হটলাইন

01787-652629

E-mail: teknafnews@gmail.com

সর্বশেষ সংবাদ

প্রচ্ছদবিচিত্রবিশেষ সংবাদ

অতীতে চিঠি বা জরুরি বার্তা পাঠানোর মাধ্যম কবুতর দিয়ে ইয়াবা পাচার

অনলাইন ডেস্ক::প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চলমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে বেকায়দায় আছে মাদক ব্যবসায়ীরা। তাই তারা মাদক পাচারের জন্য একের পর এক অভিনব পন্থা খুঁজে বের করছে। এবার অতীতে চিঠি বা জরুরি বার্তা পাঠানোর মাধ্যম কবুতরকে ইয়াবা পাচারের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে তারা।
জানা গেছে, কবুতর নির্ভুলভাবে দিক নির্ণয় করে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে বিধায় তার শরীরে ইয়াবা বেঁধে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নির্বিঘ্নে ইয়াবা পাচার করছে কারবারিরা। একেকটি কবুতরের দুই পায়ে সর্বোচ্চ ৫০ গ্রামের মতো ইয়াবা নিয়ে আসা যায়। তারা প্রশিক্ষিত কবুতরের পায়ে ইয়াবা বেঁধে কক্সবাজার থেকে উড়িয়ে দেয়। আর তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ঢাকায় নির্ধারিত এলাকায় পৌঁছে যায় তা। একেকটি ইয়াবা ওজন ০.১ থেকে ০.২ গ্রাম। এই হিসেবে ২৫০ থেকে ৫০০টি ইয়াবা বয়ে নিতে পারে একেকটি কবুতর। কেবল কক্সবাজার থেকে ঢাকায় নয়, ঢাকার এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় ইয়াবা পাঠাতে কবুতর ব্যবহার করা হয়।

এদিকে, ইয়াবা পাচারের এই অভিনব উপায়ের তথ্য জেনে পুলিশও বিষয়টি নিয়ে মাঠে নেমেছে। ইয়াবা পাচারে ব্যবহার করা হয় গিরিবাজ নামে এক জাতের কবুতর। দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রেসার কবুতরে রূপ দেয়া হয় এই পাখিকে। এ ছাড়া প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার জন্য ব্যবহার করা হয় থাইল্যান্ড ও পাকিস্তানের হুমা জাতের কবুতর। ছয় মাস প্রশিক্ষণ দিলে এসব কবুতর এক থেকে দেড়শো কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, কক্সবাজারের উখিয়ায় হোয়্যাইককং নামের স্থানে রেসার কবুতরের আধিক্য বেশি। তবে গত ছয় মাস আগেও এখানে কবুতরের আনাগোনা এখনকার চাইতে কম ছিল। বর্তমানে হোয়্যাইককং থেকে ঢাকার উদ্দেশে কবুতর পাঠানো হয় বলে তথ্য মিলেছে।

এছাড়া কক্সবাজার সদরের কালুর দোকান এলাকা, কক্সবাজার বিমানবন্দর সংলগ্ন বাহারছড়া, কলাতলী, দড়িয়ানগর, বাংলাবাজার এলাকাতেও রেসার কবুতরের আনাগোনা আছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং তদন্তে এর মধ্যেই একজন অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

Leave a Response

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.