টেকনাফ নিউজ:
বিশ্বব্যাপী সংবাদ প্রবাহ... সবার আগে টেকনাফের সব সংবাদ পেতে টেকনাফ নিউজের সাথে থাকুন!
শিরোনাম :
রোহিঙ্গারা কন্যাশিশুদের বোঝা মনে করে অধিকতর বন্যার ঝূঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে কক্সবাজার টেকনাফে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ৩০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও ঘর হস্তান্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দায়িত্ব নিয়ে ডিসিদের চিঠি আগামীকাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (তালিকা) বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান টেকনাফ উপজেলা কমিটি গঠিত: সভাপতি, সালাম: সা: সম্পাদক: ইসমাইল আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস মিয়ানমারে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রোহিঙ্গারা ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে, ততদিন ক্ষমতায় আছি: হানিফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সবচেয়ে বড় ভুল : ডা. জাফরুল্লাহ

বঙ্গোপসাগরের হালচালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন : টেকনাফ -সেন্টমার্টিন নৌ রুটে ৩টি চ্যানেল বয়া খোয়া হয়ে ঘটছে দূর্ঘটনা : লাইটিং বয়া স্থাপনের দাবী

Reporter Name
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩
  • ১৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

teknaf pic 1-9-13 (1)

 

নুর হাকিম আনোয়ার,টেকনাফ:::টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে ৫টি বয়ার মধ্যে ৩টি বয়া নেই। একারণে দূর্ঘটনার পতিত হচ্ছে সব ধরনের নৌযান। গভীর বঙ্গোপসাগর সেন্টমার্টিনদ্বীপের অদূরে গজে উঠেছে পাথর বেষ্টিত কয়েকটি ডুবো চর । এ চরে প্রতিনিয়ত ঘটছে নৌকা ও ট্রলার ডুবির ঘটনা। বয়া না থাকার ফলে বামে ডানে চিহ্ন না থাকায় বর্তমানে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ ও মাছের ফিশিং বোট মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। চলাচল করতে গিয়ে সম্প্রতি মাছ ধরার ট্রলারসহ একাধিক ট্রলার দূর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। যে দু’টি বয়া আছে তাতেও কোন  লাইটিং ব্যবস্থা নেই।  টেকনাফ নাফ নদীর মোহনা হইতে সেন্টমার্টিনদ্বীপ পর্যন্ত ৫ টি বয়া ছিল। বর্তমানে দু’টি বয়া দেখা মিলেছে। দিনের বেলায় নিজস্ব জলসীমা বাদ মিয়ানমার সীমান্তে পার দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যার কারণে জেলেদেরকে মিয়ানমারের লুন্ঠিন বাহিনী ধরে নিয়ে যাচ্ছে। টেকনাফ-সেন্টমার্টিনদ্বীপের অভিঞ্জ মাঝি আজম আলী জানান- স্বাধীনতার আগে টেকনাফ -সেন্টমার্টিন রুটে ৫টি বয়া ছিল। বর্তমানে মাত্র দু’টি বয়া আছে। আর বাকী গুলোকে দেখা যায় না। তাই জীবন বাজি রেখে চলাচল করতে হচ্ছে।  তিনি অতিসত্তর লাইটিং খাটির বয়া স্থাপন করার জোর সংশিষ্ট কর্তৃপরে দাবী জানান। টেকনাফ জালিয়াপাড়ার ছলিম মাঝি জানান- চর না চেনার কারণে প্রতিদিন না প্রতিদিন ট্রলার ভেঙ্গে যাচ্ছে । সংশিষ্ট চ্যানেল এলাকায় বয়া স্থাপন করা হলে দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে না। সূত্র মতে- টেকনাফ -সেন্টমার্টিনদ্বীপের নৌপথের দূরত্ব প্রায় ৩৪ কিলোমিটার। তম্মধ্যে শাহপরীরদ্বীপ থেকে -সেন্টমার্টিন প্রায় ১৬ কিলোমিটার। বলা চলে শাহপরীরদ্বীপ জেটির প্রায় দু-কিলোমিটার পর থেকে মোহনা শুরু,যা সেন্টমার্টিনদ্বীপ জেটির সামনে পর্যন্ত। লাইটিং বয়া না থাকায় কোন ট্রলার বা জাহাজ সন্ধ্যা হয়ে গেলে আর সেন্টমার্টিন বা বঙ্গোপসাগর থেকে চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।  টেকনাফ সেন্টমার্টিনদ্বীপ নৌ রুটের চলাচলকারী জাহাজ কেয়ারী সিন্দাবাদের ক্যাপ্টেন মুজিবুল হক ভূইয়া জানান- চ্যানেল বয়া না থাকার কারণে  ঝুঁকি নিয়ে জাহাজ চলাচল করতে হচ্ছে। ফলে ভাটার সময় ডুবো চরে অনেক সময় জাহাজ আটকে যায়। টেকনাফ -মিয়ানমার রুটের মাঝি আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান- বয়া কারণে জীবন বাজি রেখে ট্রলার নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সরজমিন পরিদর্শন, পর্যবেণ ও জেলেদের সাথে কথা বলে জানা গেছে- স্বাধীন বাংলাদেশ মানচিত্রের গভীর বঙ্গোপসাগরের হালচালের অনুসন্ধান করতে গিয়ে  বেরিয়ে আসে উলেখযোগ্য তথ্য।  মিয়ানমার বা বার্মা রাজ্জ্যের আকিয়াব শহরের পছাখালী পিজরা বাত্বি ঘরের গা ঘেষেই সেই সুজাসুজি পশ্চিম-দণি প্রান্তে ও পশ্চিমের দিকে মহিসোপান গভীর বঙ্গোপসাগরের মধ্যমনি ভারত বা হিন্দুস্থানের রাই মঙ্গলের খারি নামক স্থানে বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে আছে চাঁন তারা মার্কা বিশাল বিশাল বয়া ও ভারত বা হিন্দুস্থানের রাই মঙ্গল খারির পার্শ্বে অর্থাৎ রাই মঙ্গল খারিতে আছে মুত্তিমার্কা বিশাল বিশাল বয়া। এই জরীপ গুলি করে বয়া দেন বৃটিশ সরকারের আমলে। চাঁনতারা বয়া হইল বর্তমান স্বাধীন বাংলাদেশরই বয়া। কারণ পূর্ব পাকিস্তানের পতাকার স্মৃতি ধারণ করে সেই অনুসারে এই বয়া দিয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তান বাতিল হইয়া স্বাধীন বাংলাদেশ জন্ম হইলে ঠিক চাঁনতারা বয়া হইল বাংলাদেশ লাল-সবুজের স্মৃতি বিজড়িত বয়া। কিন্তু তা এখনো পরিবর্তন করা হয়নি। এই বঙ্গোপসাগরে  বিভিন্ন রকমের মৎস্য জীবী, মৎস্য শিকারী জেলেদের ফিশিং ট্রলার ছোট বড় বিভিন্ন প্রকৃতির বিভিন্ন জাতের, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বা নেভী, বিভিন্ন দেশের ছোট বড় মালবাহী জাহাজ বিভিন্ন প্রকৃতির, দেশীয় ছোট বড় অত্যাধুনিক মাছ শিকারের ট্রলার, বিদেশী থাইল্যান্ডের বড় বড় মাছ শিকারের অত্যাধুনিক ট্রলার। বাংলাদেশ ধ্বংসকারী চোরাকারবারীদের নিরাপদ রাস্তা এই বঙ্গোপসাগর। চোরাকারবারী বা মাফিয়ারা বড় বড় জাহাজে বা দেশীয় তৈরি শক্তিশালী ট্রলার দিয়ে বাংলাদেশ থেকে মূল্যবান জিনিস পত্র বিদেশে গোপনে পাচার করে ও বিদেশ থেকে ঠিক একই কায়দায় বিদেশী মালামাল এ দেশে প্রবেশ করায়। যেমন অবৈধ অস্ত্র গোলা বারুদ, হেরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেট, আদম পাচারসহ নানা রকম দেশ ধ্বংসকারী নিষিদ্ধ জিনিসপত্র পাচার ও আমদানী করিয়া থাকে। বাংলাদেশের বড় বড় খুনী, গডফাদারগণ, ডাকইত দল আতœগোপনের নিরাপদ স্থান এই গভীর বঙ্গোপসাগর। এই বঙ্গোসাগরের জনবসতির স্থলভাগ থেকে বাংলাদেশের স্থানের পরিমানের চেয়ে প্রায় ২১ গুন বড় এই গভীর বঙ্গোপসাগর এখনো অরতি। বৃটিশ সরকার আমলে আধিপত্য বিস্তার করিয়া সেই আমলে নাটকীয়ভাবে তাদের ইচ্ছামত এদার ওদার হয়। পরিস্কার ভাবে সি,এস জরিপে পূর্নঃ পূর্ন বাংলাদেশীদের আবাসস্থল চিহ্নীত। রদবদল এধার ওধার বৃটিশ সরকার আমলে আর,এস রেকর্ড ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলে ভরা তারপরেও কোলাদং পাহাড় শিস নালী ইমাম মরদ্বিয়া বাংলাদেশের নামীয় আবাদকারী দলিল বৃটিশ শাসকদের রতি হিমাগারে রতি আছে বলে জানা গেছে। এই বঙ্গো সাগরে বিদেশী থাইল্যান্ডের ফিশিং ট্রলার রাত্রি দিনে অনবরত জাল সাগরে ফেলিয়া টানিয়া বড় বড় মাছ গুলি তাদের ট্রলারে উঠায়। ছোট ছোট মাছের পোনা বাচ্চা গুলি সাগরে ঢালিয়া ফেলিয়া দেয় ওই ফিশিং বিদেশী ট্রলার একটি কোপে কোটি কোটি পোনা মাছ নিধন করে যাচ্ছে। এইটাকি বিশাল ষড়যন্ত্র ছাড়া দেশ ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই নয়। আবার বঙ্গোপসাগরের কুল কিনারা থেকে জেগে উঠা চর জলাশয়গুলিতে নেট জাল দিয়ে কোটি কোটি পোন মাছ নির্ধন করে দেশীয় জেলের দল। বাংলাদেশের নদীর মূল মোহনার কেন্দ্র বিন্দু হচ্ছে গভীর বঙ্গোপসাগর। বাংলাদেশের বড় বড় নদী মেঘনা, যমুনা, পদ্ধা, আত্রায়, কণফুলী, বহ্মপুত্র নদী ও আরও অনেক নদী ও শাখা নদীর মূল মোহনা হচ্ছে এই বঙ্গোসাগর। প্রতিদিন দিন ও রাত্রিতে বঙ্গোসাগরের ভিতরে বা নদীতে হাজার হাজার টেংরা জাল, ধর্মজাল, পাতালী জাল, রাজ জাল, বিহীন্দি জাল, বিভিন্ন নেট ওয়ালা জাল, জানা অজানা শত শত রকমের জাল দিয়া কোটি কোটি পোনা আহরন ও নির্ধন করে যাচ্ছে। এই গভীর বঙ্গোপসাগরের বুকে কুম জাল, ডুবো জাল, ভাসা জাল, লাাে জাল, বিহিন্দী জাল, ইলিশ জাল, শত শত রকমের জাল দিন রাত্রিতে বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে বসায় আর উঠায়। একটির ও ফিশিং ট্রলারের কোন লাইসেন্স নাই। পারমিট অনুমতি বা অবগতি নাই। তার পরেও পোনা মাছ নির্ধন করিয়া যাচ্ছে। এই বঙ্গোপসাগরে ১৫ রকমের পানি প্রবাহিত হয়। তার আবার নির্দিষ্ট পানির সীমানা তরঙ্গও আছে।  গোলা পানি, সবুজ পানি, নীলা পানি, কালো পানি, সাদা পানিসহ ৪ ধরনের পানি রয়েছে। তম্মধ্যে গভীরতা নিয়ে ৬ রকমের পানির তরঙ্গ হয়ে থাকে। বলা চলে গোলা পানি ১ বাম হইতে ৫ বাম এক ধরনের রূপ ধারন করে। আবার ৫ বাম হইত ১৫ বাম পর্যন্ত আর এক ধরনের রূপ ধারন করে। ১৫ বাম হইতে ২৬ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের রূপ ধারন করে। এদের তরঙ্গও বিভিন্ন প্রকৃতির। নীলা পানি ২৭ বাম হইতে ৩৮ বাম পর্যন্ত এক প্রকারের তরঙ্গও এক প্রকারের, ৩৯ বাম থেকে ৪৫ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, আবার ৪৬ বাম থেকে ৫০ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৫১ বাম থেকে ৫৮ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের। সবুজ পানি মূলত চার প্রকার ৫৯ বাম থেকে ৬২ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৬৩ বাম থেকে ৭০ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৭২ বাম থেকে ৮২ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের, ৮৪ থেকে ৯৯ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের তরঙ্গও আর এক রকমের। ১০২ বাম থেকে কালো পানির সৃষ্টি। তাহা ১২০ বামে গিয়ে আর এক রকম হয়। ১২৪ বাম হইতে ১৪৮ বাম আর এক রকম হয়। ১৫২ থেকে ১৮০ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের হয়। ১৮৩ বাম থেকে ১৯৯ বাম পর্যন্ত আর এক রকমের। ২০৩ বাম হইতে আর এক রকমের গতি ধারা। ২০৫ বাম হইতে ২৪৮ বাম আর এক রকমের গতি ধারা। ২৪৯ বাম হইতে ৫০০ বাম পর্যন্ত এক রকমের একধারার বিশাল কালো পানির সাগর। ৫০০ বাম থেকে ৫১০ গেলে গভীর বঙ্গোপসাগর। যার বাম ৩০০০ বামেরও বেশি। বঙ্গোপসাগরের কোথাও সাইকোন, ঘুণিঝড়, হারিকেন, তুপান হইলে বঙ্গোসাগরের বুকে এখনো পর্যন্ত জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেনের মত বঙ্গোপসাগরের বুকে ভাসমান অত্যাধুনিক রাডার স্থাপন করা হয় নাই। যে কারণে কাল বাজারী বিদেশী দেশী অস্ত্রবাজ চোর ডাকাতেরা সহজে গোপনে আশ্রয় প্রশ্রয় পাইয়া থাকে। সুযোগ বুঝে মহা মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিদেশী গুপ্ত চোর ও দেশীয় গুপ্তচোর মিলে মিশে তন্ন তন্ন ষড়যন্ত্র অব্যহত রাখছে জেলেরা জানিয়েছে। বলা চলে বিদেশী ভালবাসা একটি রঙ তামাশা মাত্র।

 

সংবাদটি আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন...

Comments are closed.

More News Of This Category
©2011 - 2020 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | TekNafNews.com
Developed by WebArt IT