টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ মাদক কারবারি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত সাংবাদিক আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যে কিছু কথা! ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ভূমিধসের শঙ্কা মোট জনসংখ্যার চেয়েও ১ কোটি বেশি জন্ম নিবন্ধন! বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা?  বাহারছড়া শামলাপুর নয়াপাড়া গ্রামের “হাইসাওয়া” প্রকল্পের মাধ্যমে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও বার্তা প্রদান প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে টেকনাফে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফ্রিং টেকনাফের ফাহাদ অস্ট্রেলিয়ায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী সম্পন্ন করেছে নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা মিয়ানমারে পিডিএফ-সেনাবাহিনী ব্যাপক সংঘর্ষ ২শ’ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস বিল গেটসের মেয়ের জামাই কে এই মুসলিম তরুণ নাসের

অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের বাজারে আগুন

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৩
  • ১৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানীর পেঁয়াজের বাজারে যে আগুন লেগেছে তা নিয়ন্ত্রণে আসছেই না।পবিত্র ঈদুল আজহা যত কাছে আসছে পেঁয়াজের বাজারের আগুন ততই বাড়ছে। ভারতে পেঁয়াজের দাম বেশি, তাই আমদানি কম এই অজুহাত দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সরকারের সব উদ্যোগকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজ রাজধানীর বাজারগুলোতে এক দামে বিক্রি হচ্ছে না। যে যার মতো করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে। এক এক বাজারে এক দাম। সর্বোচ্চ ৮০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা গেছে খুচরা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে।শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। পলাশী, হাতিরপুল, কাওরান বাজারের দেখা গেছে, দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে এ দাম ছিল ৭৫ টাকা। তার আগের সপ্তাহে ছিল ৭০ টাকা। আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। হাতিরপুলের পেঁয়াজের ব্যবসায়ী সানাউল ইসলাম জানান, বাজারে পেঁয়াজের চালান কম। ইন্ডিয়া থিকাও পেঁয়াজ আইতাছে না। এজন্য দাম বেশি। খুচরা ব্যবসায়ী কলিম উল্লাহ বলেন,পেঁয়াজ নিয়া আমরাও দুশ্চিন্তায় আছি। বিক্রিও কম। মানুষ এখন পেঁয়াজ কিনে না। খুচরা বিক্রেতরা দেশি পেঁয়াজের সঙ্গে পাকিস্তানি পেঁয়াজ মিশিয়ে বিক্রি করছেন। একই রকম দেখতে হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের চেনার উপায় নেই যে কোনটা পাকিস্তানি আর কোনটা দেশি পেঁয়াজ। একইভাবে বিক্রি হচ্ছে বার্মিজ পেঁয়াজও। ভারতীয় নাসিক পেঁয়াজ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে কমদামি চায়না মোটা পেঁয়াজ। বাংলাদেশে ভারতের মোটা নাসিক পেঁয়াজের চাহিদা বেশি। দাম বেশি হওয়ায় এ পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু কিছু অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী সস্তা দামের চায়না পেঁয়াজ নাসিক পেঁয়াজ হিসেবে বিক্রি করছে। পলাশী কাঁচাবাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা সুমন। তিনি ৮০ টাকা দরে বিক্রি করছেন দেশি ও আমদানি নির্ভর পাকিস্তানি পেঁয়াজ। চায়না মোটা পেঁয়াজ নাসিক নামে ৯০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। কারসাজি প্রসঙ্গে নাজিউর বলেন, দেশি, পাকিস্তানি ও মায়ানমারের পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনছি। তাই বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। কোনটা পাকিস্তানি কোনটা দেশি তা ক্রেতারা ভালো মতো চেনেন।তিনি নাসিক বলে মোটা চায়না পেঁয়াজ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেন। দেশের বৃহৎ পাইকারি কাঁচাবাজার শ্যামবাজার।শুক্রবার শ্যামবাজারে ফরাশগঞ্জ রোডের (নীলকুঠি) মেসার্স রাজ ট্রেডিংয়ে আমদানি ও দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। এখানে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৩ থেকে ৬৫, বার্মা ৬০ থেকে ৬২, পাকিস্তানি ৩৫ থেকে ৪৫, ভারতের নতুন পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০, ভারতের মোটা নাসিক পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৭৫ ও সাউথ চিকন পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও খুচরা বাজারে দাম আগের মতোই আছে। তিন দিন ধরে পেঁয়াজের আমাদানি বেশি হওয়ার কারণে দামও কমছে পাইকারি বাজারে। কিন্তু কমছে না খুচরা বাজারে। ক্রেতারা জানান, ক�দিন পর পর দাম বাড়লেও আয় বাড়ছে না। ফলে বাজার করতে এসে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে বাজার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া উচিত। পেঁয়াজের দাম বেড়ে চললেও ইলিশের দাম সাধারণের নাগালের মধ্যে রয়েছে।৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ৪০০ থেকে ৪৫০টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।এক কেজির ওপরে একটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০টাকায়।এছাড়া তরি-তরকারির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে । সিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ টাকা। তার আগে ছিল ৭০ টাকা। তবে কমছে টমেটোর দাম। গত সপ্তাহের ৮০ টাকার টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। অন্যান্য সবজির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। শষা ৫৫ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বড় ফুলকপি ৫০টাকা, ছোট ফুলকপি ৪০ টাকা, পাতাকপি ৩৫ টাকা, কচুর ছড়া ৩৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, বেগুন কেজিপ্রতি ৫০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা দরে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মাছের বেড়েছে মাছের দাম। কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। পুরান ঢাকার নয়া বাজারে প্রতিকেজি পাঙ্গাস ১৩০, মাঝারি কাতলা ২৫০ থেকে ২৬০, বড় কাতলা ৩০০ থেকে ৩২০, মাঝারি রুই ২৪০ থেকে ২৫০, রুপচাঁদা ৮০০ থেকে ৯০০, আইড় মাছ ৫০০ থেকে ৬০০, বড় আকারে তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে ইলিশ মাছের দাম আগের মতো দেখা গেছে। অধিকাংশ কাঁচাবাজারে ৮�শ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। গরুর গোশত ২৮০ থেকে ৩০০টাকা। খাসির গোশত ৪৫০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে জোড়া ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশসহ সবধরনের মাছের দাম আগের সপ্তাহের চেয়ে কমেছে। যদিও ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। এছাড়া চাল, ডাল,ভোজ্যতেল, চিনি,ছোলা ও মসলাসহ অন্যান্য নিত্য পণ্যের দাম নতুন করে আর বাড়েনি।তবে সয়াবিন তেল, চাল, আদা, রসুন, মাংস, ডাল,চিনি ও আটা ময়দা আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। – See more at: http://www.teknafnews24.com/?p=629#sthash.m4VR479k.dpuf

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT