপর সব ধরনের নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলে দেশ ব্যাপি চলছে বিভিন্ন সভা-সেমিনার, মানববন্ধন। সরজমিনে দেখা গেছে জেলা শহর থেকে শুরু করে গ্রামে গঞ্জেও সব ধরনের অর্থনৈতিক কাজে শিশুরা শ্রম দিচ্ছে। তবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানে মানা হচ্ছে না শ্রম আইন। অনেকেই মনে করছেন শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে হলে সরকারকে শিশু শ্রম আইন বাস্তাবয়ন করতে হবে। দেখা যায়, স্কুলের শিকরাও অনেক সময় শিার্থীদের উপর নির্যাতন চালান, তা বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে হালকা থেকে ভারি ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুদের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, আবার অনেকেই পরিবারকে সহযোগিতা করতে বাধ্য হয়ে এধরণের কাজে লিপ্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। আর্ন্তজাতিক শ্রম আইন সংস্থা (আই এল ও) এবং ইউনিসেফ পরিচালিত সাম্প্রতিক সমীায় জানা গেছে, দেশের প্রায় তিন শ ধরণের অর্থনৈতিক কাজে শৈশব বিক্রি করছে শিশুরা। এই শিশু শ্রমিকদের বেশীর ভাগের বয়স ৭ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। শিশু শ্রম নিয়ন্ত্রনে আইন করা হলেও তার যথাযথ প্রয়োগ নেই। ফলে আইন অমান্য করে মালিক প অত্যন্ত কম বেতনে ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও ব্যবহার করছে শিশুদের। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩২ ল। এর মধ্যে ১৩ ল শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। অন্য এক জরিপে দেখা গেছে এসব শিশু শ্রমিকের প্রায় ৫০ ভাগই পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস। জেলায় নাম সর্বস্ব অর্ধ ডজন মানবাধিকার সংগঠন থাকলেও নির্যাতিত শিশু কিংবা অপরাধ প্রবনতায় জড়িয়ে পড়া শিশুর মানবাধিকার রায় কেউ তেমন সচেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন কক্সবাজার প্রেস কাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আতাহার ইকবাল। জেলায় প্রতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে শিশু শ্রমিক নেই। শুধু চরম দারিদ্রতার কারনে তাদের বাবা-মা এধরনের কাজে ঠেলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এটা ভবিষ্যত প্রজমের বাংলাদেশের জন্য সুখকর নয়। তাই শিশু অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে বলে মনে করেন আনেকেই।

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT