হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদফিচার

অভিভাবক আচরণ যখন অনভিপ্রেত

প্রিন্সিপাল মুহাম্মদ আবু হানিফ খান:: মানব জীবনে নানা স্তরে, নানা স্থানে, নানা পর্যায় অভিভাবকত্বের সাথে আমরা বেশ পরিচিত। অভিভাবকত্ব রয়েছে সমাজে, রাষ্ট্রে, প্রতিষ্ঠানে, সংগঠন বা সংস্থা’য়, আর অভিভাবকত্ব সবচেয়ে বেশি চর্চা দেখি পরিবারের। অভিভাবকে’র থাকে এক বিশেষ ক্ষমতা। ক্ষমতার কারণে পছন্দ হোক চাই না হোক নিরবে বা সরবে মেনেই চলতে হয় অভিভাবকত্বের নিয়ম-নীতি কখনও বা শাসন বা দুঃশাসন। এবারে আলোচনা পরিবারে অভিভাবকত্ব নিয়ে। তাও আবার সীমাবদ্ধ থাকবে সন্তানে’র নিকট অভিভাবক আচরণ কখন অপ্রত্যাশিত বা অনাকাংখিত বা অনভিপ্রেত হয় সে বিষয়। সন্তানে’র প্রত্যাশিত বিকাশ ও উন্নতির পথে নিজ অজ্ঞতা, মূর্খতা, অনভিজ্ঞতা বা জিদ ও স্বার্থের বশে বাধা সৃষ্টি না করা’র স্বার্থেই এ বিষয় অভিভাবকদের সতর্ক ও সচেতন থাকা চাই।
অভিভাবক শব্দটি অভি উপসর্গযোগে গঠিত। অভি শব্দার্থ সম্মুখ, নিকট, সাদৃশ্য। আর ভাবক শব্দার্থ কল্পনাকারী, ভাবনকারী, চিন্তক। শব্দগত অর্থে অভিভাবক শব্দে’র অর্থ দাঁড়ায়, যিনি বা যারা অন্যের বর্তমান ও সম্মুখ বিষয় চিন্তা করেন বা ভাবেন। অর্থাৎ বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কে কার্যকরভাবে ভাবেন। অন্য বলতে বোঝায় যে ব্যক্তি বা ব্যক্তি সকল অধীন রয়েছেন এমন। এবার জেনে নেই পরিবারে কে কার ও কখন অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করবেন এবং কীভাবে পালন করবেন এ বিষয়। পরিবার নামক এ প্রতিষ্ঠানে পরিবার প্রধান অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ-সভ্যতা ও সংস্কৃতি ভেদে পরিবারের কর্তা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি হয়ে থাকেন। মাতৃতান্ত্রিক পরিবারে মা, পিতৃতান্ত্রিক পরিবারে বাবা প্রধান অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় অভিভাবকের ভূমিকায় থাকেন কখনো বাবা, কখনো মা । আবার মা-বাবার অবর্তমানে অভিভাবক হন বড় ভাই বা দাদা বা চাচা। অভিভাবকত্ব থাকে সন্তান বা পরিবারের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের উপর। একজন গাড়ী চালকে’র যেমন চালনা জ্ঞান থাকা দরকার তেমন একজন অভিভাবকে’র জন্যও তার অভিভাবকত্বের দায়িত্ব সুচারুরূপে পালনের প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা আবশ্যক। অভিভাবক আচরন হওয়া চাই ইতিবাচক, সৃষ্টিশীল, নমনীয়, বন্ধুত্বপূর্র্ণ, সহযোগিতামূলক, মহনশীল, শিক্ষামূলক, নির্দেশনামূলক ও দৃষ্টান্তমূলক ।
শিশুর প্রতি অভিভাবকের আচরন যখন হয় অনভিপ্রেত তখন তার ফল হয় পীড়াদায়ক, ক্ষতিকারক, যন্ত্রণাদায়ক ও ধ্বংসাত্বক। সমাজ-রাষ্ট্রে দেখা দেয় বিষ্ফোরনোম্মুক্ত পরিবেশ। সৃষ্টি হয় তিক্ত অভিজ্ঞতা। অভিভাবকে’র কাঙ্খিত দায়িত্ব পালন বর্তায় শিশুর অনাগত অবস্থায়ই। অভিভাবক নিজ সন্তানকে গভীর ভালোবাসা, আদর-সোহাগ ও যতেœ লালন-পালন করে বড় করে তোলেন। সন্তানের সুখ, শখ ও স্বপ্ন পূরনে সময়-শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেন। জ্ঞান-বিজ্ঞান, গণিত, শিল্প, সংগীত, নৃত্য, ক্রীড়া, অংঙ্কন, উপাস্থাপন সহ নানা প্রতিযোগিতামূলক বিষয় অংশ গ্রহন ও বিজয়ের লক্ষ্যে অভিভাবকগণ উৎসাহ দেন, সাহায্য-সহযোগিতা করেন এবং এ জন্য যে কোন ত্যাগেও প্রস্তুত থাকেন। শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়তে ব্যস্ত অভিভাবক আচরণ যেমন শিশু প্রতিভা বিকাশে সহায়ক হয় আবার কখনও শিশুর সুপ্ত প্রতিভা বিনাশ করে ও জীবন বিষময় করে তোলে। এমন অনভিপ্রেত আচরণ অভিভাবক করেন কখনও বুঝে আবার কখনও না বুঝে কখনও অজ্ঞতা বা জিদের বশে।
মানব জীবনে সবচে’ সুন্দর অংশটুকু হলো শিশুকাল। এ সময়ই তার মধ্যে সফলতা, দক্ষতা ও যোগ্যতা’র বীজ বপণের সবচে’ মোক্ষম সময়। এ সময়টি কোনভাবে বিষময় করে তোললে পুরো জীবনটাই হয়ে পড়ে বিপর্যস্ত। শিশু জীবনে যা দেখে তাই শেখে। মানব শিশু জন্মগতভাবে নিরপরাধ হিসেবে জন্মায়। সে অন্যায় করতে জানে না। অন্যায় কাজ ও কথা শিখে নেয় যখন পিতা-মাতা, অভিভাবক বা কাছের মানুষের কাছে। শিশুর সামনে অন্যায় কথা বললে বা অন্যায় কাজ করলে তা দেখে-শুনে শিশু তা শিখে নেয়। এমন সুন্দর মন কলুষিত করার অধিকার অভিভাবক কখনোই পেতে পারেন না। অনাগত শিশু যখন মায়ের পেটে থাকে তখনই শিশুর সাথে কাঙ্খিত আচরন করা অভিভাবকের পবিত্র কর্তব্য। পৃথিবীর আলো দেখাতে অনুকূল পরিবেশ ও যতœ পাওয়ার অবশ্যই দাবীদার মায়ের গর্ভে থাকা শিশুর। এ সময় মায়ের আচরন ও মায়ের সাথে অন্যদের আচরণ, মায়ের খাদ্য খাবার সব কিছুতেই অনাগত শিশুটির প্রতি গভীর প্রভাব ফেলে। প্রতিনিয়ত গণমাধ্যম প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপক অংশ জুড়ে থাকে মন খারাপ করার মত ঘটনা। সন্তান নিয়ে অনেক সময় অভিভাবকের আতঙ্কের দিন কাটাতে হয়। এ সবই অভিভাবকের অনৈতিক, অযথা আরোপিত, নেতিবাচক ও অবিজ্ঞচিত আচরণের ফল। শিশু জন্মের পর তার যেসব অধিকার অগ্রাধিকার পায়, যেমন তার একটি যুৎসই অর্থবহ সার্থক নাম রাখা। নাম শুধু আলাদা করে চিহ্নিত করার জন্যই নয় বরং নাম মানব জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। আবার কাজে, আচরণে বা চরিত্রের প্রভাবে নাম বা উপাধি তৈরি হয়। জন্মের পর শিশুকে মায়ের বুকের দুধ না দিয়ে কৃত্রিম খাবার চাপিয়ে দেওয়াও শিশুর অধিকার হরণ। পরস্পরে’র আন্তরিকতা স্নেহবোধ, শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা লোপ পাওয়ারও অন্যতম কারণ। পৃথিবী’র ভারসাম্য রক্ষা, পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখা ও এর সৌন্দর্য টিকিয়ে রাখতেই সৃষ্টিকর্তা মানব সন্তান আলাদা-আলাদা বৈশিষ্ট্য, গুণাবলী ও যোগ্যতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। মানব অদৃষ্টও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত ও অপরিবর্তনীয়।
স্কুলে অনুপস্থিত থাকার কারণ স্বরূপ ছোট বেলায় রশিয়ে-রশিয়ে একটি গল্প করতাম। গল্পটি এ রকম, শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, গতদিন ক্লাসে কেন অনুপস্থিত ছিলে? শিক্ষার্থী জবাব দিল, স্যার, মা বলেছেন ‘তোর জ্বর, তাই তোর স্কুলে যাওয়ার দরকার নাই’ এজন্য আমি গতদিন স্কুলে আসিনি’। অর্থাৎ জ্বর আমার শরীরে দেখা না দিলেও এটি ছিল মায়ের পক্ষ হতে আরোপিত জ্বর। যা বাধ্য সন্তান হিসেবে বাধ্য করেছে এ মিথ্যে জ্বর বইতে। আবার শিশু তার ভবিষ্যত জীবনে কী হবে, কী হবে না তাও অনেক সময় অভিভাবক চাপিয়ে দিয়ে থাকেন শিশুর প্রতি তার আগ্রহ-অনাগ্রহের বিষয় বিবেচনায় না এনেই। এরকম নানা আরোপিত বিষয় চাপিয়ে দেওয়া হতো যদিও তা একদম বাড়াবাড়ির পর্যায় চলে যায়। যা শিশু জীবনে কল্যাণ বা উন্নতির পরিবর্তে কেবল অকল্যাণ বা অবনতিই ডেকে আনে। শিশু মন কাঁদা-মাটির মত নরম হলেও সে কিন্তু কাঁদা-মাটি নয়, তাকে দিয়ে পছন্দসই পুতুল বানানো যায় এমন নয়। শিশু একটি আলাদা স্বত্ত্বা। তারও নিজের পছন্দ-অপন্দ, আগ্রহ-অনাগ্রহের বিষয় থাকে। তার মাঝে বিশেষ লুকায়িত প্রতিভা রয়েছে। তার এ সব কিছু মাথায় না রেখে যখন অভিভাবক শুধু নিজ পছন্দ ও আগ্রহে শিশুর পছন্দে ও আগ্রহের বাইরে বিশেষ বিষয় যোগ্যতার করতে চায়, তখন শিশুর মন থমকে দাঁড়ায়। আগ্রহ বাধাগ্রস্থ হয়। প্রতিভা বিনাশ হয়ে যায়। শিশু’র কাছে অভিভাবকে’র এমন অনাকাঙ্খিত আচরণ অপ্রতাশিত ও অনভিপ্রেত মনে হয়। শিশুর জীবনে সে কী হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বা দেওয়ার মালিক অভিভাবক নয়। অভিভাবকের দায়িত্ব হলো, শিশু যা হতে চায় সে ব্যাপারে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেওয়া ও কার্যকর সহযোগিতা করা।
শিশুর সামনে অভিভাবকের মিথ্যা বলা শুধু অনভিপ্রেত নয় বরং গুরুতর অপরাধও বটে। যে শিশু জন্মগত ভাবে সত্যের উপর ভিত্তি করে পৃথিবীতে আসে সে শিশুর মনে মিথ্যা নামক বিষবৃক্ষের বীজবপন করা ক্ষমা’র অযোগ্য অপরাধ।
ধুমপায়ী অভিভাবক সন্তানে’র সামনে ধুমপান করা, সন্তানকে দিয়ে সিগারেট বা নেশাদ্রব্য আনানো, সন্তানে’র সামনে মিথ্যা বলা, ফাহেশা বা বেফাশ বলা, সন্তানকে মিথ্যা বলতে বলা, ঘরে থেকে আগন্তুকে’র ডাকে সাড়া না দিয়ে সন্তানকে দিয়ে বলানো বাবা বা মা ঘরে নাই। মোবাইল ফোন সন্তানকে ধরিয়ে দিয়ে বলতে বলা বল, তিনি ঘরে নাই। কারণে-অকারণে শাসন ক্ষমতা প্রদর্শণার্থে ধমকানো। এসব আচরণ সন্তানে’র জন্য ভয়ানক মাত্রায় অনভিপ্রেত।
মা সব সময়ই সন্তানে’র কাছে বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার। সন্তানে’র সামনেই যখন কোন বাবা মাকে অসম্মানীয় আচরণ করে থাকে , তখন শিশুমন ব্যথিত, মর্মাহত ও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এর ফল খুবই ভয়াবহ পরিণতি’র দিকে ধাবিত হয়। যে মায়ে’র পায়ের নিচে জান্নাত পাওয়ার কথা, সে মাকে অসম্মান করায় প্রকারান্তরে বাবা নিজেই নিজের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ হারানোর আয়োজন করে থাকেন। এক সময়ের শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক একটি টেলিভিশন চ্যানেলে পারিবারিক সাক্ষাৎকারে মুখোমুখি হয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী মন্তব্য করতে গিয়ে তাকে প্রচ- রাগী মানুষ বলেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী তখন বললেন, তার বড় সন্তানে’র বয়স তখন একুশ বছর। ওই একুশ বছরে তিনি কখনো সন্তানে’র সামনে স্ত্রী’র সাথে রাগ করেননি। মানুষ একে অপরকে কায়িক শক্তি বা ক্ষমতা’র কারণে সম্মান বা শ্রদ্ধা পোষণ করে না বরং শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয় তার নীতি নৈতিকতা, শিক্ষা ও জ্ঞানে’র শক্তিতে। কায়িক শক্তি বা ক্ষমতা থাকলেও এ সবের অভাবে সে ভয়ের পাত্র হতে পারে; কিন্তু সে সম্মানের পাত্র হতে পারে না। অপরাধী বা অপশক্তিমান শুধু ভয়ের পাত্রই নন বরং সে ঘৃণা’র পাত্রও বটে। কথিত বিখ্যাত সাধক নিজাম উদ্দিন ডাকাত থাকাকালে তার অন্যায়ের দায়ভাগ পরিবারের কোন সদস্যই নিতে রাজি হয়নি এ ইতিহাস আমাদের জানা রয়েছে। অন্যায়কারীর মূল্যায়ন সবার নিকটই অন্যায়কারী হিসেবেই। হোক না সে মা বা বাবা। অন্যায় উপার্জনে সন্তানে’র ভরণ-পোষণ করা’র ব্যবস্থা করা হোক এটি কোন মানব সন্তানে’র নিকট প্রত্যাশিত হয় না। ভাল’র প্রতিদান ভালই হয় আর খারাপে’র প্রতিদান খারাপই হয়। অন্যায় উপার্জন ও অন্যায় আচরণে লালিত সন্তান মা- বাবা’র বৃদ্ধাবস্থায় রহমদিল হতে না পারা এ সবেরই বহিঃপ্রকাশ বা প্রতিফল মাত্র।
পৃথিবীতে মানব শিশু আগমণে’র পর প্রথম পরিচয় ঘটে নারী’র সাথে। আর সেই হলেন গর্ভধারিনী মা। পরিবারে সাধারণত প্রথম যে পুরুষে’র সাথে পরিচয় ঘটে তিনি হলেন জন্মদাতা পিতা। এই দুই নারী-পুরুষ কে দেখে শুনে নিষ্পাপ সন্তান ধারণা অর্জন শুরু করে পৃথিবীর নারী-পুরুষ সম্পর্কে। এরা দু’জন এই সন্তানে’র জন্য মডেল হিসেবে ভূমিকা পালন করেন আকৃতিগত মানব সন্তানকে প্রকৃতিগত মানবীয় গুণসম্পণœ আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে। মা-বাবা এ ক্ষেত্রে সন্তানে’র জন্য হয়ে ওঠেন যেমন লালন-পালনকারী ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে পাশাপাশি সন্তান তাদের পেতে প্রত্যাশা করে ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী দক্ষ অভিভাবক, সর্বোত্তম বন্ধু, খেলার সাথী, দিকনির্দেশকারী সহ এরকম সব কিছুতেই। কারিগরে’র নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় যেমন কাঁদা-মাটিও দৃষ্টিনন্দন বস্তুতে পরিণত হয়ে মূল্যহীন যেভাবে অমূল্য হয়ে ওঠে, সন্তানে’র ভবিষ্যত গড়তে অভিভাবকে’র ভুমিকাও সে রকমই। এসব ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হলে সন্তান ও সমাজে’র জন্য তা হয় অনভিপ্রেত বা অপ্রত্যাশিত।
মানুষ স্বাধীন জীব। মানব সন্তান স্বাধীন ভাবেই জন্ম নিয়ে থাকে। তাকে স্বাধীন ভাবেই বেড়ে ওঠার সুযোগ ও সহায়তা দান অভিভাবকে’র দায়ীত্ব। তবে মনে রাখা দরকার স্বাধীনতা যেমন লাগামহীনতা নয়; তেমন অভিভাবকত্বও শৃংঙ্খলিত করা নয় এবং অন্যায় পথে ধাবিত করা নয়।

লেখক,
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ মিডিয়া ইনস্টিটিউট সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট, ফোন: ০১৭৩০৮৯০০০০

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.